
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় মাটি খুঁড়তে হঠাৎ ড্রেজার মেশিনে মাটির হাঁড়ি জাতীয় কিছু উঠে আসে। ভেতরে পাওয়া যায় পয়সা। পুলিশ-প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নিয়ে আসা হয় যন্ত্র। এ খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমায়।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে দোকান নির্মাণের জন্য মাটি খুঁড়ছিলেন উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে শহিদুল ইসলাম। সেখানে পাওয়া যায় ১৮৬৫ থেকে শুরু করে ১৯০২, ১৯০৮ সাল অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলের রুপার মুদ্রা। সংখ্যা ১ হাজার ৮৭৬টি। ওজন ২১ কেজি ৯০০ গ্রাম বলে জানিয়েছে পুলিশ।
_20250920_180528773.jpg)
স্থানীয় স্বর্ণকাররা বলেছেন, রুপা হিসেবে এর এক একটি মুদ্রার দাম ১৫শ থেকে ১ হাজার ৮শ টাকা। এটি হয়তো প্রচলিত মূল্য কিন্তু ঐতিহাসিক দিক বিবেচনা করলে উদ্ধার হওয়া প্রাচীন মুদ্রার বর্তমান মূল্য আরও কয়েক গুণ বেশি।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকাল থেকে কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের মৃত দিলু মণ্ডলের ছেলে সহিদুল ইসলাম বাজারের সাইকেল হাটসংলগ্ন স্থানে তার নিজের জমিতে দোকান নির্মাণের জন্য ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি কাটছিল। মাটি কাটার একপর্যায়ে সকাল ৯টার দিকে ড্রেজার মেশিনে একটি মাটির হাঁড়ি উঠে আসে। তখন তারা পুলিশকে খবর দেয়। থানা পুলিশ কলসটি জব্দ করে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সামনে খুলে ওজন করে। যার ওজন প্রায় ২১ কেজি ৯০০ গ্রাম।

এ বিষয়ে সহিদুল ইসলামের ছেলে মেহেদি হাসান মানিক বলেন, আমরা দোকান নির্মাণের জন্য ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি কাটাচ্ছিলাম। এ সময় প্রায় ৪ ফুট গভীর থেকে মেশিনের সঙ্গে একটি পিতলের কলস উঠে আসে। ওই কলসে কয়েন দেখতে পেয়ে আমরা কার্পাসডাঙ্গা স্থানীয় ফাঁড়ি পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কলসটি উদ্ধার করে।
দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন, ব্রিটিশ আমলের রুপার মুদ্রাগুলো উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মুদ্রাগুলো সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
আরটিভি/এমএ




