ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিড়ালপ্রেমীদের জন্য চমক, রাশিয়া থেকে স্ফিংক্স ও ব্রিটিশ শর্টহেয়ার আনল এমএমবিসি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কেউ শখ করে ডাকটিকিট জমায়, কেউ সংগ্রহ করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মুদ্রা। মুহাম্মদ রাজ ও মোহনের শখটা একটু ভিন্ন তাদের আগ্রহ বিশ্বের বিশেষ ও উন্নত ব্লাডলাইনের ক্যাটে। সেই ভালোবাসা থেকেই গড়ে উঠেছে মিয়াও মিয়াও ব্রিটিশ ক্যাটস এমএমবিসি।

মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত মুহাম্মদ রাজ এবং প্রাণীপ্রেমী মোহনের সংগ্রহে বর্তমানে বিশেষ আকর্ষণ রাশিয়া থেকে আনা স্ফিংক্স ও অরিজিনাল ব্লাডলাইনের ব্রিটিশ শর্টহেয়ার। গোলাকার মুখ, ঘন কোট ও শান্ত স্বভাবের জন্য ব্রিটিশ শর্টহেয়ার বিশ্বজুড়ে পরিচিত। অন্যদিকে প্রায় লোমহীন ব্যতিক্রমী অবয়ব, সামাজিক স্বভাব ও মানুষের সান্নিধ্য পছন্দ করার কারণে স্ফিংক্স সহজেই নজর কাড়ে।

তবে এমএমবিসির কাছে শুধু সৌন্দর্য বা ব্রিডের নাম নয়, গুরুত্ব পাচ্ছে ক্যাটের অরিজিনাল ব্লাডলাইন ও যাচাইযোগ্য পরিচয়। রাশিয়া থেকে আনা ক্যাটগুলোর পেডিগ্রি, হেলথ সার্টিফিকেট, ভ্যাকসিনেশন রেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা হয়েছে। তাদের শরীরের চামড়ার নিচে থাকা স্বতন্ত্র মাইক্রোচিপ স্ক্যান করে সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টের সঙ্গে পরিচয়ও যাচাই করা যায়।

এমএমবিসি মূলত শখের সংগ্রহ হলেও ভবিষ্যতে স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেওয়া কিটেন উপযুক্ত পরিবারের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে শুধু অর্থের বিনিময়ে যে কারও হাতে কিটেন তুলে দেওয়া হবে না। বিশেষ ব্রিডের খাবার, স্বাস্থ্য, নিরাপদ পরিবেশ ও নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে সক্ষম পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

নতুন পরিবারের কাছে যাওয়ার সময় কিটেনের হালনাগাদ হেলথ রিপোর্ট, প্রয়োজনীয় ব্লাড টেস্ট, ভ্যাকসিনেশন রেকর্ড এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পেডিগ্রিসহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রথম ছয় মাস ২৪/৭ প্রয়োজনীয় গাইডলাইন ও সাপোর্ট এবং পরবর্তী সময়েও পরামর্শ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এমএমবিসি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, উদ্যোগটির রয়েছে সংশ্লিষ্ট সরকারি নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন ও বিআইএনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অল্প সময়ের মধ্যে তাদের কার্যক্রম সাড়া ফেলেছে; ইউটিউবে অনুসারীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে।

মুহাম্মদ রাজ ও মোহনের কাছে প্রাণীপ্রেম শুধু শখ নয়, দায়িত্বও। ইসলামী শিক্ষাতেও প্রাণীর প্রতি সদয় আচরণ ও যথাযথ যত্নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই ক্যাট সংগ্রহের পাশাপাশি তাদের খাবার, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

