
সেভিয়ার বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের ম্যাচে আলোচনার কেন্দ্রে আর্দা গুলারের লাল কার্ড বিতর্ক। প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ড পেককে কনুই দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে এই তুর্কি তারকার বিরুদ্ধে। তবে ভিএআর হস্তক্ষেপ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সেভিয়ার খেলোয়াড়রা।
সেভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ২২তম মিনিটে ঘটে বিতর্কিত ঘটনাটি। রিয়াল মাদ্রিদের একটি পাল্টা আক্রমণ থামাতে গিয়ে গুলারের হাতের আঘাতে মাটিতে পড়ে যান সেভিয়ার ফরোয়ার্ড পেক। সঙ্গে সঙ্গে রেফারির কাছে অভিযোগ জানান সেভিয়ার খেলোয়াড়রা। তাদের দাবি, হিংসাত্মক আচরণের দায়ে গুলারকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল।
ঘটনাটি ভিএআরে পর্যালোচনা করা হলেও মাঠের রেফারি বুস্কেতস ফেরেকে মনিটরে গিয়ে রিপ্লে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আঘাতের সুনির্দিষ্ট স্থান ও বলপ্রয়োগের মাত্রা স্পষ্ট না হওয়ায় গুলারের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি রেফারি। উল্টো প্রতিবাদ করায় হলুদ কার্ড দেখতে হয় সেভিয়ার হাইসেন ও ফেলিক্স কোরিয়াকে।
ম্যাচের প্রথমার্ধের বিরতিতে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সেভিয়ার ডিফেন্ডার কিকে সালাস। সতীর্থ পেকের বক্তব্যের ওপর আস্থা রেখে তিনি বলেন, গুলারের ওই আঘাত লাল কার্ড পাওয়ার মতো অপরাধ। যদিও তখনো তিনি নিজে ঘটনার পরিষ্কার রিপ্লে দেখেননি।
সালাসের ভাষ্য, গুলারের গোলের আগপর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সেভিয়ার হাতেই ছিল বলে তার মনে হয়েছে। কিন্তু পেককে কনুই দিয়ে আঘাত করার ঘটনাটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারত। এ সময় ভিএআরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন গুলার। দিয়ামান্দের বাড়িয়ে দেওয়া নিখুঁত পাস থেকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান তুরস্কের এই তরুণ তারকা। ফলে সেভিয়ার ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়।
এরপর ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। রিয়াল মাদ্রিদ জয় পেলেও সেভিয়ার শিবিরে অসন্তোষ থেকেই যায়। তাদের মতে, গুলারকে লাল কার্ড দেখানো হলে ম্যাচের গতিপথ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারত।
সব মিলিয়ে রিয়ালের জয় ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে রেফারির সিদ্ধান্ত ও ভিএআরের ভূমিকা। বিতর্কিত ওই ঘটনায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েই এখন ফুটবল মহলে চলছে আলোচনা।
আরটিভি/এসকে




