ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মোহাম্মদপুরে কোনো ‘কিশোর গ্যাং’ সক্রিয় নেই, দাবি র‌্যাবের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
র‌্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান-ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে গডফাদার ও সন্ত্রাসী তৎপরতামুক্ত করতে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। বাহিনীটির দাবি, অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংগুলোকে নির্মূল করা হয়েছে। বর্তমানে মোহাম্মদপুরে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কাওরান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নয়মুল হাসান বলেন, আমরা গডফাদারদের গ্রেপ্তার করছি। আমরা খুব বেশি নিচের সারির সদস্য বা ছোটখাটো গ্রুপগুলোর দিকে হাত দিচ্ছি না। গডফাদারদের গ্রেপ্তার করার ফলে মোহাম্মদপুর আগের তুলনায় অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, আশা করি, অদূর ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর আরও নিরাপদ ও বসবাসের উপযোগী হবে। সবাই নিরাপদে মোহাম্মদপুরে বসবাস করতে পারবেন। মোহাম্মদপুরকে ‘সিটি অব গডস’ হিসেবে যে হাইপ তৈরি করা হয়েছে, সেটি মূলত একটি ধারণা। আমরা মোহাম্মদপুরকে সেই ধারণা থেকে বের করার চেষ্টা করছি। এরই মধ্যে অনেকটা সফল হয়েছি। নিকট ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর থেকে গ্যাং ও সন্ত্রাসী তৎপরতা পুরোপুরি নির্মূল করতে পারব বলে আশা করি।

অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, মোহাম্মদপুরকে বখাটে ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে যে অভিযান চলছে, একইভাবে পুরো সিটিকেই নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

অ্যালেক্স ইমনকে হত্যায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা মূলত তদন্তে সহায়তা করার জন্য গ্রেপ্তারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছি। গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা যখন আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন, তখন হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। যেহেতু আমরা সরাসরি তদন্ত করছি না, এ বিষয়ে থানা পুলিশই ভালো তথ্য দিতে পারবে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মোবাইল আসক্তি নিয়ে বকা, অভিমানে ঘর ছাড়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী
রাজধানীর কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় বাবা-মায়ের বকাঝকার পর অভিমান করে বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়া অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে তাকে পরিবারের জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মোবাইল আসক্তি নিয়ে বকা, অভিমানে ঘর ছাড়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী
মায়ের জন্য নতুন ঘরের স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় এসে লাশ হয়ে ফিরলেন মেহেদী
‘মা, এবার ঢাকা থেকে ফিরে তোমার জন্য নতুন ঘর করে দেব’ মাকে এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েই নির্মাণশ্রমিকের কাজে ঢাকায় এসেছিলেন ২৪ বছর বয়সী মেহেদী হাসান মিম। পরিবারের অভাব দূর করার পাশাপাশি জরাজীর্ণ ঘরটি সংস্কারের স্বপ্ন ছিল তার। তবে সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই রাজধানীর বারিধারায় প্রাইভেটকারের চাপায় প্রাণ হারিয়েছেন এই তরুণ।
মায়ের জন্য নতুন ঘরের স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় এসে লাশ হয়ে ফিরলেন মেহেদী
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল ও এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
গাড়ি চাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু / চালককে পুলিশে দিলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে আরেকজনকে
ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান (২৪)। দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার উঠে যায় সেই ফুটপাতে। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মেহেদী। দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটকও করেছিলেন উপস্থিত লোকজন।  পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিলেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় ওই কিশোরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।  মামলায় গাড়িটির চালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি কে চালাচ্ছিল এবং চালকের আসনে থাকা কিশোরকে আটক করার পরও কেন তাঁকে মামলায় আসামি করা হলো না। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মেহেদী হাসানের বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিকেলে ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন মেহেদী। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে তাঁকে চাপা দেয়। আশপাশের লোকজন ছুটে এসে গাড়ির নিচ থেকে মেহেদীর রক্তাক্ত দেহ বের করে আনেন।  পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকতাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম (২৮) বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলার ওই কিশোরের নাম উল্লেখ না করার বিষয়ে মোক্তাদীর ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। তার মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়িটির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটক করেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশও তাকে হেফাজতে নেয়। পুলিশের ভাষ্য, ক্ষুব্ধ জনতার হাতে যাতে ওই কিশোর ‘মবের শিকার’ না হয়, সে জন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে তার চাচার জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গুলশান থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোর ঢাকার গুলশান এলাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। তার বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ক্যাপ্টেন। আর দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি তার মায়ের নামে নিবন্ধিত। গাড়িটির চালকের আসনে কিশোরটি থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে দুর্ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজেও। সিসি ক্যামেরার ওই ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।  ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতে বসে থাকা মেহেদীকে চাপা দেওয়ার পর প্রাইভেট কারটি একটি সড়কবাতির পোস্টে লেগে থেমে যায়। এরপর গাড়ি থেকে দুই ব্যক্তি নেমে আসেন। গাড়ির ডান পাশ অর্থাৎ চালকের আসন থেকে কালো টি-শার্ট পরা কিশোরকে নামতে দেখা যায়। গাড়ির অপর পাশ থেকে নামেন শার্ট পরা মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি। আশপাশের লোকজন ছুটে এলে দুজনই গাড়ির পাশে অবস্থান নেন।  পরে কিশোরটিকে সেখান থেকে একদিকে সরে যেতে দেখা যায়। পরে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশে দেন ক্ষুব্ধ লোকজন। কিন্তু এ ঘটনায় করা মামলায় ওই কিশোরের নাম নেই। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গাড়িটির চালক আকাশ মারক (৪৪) বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মেহেদীকে চাপা দেন। এতে তাঁর মাথা, বুক ও পিঠে গুরুতর জখম হয় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ বলছে, আকাশ মারক ঘটনার পর থেকে পলাতক। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। ওই কিশোরের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এ বিষয়ে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘নিহত মেহেদীর বড় ভাই গাড়িটির চালক আকাশ মারকের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। ওই কিশোরের নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়নি। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। আরটিভি/এসআর  
চালককে পুলিশে দিলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে আরেকজনকে
চিকিৎসক সেজে রোগী ভাগানোর সময় নারী আটক
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে শারমিন আক্তার (৩৪) নামে এক নারীকে আটক করেছেন আনসার সদস্যরা। পরে তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. সাদেক হোসেন বাচ্চুর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় অভিযান চালায়। আনসার সদস্যরা ৩১৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় শারমিন আক্তারকে দেখতে পান। তার পরিচয় ও হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি প্রথমে নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেন। একপর্যায়ে তিনি জানান, তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন। আনসারের ভাষ্য, শারমিন চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় তিনি চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে আনসার সদস্যরা নজরদারি বাড়িয়ে তাকে আটক করেন। অভিযানে পিসি মো. সাদেক হোসেন বাচ্চু, এপিসি মো. শফিকুল ইসলাম ও আনসার মো. আকিদুল ইসলাম অংশ নেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শারমিনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। দালালি, প্রতারণা কিংবা রোগীদের বিভ্রান্ত করে অন্যত্র নেওয়ার মতো কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও তারা সতর্ক রয়েছেন। আরটিভি/এসআর
চিকিৎসক সেজে রোগী ভাগানোর সময় নারী আটক
আরও পড়ুন
মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার আত্মগোপনে থাকা সাবেক এমপি
দিনে তালা, রাতে ব্যবসা: আবাসিক ভবন থেকে ৩ লাখ সিগারেট জব্দ
মাদরাসাশিক্ষকের কাছে যেতে না চাওয়ার কারণ থেকে মিলল ‘ভয়ংকর সত্য’
এবার ঢাকায় মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