ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢামেক হাসপাতালের পাশেই পড়েছিল মরদেহ, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ফাইল ছবি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবন মসজিদের পাশ থেকে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী অজ্ঞাতপরিচয় একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আজিম বলেন, আজ সকালের দিকে খবর পেয়ে নতুন ভবনের নুর মসজিদের পাশে অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে পড়ে থাকতে দেখি। পরে কয়েকজন ট্রলিম্যানের সহায়তায় তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান ওই যুবক আর বেঁচে নেই।

আরও পড়ুন

এ ব্যাপারে শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে জরুরি বিভাগের মর্গ থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকদের জিজ্ঞেস করে ওই যুবকের নাম-পরিচয় জানতে পারিনি। তাই প্রযুক্তির সহায়তায় তার নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিক্রি করতে না পেরে শিশু বায়জিদকে রাস্তায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা
রাজধানীর রূপনগর থেকে অপহৃত ছয় বছরের শিশু বায়জিদকে ১৮ দিন পর জীবিত উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৪। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন এরশাদ নগরের দত্তপাড়ায় সম্মিলিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের বালক শাখা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এসআরবি-৪ জানায়, অপহরণের পর শিশুটিকে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় অপহরণকারীরা। পরে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায় তারা। স্থানীয় পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে গাজীপুরের একটি শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি করে। সেখানেই এতদিন অবস্থান করছিল বায়জিদ। এসআরবি-৪-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান জানান, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রূপনগর থানার দুয়ারীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে শিশু বায়জিদ অপহৃত হয়। বিষয়টি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিশুটিকে উদ্ধারে ছায়াতদন্ত শুরু করে এসআরবি-৪-এর একটি দল। তদন্তের শুরুতে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা যায়, অপহরণের পর শিশুটিকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে স্কয়ার নার্সিং হোম ক্লিনিকের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ওই ক্লিনিকের সিসিটিভি ফুটেজে লিপি ও নাসরিনকে শিশুটির হাত ধরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর তাদের গতিবিধির আর কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তদন্তে এসআরবি জানতে পারে, বায়জিদের বাবা রফিকুল ইসলামের পাশের বাসার ভাড়াটিয়া কুলসুমের মেয়ে নাসরিন কয়েক দিন ধরে ওই বাসায় অবস্থান করছিল। প্রাথমিক তদন্তে নাসরিনের একটি শিশু চুরি চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে লিপির সঙ্গে মিলে শিশুটিকে বিক্রির উদ্দেশ্যে গাজীপুরে নিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় কুলসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসআরবি জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও তদন্তের মাধ্যমে বায়জিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন এরশাদ নগরের দত্তপাড়ায় সম্মিলিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর বায়জিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নাসরিন ও লিপি তাকে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা করেছিল। তবে কোথাও তাকে বিক্রি করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তারা। পরে স্থানীয় থানা পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে দিয়ে যায়। শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বায়জিদের বাবা রিকশাচালক এবং মা বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে তার মা বায়জিদ ও তার বাবাকে বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে কাজে বেরিয়ে যান। পরে দুপুরে ঘুম থেকে উঠে বাবা দেখতে পান, বায়জিদ বাসায় নেই। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাকে না পেয়ে রূপনগর থানায় মামলা করেন তিনি। শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের মানসিক চিকিৎসক ইসমত আরা মিতা জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের বাসন থানা থেকে বায়জিদকে তাদের কেন্দ্রে দিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, আগের রাতে শিশুটিকে রাস্তা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের কাউকে না পাওয়ায় তাকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়। এদিকে বায়জিদকে উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-৪। আরটিভি/এসকে  
বিক্রি করতে না পেরে শিশু বায়জিদকে রাস্তায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা
জন্মের তিন দিনের মাথায় মা, এবার ডেঙ্গুতে বাবাকে হারাল আরফা
জন্মের মাত্র তিন দিনের মাথায় মাকে হারিয়েছিল আরিফিন ইসলাম আরফা। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তার বাবা তাজুল ইসলাম। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে মা-বাবার কোলশূন্য হয়ে এখন অথই সাগরে ৯ বছরের এই শিশুটি।
জন্মের তিন দিনের মাথায় মা, এবার ডেঙ্গুতে বাবাকে হারাল আরফা
মোহাম্মদপুরে তৈরি হতো শিশুদের ভেজাল ওষুধ, গ্রেপ্তার ৩
