
ঘন কুয়াশার কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে সকল নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে সকল নৌযান বন্ধ করা হয়। এসময় মাঝ পদ্মায় দুই শতাধিক যানবাহন নিয়ে আটক পড়েছে চারটি ফেরি।
এদিকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পারাপারের অপেক্ষায় মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে প্রায় তিন শতাধিক যানবাহন আটকা রয়েছে। ফলে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দীন পাটোয়ারী শুক্রবার সকালে জানান, সন্ধ্যার পর থেকে কুয়াশার পরিমাণ বাড়তে থাকে। পরে রাত ১২টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। এসময় চারটি ফেরি মাঝ নদীতে আটকা পড়েছে।
কুয়াশার ঘনত্ব কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে বলেও জানান বিআইডব্লিউটিসির এই কর্মকর্তা।
এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে পদ্মা অববাহিকায় কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চল থেকে নদী পার হতে আসা যানবাহন ও যাত্রীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। এর ওপর নদী এলাকায় শীতের তীব্রতা একটু বেশি।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. খোরশেদ আলম জানান, সন্ধ্যার পর নদীতে ঘন কুয়াশা পড়তে থাকে। তাই নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে রাত পৌনে ১১টার দিকে এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। কুয়াশার ঘনত্ব কমে গেলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হবে।
জেবি/পি




