ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

এবার ফিল্মি স্টাইলে মাদকের আস্তানায় ইশরাকের হানা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৮ পিএম
গেন্ডারিয়ায় রেললাইন সংলগ্ন মাদকের আস্তানায় অভিযানকালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

এবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় রেললাইন সংলগ্ন একটি মাদকের আস্তানায় ফিল্মি স্টাইলে হানা দিতে দেখা গেল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনকে। আকস্মিক এ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযানের সময় তার হাতে ছিল পিস্তল সদৃশ আগ্নেয়াস্ত্র। স্থানীয় সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন নিজেই তার ফেসবুক পেজে এই অভিযানের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি নিয়ে গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে একটি মাদকের আস্তানায় হানা দেন তিনি। এ সময় সেখানে থাকা কয়েকজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। ইশরাক তার কাছে থাকা পিস্তল দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন।

ভিডিওতে ইশরাক হোসেনকে তাদের থামতে নির্দেশ দিতে দেখা যায়। পরে কয়েকজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি ও সেবনের আসর বসে। এর আগে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও।

সম্প্রতি গেন্ডারিয়া এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও কিশোর গ্যাং দমনে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। ওই অভিযানে গেন্ডারিয়া থানা এলাকা থেকে ৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ।

এর আগে, ৬ অক্টোবরও গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন চিহ্নিত মাদকের আস্তানায় ইশরাক হোসেনের ঝটিকা অভিযানের খবর প্রকাশিত হয়। ওই অভিযানে মাদক কারবারে জড়িতদের ধরে পুলিশের কাছে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ইশরাক হোসেন এর আগে বলেছিলেন, মাদক বিক্রি ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার ভাষ্য, মাদক কারবার তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করছে।

শনিবারের অভিযানের ভিডিও প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবনের বিরুদ্ধে আরও নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পিস্তল নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানায়, যে ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় রেললাইনসংলগ্ন একটি মাদক আস্তানায় পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবী ও স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে পিস্তল হাতে যৌথ অভিযান চালানোর ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
পিস্তল নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানায়, যে ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক
‘দে লাড়া’ গ্রুপের নেতা পিচ্চি সানির পরিচয়
উত্তরার সবচেয়ে প্রভাবশালী গ্যাংয়ের নাম ‘দে লাড়া’ গ্রুপ (পিচ্চি সানি)। এদের দৌরাত্ম্য উত্তরা থেকে শুরু করে উত্তর ও দক্ষিণখান হয়ে টঙ্গী পর্যন্ত বিস্তৃত। গ্রুপের শীর্ষ নেতা সাকিবুল হাসান সানি ওরফে পিচ্চি সানি। উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টর থেকে টঙ্গী রেলস্টেশন পর্যন্ত দীর্ঘ রেলপথের দুপাশে রীতিমতো মাদকের হাট বসে। কোটি কোটি টাকার মাদক বেচাকেনা হয়। গাঁজা, ইয়াবা, আইস ও ফেনসিডিলসহ নানা ধরনের মাদক বিক্রি হয় প্রকাশ্যে। মাদকের এই পুরো সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে ‘দে লাড়া’ গ্রুপের পিচ্চি সানি। ‘লোকালে (স্থানীয়) এমন কেউ নাই যে সানিরে চিনে না। রায়হান নামের আরেক কিশোর গ্যাং নেতা তার ডান হাত হিসেবে পরিচিত। গত ৯ অক্টোবর একগুচ্ছ শর্ত মানার পর এই গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য যুগান্তর টিমের সঙ্গে আলাপে এসব তথ্য দিয়েছে। দীর্ঘ আলাপচারিতায় গ্রুপের শীর্ষ নেতা সাকিবুল হাসান সানি ওরফে পিচ্চি সানি সম্পর্কেও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। এদিন তাদের কথামতো বিকাল ৪টায় উত্তরখান ৮ নম্বর সেক্টর এলাকাসংলগ্ন একটি মাঠে যান যুগান্তর টিমের সদস্য। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর এক নেতাসহ ৪ জন কিশোর এসে হাজির হয়। নাম-পরিচয় গোপন, কোনো ধরনের রেকর্ড না করার বিষয়টি কঠোরভাবে মেনে চলার শর্ত প্রথমেই স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। উপস্থিত গ্রুপটির একজন সদস্য নিজের মোবাইল বের করে পিচ্চি সানির ফেসবুক পেজ খুলে বলে, দ্যাখেন- এখানে হ্যার সব পোলাপানের ছবি আছে। একটি ছবিতে নৌকা প্রতীক সংবলিত পরিচয়পত্র ঝুলিয়ে স্থানীয় কোনো ভোটকেন্দ্রের মাঠে সানিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তার সঙ্গে রয়েছে আরও বেশ কয়েকজন।  আরেকটি ছবিতে ছাত্র আন্দোলনের সময় উত্তরা এলাকার রাস্তায় লাঠিসোঁটা হাতে শোডাউন দিচ্ছে ‘দে লাড়া’ গ্রুপের সদস্যরা। এছাড়া ফেসবুকের কয়েকটি রিলসে গ্যাং সদস্যবেষ্টিত পিচ্চি সানিকে স্লো মোশনে হাঁটতে দেখা যায়। এ সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে কোনো হিন্দি সিনেমার ভিলেনের দুর্ধর্ষ সংলাপ। পিচ্চি সানি ছাত্রলীগ না ছাত্রদল এমন প্রশ্ন করা হলে তারা বলে, আগে তার উত্তর ছাত্রলীগের পদ ছিল। তবে ৫ আগস্টের পর থেকে সে নিজেকে সরকারি দলের নেতা হিসাবে পরিচয় দেয়। অবশ্য ছাত্রদল কিংবা অন্য কোনো সংগঠনে তার কোনো পদ-পদবি আছে কি না তা আমাদের জানা নেই। তবে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়া পাওয়ার পর রীতিমতো শোডাউন দিয়ে সে এলাকায় ঢুকেছে। আরটিভি/এসআর
‘দে লাড়া’ গ্রুপের নেতা পিচ্চি সানির পরিচয়
ঢাকায় পুলিশ বক্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
রাজধানীর শান্তিনগর পুলিশ বক্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ঢাকায় পুলিশ বক্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে ভোগান্তি কমাতে নতুন ব্যবস্থা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।  বিমানবন্দরের আটটি লাগেজ বেল্ট এলাকায় ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা ও ৬৫ ইঞ্চি আকারের ১৮টি মনিটর স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো থেকে শুরু করে বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপের কার্যক্রম সরাসরি দেখতে পারবেন যাত্রীরা। নতুন ব্যবস্থায় স্থাপিত মনিটরে লাগেজ নামানো, নির্ধারিত স্থানে পরিবহন, বাছাই এবং লাগেজ বেল্টে পৌঁছানোর দৃশ্য সরাসরি (লাইভ) দেখানো হবে। ফলে লাগেজ সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করার সময় সেটির গতিবিধি সম্পর্কে ধারণা পাবেন যাত্রীরা। বেবিচকের এ উদ্যোগের লক্ষ্য লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ করা। একই সঙ্গে লাগেজ পরিবহনের বিভিন্ন ধাপ যাত্রীদের সামনে দৃশ্যমান হওয়ায় এ কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের অনিশ্চয়তা কমবে। বিশেষ করে প্রবাসীসহ দেশি-বিদেশি যাত্রীরা যাতে ভ্রমণ শেষে নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে নিজেদের লাগেজ সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেবিচক জানিয়েছে, যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব সেবার সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে। দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সেবার মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে ভোগান্তি কমাতে নতুন ব্যবস্থা
সরকারি কোয়ার্টারে সাবলেট কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর
সরকারি কোয়ার্টারে সাবলেট দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার আকস্মিক পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে কথা বলেন।  পরিদর্শনকালে সরকারি কোয়ার্টারে সাবলেট দেওয়ার তথ্য শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাবলেট দেওয়া কি বৈধ? যদি তা বৈধ না হয়ে থাকে, তাহলে কীভাবে এসব চলছে? আমি দেখি কি করতে পারি। তবে কোয়ার্টারের সার্বিক পরিবেশের উন্নয়নে বাসিন্দাদেরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।  এ ছাড়াও কোয়ার্টারের এলাকা, চলাচলের পথ ও সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। এ সময় পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এর কারণ জানতে চান তিনি। কোয়ার্টারের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।  আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কোয়ার্টারের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। এ সময় কোয়ার্টারের বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে এলাকার অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। আবাসিক এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান তারা। প্রধানমন্ত্রী বাসিন্দাদের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন। পরিদর্শনের একপর্যায়ে কোয়ার্টারে বসবাসরত শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ও করেন তারেক রহমান। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
সরকারি কোয়ার্টারে সাবলেট কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর
আরও পড়ুন
পিস্তল নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানায়, যে ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক
প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানে ক্ষুব্ধ ইসলামী আন্দোলনের নেতা
বারেক ব্যাপারীর বাদ্যযন্ত্রে তল্লাশি, লুকানো ছিল বিদেশি পিস্তল
সীমান্তে পিস্তল-গুলি ও মাদক উদ্ধার করেছে এসআরবি