রাশিয়ার স্ফিংক্স ও অরিজিনাল ব্রিটিশ শর্টহেয়ার দিয়ে শুরু হওয়া এমএমবিসির এই পথচলার লক্ষ্য শখ, বিশুদ্ধ ব্লাডলাইন, দায়িত্বশীল পরিচর্যা ও প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার সমন্বয়ে একটি বিশ্বস্ত ক্যাট প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন
মিষ্টি–গাজী নজরুলের আগে বিতর্কে জড়ানো এমপিদের শেষ পরিণতি যা হয়েছিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরুর পরে এ পর্যন্ত দুইজন সংসদ সদস্য ভিন্ন কারণে বিতর্কে জড়ালেন।
মিষ্টি–গাজী নজরুলের আগে বিতর্কে জড়ানো এমপিদের শেষ পরিণতি যা হয়েছিল
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালকের ৫১ কোটি টাকার আমানত, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক সুকুমার রায়। ২০১৭ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন সরকারের তৃতীয় গ্রেডের এই কর্মকর্তা। সরকারি হিসাব অনুসারে চাকরির শেষ সময়ে তার মাসিক বেতন-ভাতা মিলিয়ে ছিল প্রায় ৯০ হাজার টাকা। এই বেতনের চাকরি করে গড়েছেন সম্পদের এক মহা সাম্রাজ্য।  সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, জমি ও ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শুধু সোনালী ব্যাংকেই সুকুমার রায়ের নামে কমপক্ষে ৫১ কোটি টাকা আমানত রয়েছে। নিজের নামে রয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার টাকার সঞ্চয়পত্র। এছাড়া ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রামদিয়া মৌজায় তার নামে ২২০ শতাংশ ও ৩০ শতাংশ—দুটি জমির তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকার পল্টন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট এবং ফরিদপুর সদর এলাকায় আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। সুকুমার রায় খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক পদ থেকে ২০১৭ সালে অবসরে যান। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অবসরের পর তিনি এককালীন প্রায় ৮০ লাখ টাকা পেনশন পেয়েছেন। চাকরিজীবনে তার মোট বেতন-ভাতা ছিল প্রায় ১ কোটি টাকা।  অর্থাৎ চাকরিকালীন আয় ও পেনশন মিলিয়ে একজন তৃতীয় গ্রেডের কর্মকর্তার সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা আয় করতে পারেন। কিন্তু তার ব্যাংক হিসাবে কমপক্ষে ৫১ কোটি টাকা আমানত রেখেছেন বলে জানা গেছে এত টাকা ও জমি তিনি কোন প্রদীপের আলো আয় করেছেন তার কোনো সঠিক ব্যাখ্যা নেই। সুকুমার রায়ের আয়কর নথিতেও কোনো তথ্য নেই এসব সম্পদের। এসব অভিযোগের বিষয়ে দেশের বেসরকারি এক গণমাধ্যমকে সুকুমার জানিয়েছেন, ‘আমার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ আছে। তাতে আপনাদের কী? আপনি খুঁজে দেখেন আমার আরো অনেক সম্পদ রয়েছে।’ এরপর তিনি ফোন কেটে দেন। এদিকে সুকুমার রায়ের স্ত্রী বনশ্রী বোস নিজেকে একজন গৃহিণী হিসেবে নিজেকে দাবি করলেও তার নামে থাকা সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে রয়েছে ২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার আমানত। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকেও রয়েছে তার হিসাব যার নাম্বার ০১৯০৩১৫২৭৩-৮১১। এই হিসাবটি খুলতে তিনি নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন চাকুরিজীবী হিসেবে। কিন্তু কোথায় চাকরি করেন সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি। জানা গেছে, বনশ্রী বোসের নামে রয়েছে ৫৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র। এরমধ্যে ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র আমানত রয়েছে ৫ লাখ টাকার। এছাড়া পরিবার সঞ্চয়পত্র হিসেবে রয়েছে ৩০ লাখ টাকা। ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক আমানত হিসেবে আরো রয়েছে ১০ লাখ টাকা। বনশ্রী বোসের নামে রয়েছে ফরিদপুর সদরের শ্রীঅংগন দক্ষিণ পল্লী এলাকায় বাড়ি। এ ছাড়াও বনশ্রী বোসের সোনালী ব্যাংকের ৪টি অ্যাকাউন্টের তথ্য থেকে জানা গেছে, হিসাব নাম্বার ২০১১০৫০৫০০০৭৪০ এর বিপরীতে ২ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) হিসেবে রয়েছে। ২০১১০৫০৫০০০৮১৩ হিসাব নাম্বারের বিপরীতে রয়েছে আরো ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার এফডিআর। ২০১১০৫০৫০০০১৯১ হিসাব নাম্বারের বিপরীতে রয়েছে ১১ কোটি টাকা এবং ২০১১০৫০৫০০০২১৭ হিসাবে আছে আরো ১০ কোটি টাকার এফডিআর। এসব এফডিআর করার সময়ে দেখানো হয়েছে বাবার বাড়ি থেকে প্রাপ্ত সম্পদ এবং জমি বিক্রয়ের টাকা। কিন্তু বনশ্রী বোসের ট্যাক্স ফাইলে নেই এসব সম্পদের কোনো বিবরণ। সুকুমারের স্ত্রী ছাড়াও তার সুকুমার রায়ের বড় ছেলে সৌমেন রায়ের অ্যাকাউন্টেও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জানা গেছে, সৌমেন রায়ের অ্যাকাউন্টে ৪০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে তার মা বনশ্রী বোসের আইএফআইসি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে। ফলে খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক এই পরিচালকে বিপুল সম্পদের তথ্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যমের খবর প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক খোন্দকার ফরহাদ আহমেদ। আরটিভি/এসআর
খাদ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালকের ৫১ কোটি টাকার আমানত, বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি বহনকারী রুশ বিমানের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছে ঢাকাভিত্তিক পাকিস্তান হাইকমিশন।
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান