ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

৩০ সেকেন্ডে বুঝবেন ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি কি না

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
কাল্পনিক ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো ভিডিও আসল, নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি তা নিয়ে সন্দেহ হলে কয়েকটি বিষয় খেয়াল করেই প্রাথমিক ধারণা পাওয়া সম্ভব। মুখের অভিব্যক্তি, ঠোঁটের নড়াচড়া, হাতের গঠন, পেছনের দৃশ্য এবং ভিডিওর মূল উৎস যাচাই করে শনাক্ত করা যেতে পারে সম্ভাব্য অসংগতি। তবে এসব লক্ষণ দেখে নিশ্চিতভাবে ভিডিওকে ভুয়া বলা যায় না।

মুখ, চোখ ও ঠোঁটের নড়াচড়া খেয়াল করুন

ভিডিওতে কোনো ব্যক্তি থাকলে প্রথমেই তার মুখের অভিব্যক্তি, চোখের পলক এবং ঠোঁটের নড়াচড়া লক্ষ করুন। এআই দিয়ে তৈরি কিছু ভিডিওতে মুখের আকৃতি অস্বাভাবিকভাবে বদলে যেতে পারে। কান, চুল কিংবা চোয়ালের আশপাশে ঝাপসা ভাবও দেখা যেতে পারে। কেউ কথা বলার সময় ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কণ্ঠস্বরের মিল না থাকলেও সন্দেহ তৈরি হতে পারে।

তবে চোখের পলক, ত্বকের মসৃণতা কিংবা ঠোঁটের নড়াচড়ার সামান্য অসংগতি একাই ভিডিওটি নকল হওয়ার প্রমাণ নয়। ক্যামেরার মান, আলো ও সম্পাদনার কারণেও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হাত ও আঙুলের গঠন পরীক্ষা করুন

এআই দিয়ে তৈরি ভিডিওতে কখনো হাতের আঙুলের সংখ্যা, আকৃতি কিংবা অবস্থানে অসংগতি দেখা যায়। কোনো বস্তু ধরার সময় আঙুল একটির সঙ্গে আরেকটি মিশে যাওয়া, হাতের গঠন বদলে যাওয়া কিংবা বস্তু হঠাৎ আকৃতি পরিবর্তন করার মতো বিষয় খেয়াল করুন।

পেছনের দৃশ্য ও আলো-ছায়া দেখুন

ভিডিওতে শুধু মূল ব্যক্তির দিকে নজর না দিয়ে আশপাশের দৃশ্যও পরীক্ষা করুন। দরজা, জানালা, গাছপালা কিংবা আসবাবের আকৃতি ভিডিওর বিভিন্ন অংশে অস্বাভাবিকভাবে বদলে যাচ্ছে কি না, তা দেখুন। একইভাবে আলো ও ছায়ার মধ্যে অসংগতি রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।

ভিডিওর মূল উৎস খুঁজুন

ভিডিওটি কে প্রকাশ করেছেন, কোথা থেকে এসেছে এবং অন্য নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে একই ঘটনার তথ্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করুন। কোনো পরিচিত ব্যক্তি বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়ে ভিডিও ছড়ালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যাচাইকৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট কিংবা প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেখুন।

ভিডিওর স্থিরচিত্র ব্যবহার করে রিভার্স ইমেজ সার্চের মাধ্যমে আগের কোনো ছবি বা ভিডিওর সঙ্গে মিল খোঁজা যেতে পারে। পাশাপাশি, কনটেন্টটি এআই দিয়ে তৈরি কি না, সে বিষয়ে কোনো লেবেল বা উৎস-সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে কি না, তাও পরীক্ষা করা যেতে পারে। তবে সম্পাদনা বা আপলোডের সময় এ ধরনের তথ্য হারিয়ে যেতে পারে।

৩০ সেকেন্ডের পরীক্ষাই চূড়ান্ত নয়

দ্রুত এসব বিষয় পরীক্ষা করলে ভিডিওতে সন্দেহজনক লক্ষণ পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু আধুনিক এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও এতটাই বাস্তবসম্মত হতে পারে যে তাতে দৃশ্যমান কোনো অসংগতি থাকে না। আবার বাস্তব ভিডিওও কমপ্রেশন, খারাপ আলো কিংবা সম্পাদনার কারণে অস্বাভাবিক দেখাতে পারে।

বিশেষ করে নারীর আপত্তিকর বা নগ্ন ভিডিও, রাজনৈতিক বক্তব্য, দুর্ঘটনার দৃশ্য কিংবা কোনো ব্যক্তির নামে প্রচারিত বিতর্কিত ভিডিওর ক্ষেত্রে যাচাই ছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। এমন ভিডিও সত্যতা যাচাই না করে শেয়ার করাও এড়িয়ে চলতে হবে।

ভিডিওর সত্যতা নিশ্চিত করতে মূল উৎস, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র মিলিয়ে দেখা জরুরি। মনে রাখতে হবে, ৩০ সেকেন্ডে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া সম্ভব হলেও ভিডিওটি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি, তা নিশ্চিত করতে আরও যাচাই প্রয়োজন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অভিযোগ থেকে সমাধান, সব এক অ্যাপেই!
রাস্তার পাশে জমে থাকা ময়লা, নির্ধারিত সময়ে বর্জ্য অপসারণ না হওয়া কিংবা কোনো এলাকায় পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত সমস্যা- নগরজীবনে এমন অভিজ্ঞতা নতুন নয়। এসব সমস্যা জানাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যাওয়া, অভিযোগ জানিয়ে প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা করা কিংবা কোন বিভাগ ব্যবস্থা নেবে, তা খুঁজে বের করাও অনেক সময় নাগরিকদের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়। এই বাস্তবতায় পরিচ্ছন্নতাসংক্রান্ত অভিযোগ সরাসরি কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। 
অভিযোগ থেকে সমাধান, সব এক অ্যাপেই!
স্মার্টফোন হারালে যেভাবে পুনরুদ্ধার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট
স্মার্টফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে ফোনে থাকা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের অপব্যবহার এবং ব্যক্তিগত কথোপকথন ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
স্মার্টফোন হারালে যেভাবে পুনরুদ্ধার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট
ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ভুয়া আইডি, ছবি ও সাইবার প্রতারণা রুখতে পদক্ষেপ নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এবার সাধারণ ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে ‘ভেরিফায়েড ব্যাজ’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজে চিহ্নিত করতে পারবেন অ্যাকাউন্টটি কোনো বাস্তব মানুষের নাকি এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া আইডি। তবে মেটার পেইড সার্ভিস ‘মেটা ভেরিফায়েড’-এর মতো টাকা দিয়ে এই ব্যাজ কিনতে হবে না। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ব্যাজটি পাবেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। নতুন এই ব্যাজ পেতে ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের সেলফি ভিডিও ধারণ করে জমা দিতে হবে। ফেসবুক উক্ত ভিডিওটি অ্যাকাউন্টের মূল ছবি ও তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় শতভাগ নিশ্চিত করবে। তবে এই সুবিধা সবার জন্য নয়। ব্যাজটি পেতে হলে অ্যাকাউন্টধারীকে বেশ কিছু প্রাথমিক শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো— ব্যবহারকারীর বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে। এর কম বয়সীরা এই সুবিধা পাবেন না। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে অ্যাকাউন্টটি সচল অবস্থায় না থাকলে পাওয়া যাবে না এই ব্যাজ। অ্যাকাউন্টে পূর্বে কোনো প্রতারণা, ভুয়া পরিচয় উপস্থাপন বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস থাকলে এই ব্যাজ পাওয়া যাবে না। ফেসবুক পেজ এবং প্রোফেশনাল মোড অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে বিনামূল্যের এই ব্যাজ সুবিধা পাওয়া যাবে না। মেটার সেলফি ভিডিওভিত্তিক পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়ায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে নতুবা ভেরিফায়েড ব্যাজ পাওয়া যাবে না। পরিচয় যাচাই সফল হলে এই ভেরিফায়েড ব্যাজটি ব্যবহারকারীর প্রোফাইল ছাড়াও মার্কেটপ্লেস, বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ এবং ফেসবুক ডেটিং প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত হবে। মেটা বলছে এই ব্যাজটি কেবল একজন ব্যবহারকারী বাস্তব মানুষ কি না সেই প্রমাণ বহন করে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা ব্যক্তিগত আচরণের কোনো নিশ্চয়তা মেটা দেয় না। ফলে অনলাইনে যেকোনো লেনদেন, তথ্য আদান-প্রদান বা ব্যক্তিগত যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সচেতনতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই ফিচারটি বিশ্বের নির্বাচিত কয়েকটি দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা উন্মুক্ত করবে মেটা। আরটিভি/এসআর
ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মানা খুবই জরুরি
রান্নার কাজে বাসাবাড়িতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বহুল ব্যবহৃত। তবে সিলিন্ডার সংরক্ষণ, সংযোগ স্থাপন কিংবা ব্যবহারে অসতর্কতা থেকে গ্যাস লিকেজ, অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এসব ঝুঁকি এড়াতে সিলিন্ডার ব্যবহারে কয়েকটি নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে গ্যাস সিলিন্ডার নিরাপদে ব্যবহার ও সংরক্ষণের বিভিন্ন নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুমোদিত সরবরাহকারীর কাছ থেকে গ্যাস নেওয়া এবং সিলিন্ডার ও সংযোগের নিয়মিত পরীক্ষা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।  ১. গ্যাস সিলিন্ডার সব সময় সমতল ও স্থিতিশীল জায়গায় খাড়াভাবে রাখতে হবে। এটি কাত করে বা শুইয়ে রাখা উচিত নয়। সিলিন্ডার এমন স্থানে রাখতে হবে, যেখানে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে। ২. সিলিন্ডার সরাসরি সূর্যের আলো, চুলার আগুন, অতিরিক্ত তাপ ও স্ফুলিঙ্গের উৎস থেকে দূরে রাখতে হবে। বদ্ধ আলমারি, বেসমেন্ট কিংবা বাতাস চলাচল করে না এমন জায়গায় সিলিন্ডার রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। ৩. অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ও সরবরাহকারীর কাছ থেকে সিলিন্ডার সংগ্রহ করা জরুরি। অননুমোদিতভাবে গ্যাস ভরা বা ত্রুটিপূর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ৪. সিলিন্ডারের পাইপ, রেগুলেটর ও সংযোগস্থলে ফাটল, ক্ষয় কিংবা অন্য কোনো ত্রুটি রয়েছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ বা রেগুলেটর ব্যবহার না করে অনুমোদিত যন্ত্রাংশ দিয়ে পরিবর্তন করা উচিত। ৫. গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রান্না করার সময় তা অযত্নে ফেলে রাখা যাবে না। রান্নাঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। রান্না শেষে চুলার নব ও সিলিন্ডারের ভালভ বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে বা ঘুমাতে যাওয়ার সময় গ্যাসের সংযোগ বন্ধ আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। ৬. ঘরে গ্যাসের গন্ধ পেলে বৈদ্যুতিক বাতি, পাখা বা অন্য কোনো যন্ত্রের সুইচ চালু কিংবা বন্ধ করা যাবে না। এতে স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। নিরাপদ হলে সিলিন্ডারের ভালভ বন্ধ করে দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে এবং দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে। ৭. গ্যাস লিক করছে কি না, তা পরীক্ষা করতে কখনো দিয়াশলাই, লাইটার বা খোলা আগুন ব্যবহার করা যাবে না। সন্দেহ হলে নিজে মেরামতের চেষ্টা না করে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট জরুরি সেবার সহায়তা নিতে হবে। ৮. জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করতে হয়, পরিবারের সদস্যদের তা জানা থাকা প্রয়োজন। সিলিন্ডার ও চুলার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রও হাতের কাছে রাখা যেতে পারে। গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহারে এসব সতর্কতা মেনে চললে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তবে গ্যাস লিকেজের সন্দেহ হলে আগুন জ্বালানো বা বৈদ্যুতিক সুইচ ব্যবহার না করে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আরটিভি/এসআর
গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মানা খুবই জরুরি
লিংকডইনের সদস্যরা এবার একে অপরকে দিতে পারবেন টাকা
পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইনে এবার অর্থের বিনিময়ে পরামর্শ নেওয়া, কনটেন্টের দর্শক বিশ্লেষণ এবং ব্র্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
লিংকডইনের সদস্যরা এবার একে অপরকে দিতে পারবেন টাকা
আরও পড়ুন
ব্যাংকের নামে ফোন, কণ্ঠস্বর নকল করে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার ডলার
স্বপ্নের নারীকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, গিয়ে জানলেন প্রেমিকা এআই
এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা অপরাধ: মেহজাবীন
খুবিতে জলবায়ু সাংবাদিকতা ও এআইয়ের নৈতিক ব্যবহারবিষয়ক ফেলোশিপের সমাপনী