ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

মাইগভের ওয়েবসাইট বন্ধ, আটকে আছে ৪৪০ সরকারি সেবা

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি সেবার একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম মাইগভের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাপ্রত্যাশীরা। প্রায় ৪৪০টি সরকারি সেবা পাওয়া যায় এ প্ল্যাটফর্মে। ওয়েবসাইটটি বন্ধ থাকায় আবেদন, নথি জমা ও প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে মাইগভের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সাইটটি বন্ধ ছিল। ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করলে ‘ওয়েব সার্ভার ডাউন’ বার্তা দেখা যাচ্ছে। এদিকে, প্ল্যাটফর্মটির ফেসবুক পেজে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধনের অংশ হিসেবে ওয়েবসাইটের সংস্করণ ও একাধিক ডোমেইন হালনাগাদ করা হচ্ছে। কয়েক দফা পরীক্ষা শেষে মঙ্গলবারের মধ্যে সেবাটি চালু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় জরুরি নথি জমা ও সংগ্রহ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আবেদনকারীরা। কিন্তু ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, সাইবার নিরাপত্তার স্বার্থে ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে ত্রুটি সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা এবং আবেদনকারীদের সুবিধার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী সময়সীমা বাড়ানো জরুরি।

অ্যাসপায়ার টু ইনোভেশন (এটুআই) উদ্যোগের আওতায় পরিচালিত মাইগভ প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় হাজার মানুষ সেবা নিয়ে থাকেন। ই-অ্যাপোস্টিল, জমিসংক্রান্ত সেবা, বিভিন্ন সনদ, ট্রেড লাইসেন্স, অনুমতি ও অনুদানের জন্য আবেদনসহ নানা সরকারি সেবা পাওয়া যায় এখানে।

