
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচনমুখী। একটি সঠিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য মানুষ অপেক্ষা করছে। আপনারা যদি নির্বাচনে অংশ না-ও নেন, তাতে কিছু আসে যায় না। নির্বাচন ইনশাআল্লাহ হবেই। আপনারা না এলে সরাসরি হারবেন না, তবে হারানোর পর্যায়ে চলে যাবেন।
শনিবার (৩০ আগস্ট) নেত্রকোণার ঐতিহাসিক মোক্তারপাড়া মাঠে জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, আজ যখন নির্বাচনের তারিখ ও রোডম্যাপ ঘোষণা হয়েছে, তখন কিছু মানুষ অজুহাত দাঁড় করিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার বা না করার চেষ্টা করছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, যারা এ ধরনের কুকর্মে লিপ্ত হচ্ছেন, বাংলাদেশের জনগণ তা মানবে না।
তিনি সরকারকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
নিজের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে বাবর বলেন, আমাকে বলা হয় আমি নির্যাতিত। এটা সত্য, তবে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবার সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত। তিনি বিনা কারণে আট বছর কারাভোগ করেছেন। তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। বড় ছেলে তারেক রহমান প্রায় ১৮ বছর ধরে নির্বাসনে আছেন। নেত্রীকে তার নিজের বাড়ি থেকেও উচ্ছেদ করা হয়েছিল। এর চেয়ে নির্যাতিত আর কেউ কি আছে?
জেলা সম্মেলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপনারা এমন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন যিনি ত্যাগী, পরিশ্রমী, নিবেদিত প্রাণ এবং দলের জন্য পরীক্ষিত কর্মী। ভবিষ্যতে যিনি দলের জন্য কাজ করবেন।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। প্রধান বক্তা ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল আলম।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নেত্রকোণা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক এবং সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ আলমগীর, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল ফারুক, আরিফা জেসমিন নাহিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ওয়ারেস আলী মামুন, সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এটিএম আব্দুল বারী ড্যানি, অ্যাডভোকেট খোরশেদ মিয়া আলম, অধ্যক্ষ রাবেয়া আলী প্রমুখ।
আরটিভি/এমকে




