ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্বজয়ের পর এবার বর্ষসেরা কোচ দে লা ফুয়েন্তে

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার ব্যক্তিগত স্বীকৃতির মঞ্চেও সেরার আসনে স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা পুরুষ কোচের পুরস্কার জিতেছেন ৬৫ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচ। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের কৃতিত্ব নিজে না নিয়ে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের উৎসর্গ করেছেন তিনি।

সোমবার লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয় ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান। সেখানে আর্সেনালের মিকেল আরতেতা, পিএসজির লুইস এনরিকে, অ্যাস্টন ভিলার উনাই এমেরি ও বায়ার্ন মিউনিখের ভিনসেন্ট কোম্পিকে পেছনে ফেলে পুরস্কার জেতেন দে লা ফুয়েন্তে। ২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনকে চ্যাম্পিয়ন করাই ছিল এই স্বীকৃতি পাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।

পুরস্কার গ্রহণের পর আবেগ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্পেনের এই কোচ। মনোনীত অন্য কোচদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, তারাও এই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। নিজের সাফল্যের পেছনে দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, এই অর্জন কোনো একক ব্যক্তির নয়; বরং পুরো দলের।

খেলোয়াড়দের পারস্পরিক সহযোগিতা, উদার মানসিকতা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রবণতাকে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখেন তিনি।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে স্পেনের জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সাফল্যের ধারায় রয়েছে দলটি। দে লা ফুয়েন্তের অধীনে ২০২৩ সালে উয়েফা নেশনস লিগ, ২০২৪ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ এবং সবশেষ ২০২৬ সালে ফিফা বিশ্বকাপ জেতে স্পেন।

২০২৩ সালে ক্রোয়েশিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে নেশনস লিগের শিরোপা জেতে স্পেন। পরের বছর ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো ইউরোপসেরা হয় দলটি। পুরো টুর্নামেন্টে সাত ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছিল স্প্যানিশরা।

এরপর ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব দেখায় স্পেন। নির্ধারিত সময়ে গোল না হলেও অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে শিরোপা নিশ্চিত হয়। এর মধ্য দিয়ে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তোলে স্পেন।

জাতীয় দলের প্রধান কোচ হওয়ার আগেও স্পেনের ফুটবলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন দে লা ফুয়েন্তে। বয়সভিত্তিক দলগুলোর দায়িত্ব পালনকালে অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২১ পর্যায়ে ইউরোপিয়ান শিরোপা জিতেছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে স্পেনের অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে রুপার পদক এনে দেন এই কোচ।