ওয়েবসাইটটি বন্ধ থাকায় এসব সেবা গ্রহণে সাময়িক বিঘ্ন তৈরি হয়েছে। দ্রুত সাইটটি সচল করে আবেদনকারীদের ভোগান্তি কমানোর প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘরে বসেই টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে, জেনে নিন নিয়ম
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ভিসার আবেদন কিংবা বিভিন্ন দাপ্তরিক প্রয়োজনে অনেকেই ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) বা টিন সার্টিফিকেট করেছেন। তবে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন না থাকলেও টিআইএন সক্রিয় থাকায় আয়কর রিটার্ন দাখিলসহ বিভিন্ন বিষয়ে জটিলতায় পড়তে পারেন করদাতারা। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে টিআইএন বাতিলের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হয়।  টিআইএন হলো করদাতার পরিচিতি শনাক্ত করার জন্য নির্ধারিত একটি অনন্য নম্বর। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আয়কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। তবে টিআইএন থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে। তাই শুধু টিআইএন ব্যবহার না করার কারণে সেটি বাতিল করা যাবে এমনটি নয়। বাতিলের জন্য নির্দিষ্ট কারণ ও শর্ত পূরণ করতে হয়। যেসব কারণে টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যায় ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে: কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে। একাধিক টিআইএন তৈরি হলে: একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে ভুলবশত একাধিক টিআইএন তৈরি হলে প্রয়োজনীয় একটি রেখে অন্যটি বাতিলের আবেদন করা যায়। টিআইএন রাখার প্রয়োজন না থাকলে: নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য টিআইএন নেওয়ার পর সেটির আর প্রয়োজন না থাকলে প্রযোজ্য শর্ত পূরণ করে বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে। আয় করযোগ্য সীমার নিচে নেমে গেলে: কোনো ব্যক্তির আয় কমে গেলে এবং আইন অনুযায়ী টিআইএন রাখার প্রয়োজন না থাকলে, পরিস্থিতি বিবেচনায় বাতিলের আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক: দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান এবং বাংলাদেশে করযোগ্য আয় না থাকার মতো পরিস্থিতিতে টিআইএন বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধান ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করা জরুরি। করদাতার মৃত্যু হলে: কোনো করদাতা মারা গেলে তার টিআইএন বাতিলের প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হয়। মৃত ব্যক্তির নামে ব্যবসা বা অন্য কোনো কার্যক্রম চালু থাকলে আলাদা বিষয় বিবেচনা করতে হবে। যেভাবে টিআইএন বাতিলের আবেদন করবেন টিআইএন বাতিলের আবেদন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে কি না এবং কোন পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর অফিস থেকে নিশ্চিত হওয়া উচিত। আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণত নিচের বিষয়গুলো প্রস্তুত রাখতে হয়-  ১. নিজের টিআইএন নম্বর ও ব্যক্তিগত পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য। ২. জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি। ৩. টিআইএন বাতিলের যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করে আবেদনপত্র। ৪. ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে থাকলে তার প্রমাণপত্র, যদি প্রযোজ্য হয়। ৫. সংশ্লিষ্ট কর অফিস চাইলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি। অনলাইনে আবেদন করতে হলে প্রথমে এনবিআরের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ই-সেবা ও নির্দেশনা যাচাই করতে হবে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দিষ্ট ব্যবস্থা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদন পর্যালোচনার সময় অতিরিক্ত কাগজপত্রও চাওয়া হতে পারে। এ ছাড়া অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল বা কর অফিসে যোগাযোগ করে আবেদন জমা দেওয়ার পদ্ধতি জেনে নেওয়া যেতে পারে। আবেদন জমা দিলেই টিআইএন বাতিল হয়ে যায় না, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। টিআইএন বাতিলের পর কী হবে? টিআইএন বাতিলের আবেদন অনুমোদিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বাতিলের আগে আগের কোনো আয়কর রিটার্ন, বকেয়া কর বা অন্যান্য আইনগত দায় থাকলে সেগুলো নিষ্পত্তির প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে শুধু রিটার্ন দাখিলের ঝামেলা এড়াতে তাড়াহুড়ো করে টিআইএন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। নিজের বর্তমান আয়, সম্পদ, ব্যবসা এবং ভবিষ্যতে টিআইএন প্রয়োজন হতে পারে কি না, তা বিবেচনা করা জরুরি। টিআইএন বাতিলের নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এনবিআরের সরকারি ওয়েবসাইট nbr.gov.bd অথবা সংশ্লিষ্ট কর অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে। প্রয়োজনে কর বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াও ভালো। আরটিভি/এসকে
ঘরে বসেই টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যেভাবে, জেনে নিন নিয়ম
হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে উদ্ধার করবেন যেভাবে
হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে ব্যক্তিগত কথোপকথন ও পরিচিত ব্যক্তিদের তথ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে। শুধু তা–ই নয়, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেউ আপনার পরিচয়ে বন্ধু, পরিবারের সদস্য ও পরিচিত ব্যক্তিদের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা পাঠাতে পারে। তবে চাইলেই নিজের ফোন নম্বর ব্যবহার করে হ্যাকড হওয়া হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করা যায়।
হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে উদ্ধার করবেন যেভাবে
এআই নিয়ে সর্তক করলেন বিল গেটস, আসছে বড় বিপর্যয়!
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত বিকাশ আগামী দুই দশকে অর্থনীতি ও সমাজে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। 
এআই নিয়ে সর্তক করলেন বিল গেটস, আসছে বড় বিপর্যয়!
১ নভেম্বর থেকে ফোন এলেই দেখা যাবে কলারের নাম-পরিচয়
অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন এলেই এবার জানা যাবে কলারের পরিচয়। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ভারতে চালু হতে যাচ্ছে নতুন কলার শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ‘কলিং নেম প্রেজেন্টেশন’ (সিএনএপি)।
১ নভেম্বর থেকে ফোন এলেই দেখা যাবে কলারের নাম-পরিচয়
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরকারের ‘বড় উদ্যোগ’ 
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াতে ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার ল্যাব স্থাপন, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি সাইবার অপরাধের মামলা তদন্তে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরকারের ‘বড় উদ্যোগ’