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় তৈরি করা হতো শিশুদের ওষুধসহ সংবেদনশীল নানা ধরনের ওষুধ। এসব ভেজাল ঔষধ তৈরীর সরঞ্জামসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তারা হলেন— আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মোহাম্মদ সাজু এবং সজীব। তারা আগে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পরবর্তীতে নিজেরা একটি কারখানা গড়ে তোলে। কারখানাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ নকল ওষুধ এবং ক্যাপসুল তৈরি, ক্যাপসুল ভরাট ও লেবেলিং করার আধুনিক যন্ত্রপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, ওষুধ প্রশাসনের দুজন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারি বিভাগ ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।  গত ৬ অক্টোবর ওয়ারি বিভাগের একটি দল মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যান এলাকার রোড নম্বর ১, বাড়ি নম্বর ২, ব্লক সি-এর একটি ভবনের তৃতীয় তলায় ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধ ও ওষুধ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে। এ সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।  সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শফিকুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের পক্ষে ভেজাল ওষুধ চেনা বেশ দুরূহ হলেও মোড়ক ও প্যাকেজিং দেখলে কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে। কিছু অনুমোদনহীন ওষুধ প্রতিবেশী দেশ (ভারত) থেকে আনা হচ্ছে, যা দেশের প্রচলিত ওষুধের তালিকায় নেই এবং নির্দিষ্ট কিছু চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রেসক্রাইব করিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। উদ্ধার করা ওষুধের তালিকা অনেক লম্বা, জানিয়ে তিনি জানান, এর মধ্যে কিছু আমদানি করা বিদেশি ওষুধও রয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণের জন্য ব্যবহৃত 'কিডোকেয়ার' (কিড ওমেগা) নামক নকল সিরাপও উদ্ধার করা হয়েছে।  যেসব নির্দিষ্ট ডাক্তার ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদনহীন ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন, তদন্ত সাপেক্ষে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে এবং ওষুধগুলো কোথায় কোথায় সরবরাহ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জেনেছে, তারা গত তিন থেকে সাড়ে তিন মাস ধরে বাসা ভাড়া নিয়ে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল এবং তাদের এই কার্যক্রম আপাতত ঢাকা শহরের ভেতরেই সীমাবদ্ধ আছে।
মোহাম্মদপুরে তৈরি হতো শিশুদের ভেজাল ওষুধ, গ্রেপ্তার ৩
২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৬৫
ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অভিযানে ৪৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে মামলা করা হয়েছে ৭৩টি।
২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৬৫
মেয়ের চাপে যশোর থেকে ঢাকায় হেরোইন আনছিলেন ৬৫ বছরের মা
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে একটি মোবাইল ও ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ ৬৫ বছর বয়সী এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ডিএনসির হিসাবে উদ্ধার করা হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় গোল চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, যশোর থেকে ঢাকাগামী ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ বাসে করে এক নারী হেরোইন নিয়ে ঢাকায় আসছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল ধোলাইপাড় গোল চত্বরে অবস্থান নেয়।  সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে বাসটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বাসের মাঝের আসনে বসা মাসুমা খাতুনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার কাছে হেরোইন থাকার বিষয়টি জানতে পারে অভিযানকারী দল। ডিএনসির নারী সদস্যদের সহায়তায় তল্লাশি চালিয়ে তার পরিহিত পোশাকের ভেতর থেকে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো একটি পলিব্যাগ উদ্ধার করা হয়। পলিব্যাগ খুলে ১০০ গ্রাম হেরোইন পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুমা খাতুন জানান, তিনি যশোর থেকে হেরোইনের চালানটি ঢাকায় নিয়ে আসছিলেন। তার দাবি, মাদক পরিবহনের জন্য তাকে বিভিন্নভাবে চাপ দিতেন তার মেয়ে তাহমিনা। মেয়ের নির্দেশেই এবারও তিনি হেরোইন নিয়ে ঢাকায় আসেন। ডিএনসির কর্মকর্তারা জানান, মাসুমার দেওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাহমিনার যাত্রাবাড়ী এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তার অবস্থান শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ডিএনসি বলছে, এ ঘটনায় শুধু বহনকারী হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া নারীকে ঘিরেই তদন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে না। মাদকের উৎস কোথায়, কার কাছ থেকে চালানটি সংগ্রহ করা হয়েছিল, ঢাকায় কার কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত- এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পরিবারের সদস্য বা অপেক্ষাকৃত বয়স্ক নারীকে ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তদন্তে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে ডিএনসি।  এ ঘটনায় গ্রেপ্তার মাসুমা খাতুনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ক্রমিক নং ৮(গ) অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্তে জব্দ করা মোবাইল ফোনের তথ্য, গ্রেপ্তার নারীর বক্তব্য এবং অন্যান্য গোয়েন্দা তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে হেরোইনের উৎস, সরবরাহকারী, গন্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট মাদক কারবারিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদ। আরটিভি/এসআর
মেয়ের চাপে যশোর থেকে ঢাকায় হেরোইন আনছিলেন ৬৫ বছরের মা
আরও পড়ুন
উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে মারধর, পরে মিলল মেয়ের মরদেহ
ঘরের আড়া থেকে যুবতীর মরদেহ উদ্ধার, স্বজনদের দাবি হত্যা
নিখোঁজের একদিন পর হলুদ ক্ষেতে মিলল ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ
ধানক্ষেতে মিলল গলাকাটা মরদেহ