জাতীয় দলের হয়ে ধারাবাহিক সাফল্য এবং খেলোয়াড়দের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তোলার স্বীকৃতিই এবার দে লা ফুয়েন্তেকে এনে দিল বর্ষসেরা কোচের সম্মাননা।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্যালন ডি’অর পেলে কত টাকা পান ফুটবলাররা?
বিশ্বসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি ব্যালন ডি’অর। সোনালি ট্রফিটি হাতে তোলার স্বপ্ন দেখেন বিশ্বের প্রায় সব ফুটবলার। তবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেই আয়োজকদের কাছ থেকে সরাসরি কোনো অর্থ পুরস্কার পান না বিজয়ী। যদিও ক্লাব ও স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী লাখ লাখ ইউরো বোনাস পাওয়ার সুযোগ থাকে। পাশাপাশি বাড়ে বিজ্ঞাপনমূল্য ও বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে আয়ের সম্ভাবনাও। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসের আন্তর্জাতিক ফুটবল বিভাগের প্রধান আরিৎস গাবিলন্দোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্যালন ডি’অর এখন কেবল ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি নয়। এটি ফুটবলারদের বাণিজ্যিক মূল্য বাড়ানোরও বড় মাধ্যম। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এই পুরস্কার একজন খেলোয়াড়ের আর্থিক ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।  এএসের তথ্য অনুযায়ী, ব্যালন ডি’অরের সোনালি ট্রফিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ হাজার ৫০০ ইউরো। তবে ট্রফিটির প্রকৃত গুরুত্ব এর আর্থিক মূল্যে নয়, বরং এটি জয়ের মাধ্যমে একজন ফুটবলারের সামনে তৈরি হওয়া সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক সুযোগে। ফুটবলারদের ক্লাব চুক্তিতে ব্যক্তিগত অর্জনের জন্য বিশেষ বোনাসের শর্ত থাকতে পারে। ব্যালন ডি’অর জিতলে এসব শর্ত অনুযায়ী কোনো কোনো খেলোয়াড়ের বোনাসের পরিমাণ ৩০ লাখ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ নেইমার। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) যোগ দেওয়ার পর ব্রাজিলিয়ান তারকার চুক্তিতে ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য প্রায় ৩০ লাখ ইউরো বোনাসের শর্ত থাকার খবর প্রকাশ করেছিল ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে প্যারিসিয়েন। পরে লেকিপও এ তথ্য জানায়। তবে পিএসজির হয়ে কখনো ব্যালন ডি’অর জিততে পারেননি নেইমার। ফলে ওই বোনাস পাওয়ার সুযোগও তৈরি হয়নি। ক্লাবের পাশাপাশি স্পনসরদের সঙ্গেও চুক্তিতে এমন বোনাসের শর্ত থাকতে পারে। ২০১৮ সালে ব্যালন ডি’অর জয়ের পর ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রায় আট লাখ ইউরো বোনাস পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল লুকা মদ্রিচের। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল কনফিদেনসিয়াল সে সময় এ তথ্য জানিয়েছিল। মদ্রিচের অর্জনকে কাজে লাগিয়ে বিশেষ সংস্করণের ফুটবল বুটও বাজারে এনেছিল নাইকি। অর্থাৎ, ব্যালন ডি’অর জয় শুধু ফুটবলারের জন্যই নয়, স্পনসর প্রতিষ্ঠানের জন্যও বাড়তি ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে। তবে আর্থিক সুবিধা কেবল এককালীন বোনাসেই সীমাবদ্ধ নয়। ব্যালন ডি’অর জয়ের ফলে একজন ফুটবলারের আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও বিজ্ঞাপনমূল্য বেড়ে যেতে পারে। নতুন স্পনসর পাওয়া, পুরোনো চুক্তি নবায়নের সময় বেশি অর্থ দাবি করা এবং বৈশ্বিক বাজারে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হয়। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মেসি আটবার এবং রোনালদো পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমেও বিপুল আয় করেছেন এই দুই তারকা। তাদের জনপ্রিয়তা এখন ফুটবল মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। এএসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মেসি-রোনালদোর পরবর্তী প্রজন্মের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামালের সামনেও একই ধরনের বাণিজ্যিক অবস্থান তৈরির সুযোগ রয়েছে। ব্যক্তিগত অর্জন ও মাঠের সাফল্য কাজে লাগিয়ে বিশ্ব ফুটবলের বাণিজ্যিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পারেন তারা। অবশ্য ব্যক্তিগত পুরস্কারকেন্দ্রিক এই প্রতিযোগিতা নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। পিএসজির কোচ লুইস এনরিকের মতো অনেকে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলীয় সাফল্যকে বেশি গুরুত্ব দেন। তাদের মতে, ফুটবল দলীয় খেলা; তাই একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত স্বীকৃতির চেয়ে পুরো দলের অর্জনই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও ব্যালন ডি’অরের জনপ্রিয়তা ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব ক্রমেই বেড়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অনুষ্ঠান বিশ্বের ১০৫টি দেশে সম্প্রচারিত হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পুরস্কারটি ঘিরে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক আগ্রহ। সব মিলিয়ে, ব্যালন ডি’অর জিতলে আয়োজকদের কাছ থেকে সরাসরি নগদ অর্থ না পেলেও একজন ফুটবলারের সামনে বড় অঙ্কের বোনাস ও বাণিজ্যিক আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়। সেই আয় নির্ভর করে ক্লাব ও স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত, খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা এবং ভবিষ্যতে তৈরি হওয়া নতুন সুযোগের ওপর। তাই সোনালি ট্রফিটির চেয়েও সেটি জয়ের আর্থিক মূল্য অনেক বেশি হতে পারে।   আরটিভি/এসকে
