
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পুরাতন ভবনের জিমনেশিয়াম ব্যবহার করছে বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশন ও বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশন। এই দুই ফেডারশনের জন্য পৃথক করার ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল।
তিনি জানান, পুরাতন ভবনের জিমনেশিয়াম জিমন্যাস্টিক্স পুরোপুরি ব্যবহার করবে এবং তায়কোয়ান্দোকে কমলাপুর স্টেডিয়ামে স্থানান্তর করা হবে।
এ ছাড়া এনএসসির পুরোনো ভবন ও সুইমিং পুলের জায়গায় একটি বহুতল সমন্বিত স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে জিমন্যাস্টিকস, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, বাস্কেটবল ও টেবিল টেনিসসহ সব ইনডোর খেলার জন্য পৃথক আধুনিক অবকাঠামো বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সারা দেশে খেলার মাঠের সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ৪,৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১,০০০টি ইউনিয়নে ১,০০০টি মাঠ খেলার উপযোগী করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
খেলাধুলাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গন দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে এক সূত্রে গেঁথে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে উদ্বুদ্ধ করে।
জিমন্যাস্টিক্সে ক্ষুদে অ্যাথলেটদের দারুণ নৈপুণ্য দেখে মুগ্ধ প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তরুণ অ্যাথলেটদের বছরব্যাপী মানসম্মত অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া গেলে এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস কিংবা অলিম্পিকের মতো বৈশ্বিক আসর থেকেও পদক জয় করা সম্ভব হবে।
এবারের আন্তঃস্কুল জিমন্যাস্টিক প্রতিযোগিতায় ৫৪টি স্কুলের ২২২ জন জিমন্যাস্ট অংশ নিচ্ছে। তাদের মধ্যে ১১৮ জন বালক ও ১০৪ জন বালিকা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামালসহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা।
আরটিভি/এসআর



