
একসময় সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সীমিত কিছু মানুষের শখের বাজি এখন রূপ নিয়েছে ভয়ংকর নেশায়। ছড়িয়ে পড়েছে তরুণ প্রজন্মের হাতে হাতে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতবদল হচ্ছে এই অবৈধ অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে। সিলেট নগরীর এই অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও বসে নেই। মহানগর জুড়ে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে পুলিশের তৎপরতা বেড়েছে বহুগুণে। ‘সিলেটে যেখানে আসর, সেখানে পুলিশ’- এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এখন। সর্বশেষ অভিযানে আটক হয়েছেন ১৫ জন।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— সিলেট নগরের কোতোয়ালি থানাধীন মোকাদ্দেস আলীর ছেলে রাজু আহমদ (২৮), ছড়ারপাড়ের মো. আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইদ্দিস আলী (৩৫), কদমতলীর উমেশ করের ছেলে পুলিন কর (৫২), বরইকান্দির জয়নাল আবেদিনের ছেলে মো. মিজান আলী (২৭), দক্ষিণ সুরমার মানিক মিয়ার ছেলে বাদল (৩৫), আব্দুছ ছালামের ছেলে বদরুল ইসলাম (৪২), আতিয়ারের ছেলে লাবলু হোসেন (৩০), হাসান আলী শিকদারের ছেলে আব্বাস উদ্দিন (২৫), মেন্দিবাগের আব্দুল খালেকের ছেলে মোস্তাক আহমেদ (৪০), মহব্বত আলীর ছেলে মো. আল-ইসলাম (৩১), আব্দুল মোতালিবের ছেলে সেজু রহমান (৪০), মুকন্দ দাসের ছেলে মুকুল দাস (৪৪), জাকির হোসেনের ছেলে লিয়াকত আহমেদ (১৮), শহীদ মিয়ার ছেলে মিজান আহমেদ (২৮) ও মো. ইসরাফিলের ছেলে রবি আউয়াল (২০)।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কোতোয়ালি মডেল থানাধীন চালিবন্দর সাকিনস্থ সবজি বাজারের পেছনে অভিযান পরিচালনা করে নাসিম মিয়ার মালিকানাধীন দোকানের ভেতর অনলাইনে জুয়া খেলার সময় ১৫ জন জুয়াড়িকে আটক করা হয়।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আরটিভি/একে