ব্যালন ডি’অর পেলে কত টাকা পান ফুটবলাররা?
কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত সাবেক লিভারপুল তারকা, পায়ে ৫০ সেলাই
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সাবেক ফুটবলার জেরমেইন পেনান্ট কুকুরের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়েছেন। জার্মান শেফার্ড জাতের একটি কুকুরের কামড়ে তার ডান পায়ে চারটি ক্ষত তৈরি হয়েছে। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পর ক্ষতস্থানে ৫০টিরও বেশি সেলাই দিতে হয়েছে ৪৩ বছর বয়সী এই সাবেক উইঙ্গারকে। গত সপ্তাহে নিজের দুই পোষা কুকুরকে নিয়ে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন পেনান্ট। এ সময় জার্মান শেফার্ড জাতের একটি কুকুর তার ওপর আক্রমণ করে। নিজের পোষা কুকুর কিংকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন তিনি। তার দাবি, কুকুরটি তার পা কামড়ে ধরে রাখে এবং কিছুতেই ছাড়ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসে পেনান্টের পোষা কুকুর কিং। আক্রমণকারী কুকুরটিকে তাড়িয়ে দিয়ে মালিককে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করে সে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রমণে পেনান্টের ডান পায়ে চারটি কামড়ের ক্ষত হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। এদিকে কিংয়ের পায়েও সামান্য কামড়ের দাগ পড়ে। তার শরীরে রক্ত দেখে প্রথমে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পেনান্ট। পরে বুঝতে পারেন, সেই রক্ত তাঁর নিজের। ঘটনার বিবরণ দিয়ে ইনস্টাগ্রামে পেনান্ট লেখেন, ‘একটি জার্মান শেফার্ড আমার ওপর আক্রমণ করেছিল। আমি কিংকে রক্ষা করার চেষ্টা করি, কিন্তু কুকুরটি আমার পা কামড়ে ধরে। আমি মাটিতে পড়ে ছিলাম, আর কুকুরটি পা ছাড়ছিল না। কিং বুঝতে পারছিল না কী ঘটছে। তবে এগিয়ে আসার পর সে কুকুরটিকে তাড়িয়ে দেয় এবং আমাকে ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে বাঁচায়।’ কিংকে নিজের নায়ক উল্লেখ করে পেনান্ট আরও লেখেন, ‘আমার নায়ক এখনো আমাকে রক্ষা করছে এবং আমার যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিং, তুমি সত্যিই অসাধারণ। তোমাকে ভালোবাসি। কুকুরই মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু।’ ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত ছবিতে পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় সোফায় বসে থাকতে দেখা যায় পেনান্টকে। পাশে ছিল তার প্রিয় পোষা কুকুর কিং। এই কঠিন সময়ে তাদের দুজনের দেখাশোনা করার জন্য সঙ্গী মিমি মন্টগোমেরিকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালে পেশাদার ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার আগে ১৯ বছরের ক্যারিয়ারে প্রিমিয়ার লিগে ২৩১টি ম্যাচ খেলেছেন পেনান্ট। লিভারপুল ও স্টোক সিটির হয়ে মাঠ মাতানো এই উইঙ্গার বর্তমানে টকস্পোর্টের ফুটবল বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে নটস কাউন্টি থেকে আর্সেনালে যোগ দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন পেনান্ট। সে সময় তার জন্য ২৫ লাখ পাউন্ড খরচ করেছিল ক্লাবটি। অল্প বয়সেই বড় অঙ্কের ট্রান্সফারের কারণে ইংলিশ ফুটবলে অন্যতম আলোচিত তরুণ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছিলেন তিনি।   আরটিভি/এসকে
কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত সাবেক লিভারপুল তারকা, পায়ে ৫০ সেলাই
স্পেনের ফুটবলে নতুন ইতিহাস, তৃতীয়বার ব্যালন ডি’অর জিতলেন আলেক্সিয়া
চোট ও দীর্ঘ পুনর্বাসন পেরিয়ে আবারও বিশ্বসেরার স্বীকৃতি পেয়েছেন স্পেনের তারকা মিডফিল্ডার আলেক্সিয়া পুতেয়াস। তৃতীয়বারের মতো নারী ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ ব্যালন ডি’অর জিতে বার্সেলোনার সাবেক সতীর্থ আইতানা বনমাতির পাশে নাম লেখালেন তিনি।
স্পেনের ফুটবলে নতুন ইতিহাস, তৃতীয়বার ব্যালন ডি’অর জিতলেন আলেক্সিয়া
টানা তিনবার কোপা ট্রফি জিতে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল
একবার নয়, দুবার নয় টানা তিনবার কোপা ট্রফি জিতে ইতিহাস গড়লেন লামিনে ইয়ামাল। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই এই কীর্তি গড়েছেন বার্সেলোনা ও স্পেনের তরুণ ফরোয়ার্ড।
টানা তিনবার কোপা ট্রফি জিতে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল
ব্যালন ডি’অর / ক্লাব সেরার মুকুট বার্সেলোনা-পিএসজির
এক মৌসুমে চার শিরোপা জয়ের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে বর্ষসেরা নারী ক্লাবের পুরস্কার জিতেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে, পুরুষদের বিভাগে টানা দ্বিতীয়বার বর্ষসেরা ক্লাবের সম্মান পেয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)।
ক্লাব সেরার মুকুট বার্সেলোনা-পিএসজির
আরও পড়ুন
ব্যালন ডি’অর পেলে কত টাকা পান ফুটবলাররা?
স্পেনের ফুটবলে নতুন ইতিহাস, তৃতীয়বার ব্যালন ডি’অর জিতলেন আলেক্সিয়া
টানা তিনবার কোপা ট্রফি জিতে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল
ক্লাব সেরার মুকুট বার্সেলোনা-পিএসজির