
গাজীপুরের শ্রীপুরে জাসাস নেতা ফরিদ সরকারকে (৪১) মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেছেন বিএনপি।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শ্রীপুর পৌর শহরে উপজেলা বিএনপি বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।
নিহত ফরিদ সরকার গোসিংগা ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামের জামাল উদ্দিন সরকারের ছেলে। সে গোসিংগা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং লতিফপুর গামের কে বি এম ব্রিক্স (ইট খলায়) মাটি সরবরাহ করতো।
গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর-সদরের একাংশ) সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন।
মিছিলে অংশগ্রহণ করেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালেব, সদস্য সচিব খায়রুল কবির মণ্ডল আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তারুল আলম মাষ্টার, শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহবায়ক হুমায়ুন কবির সরকার, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোসলেম উদ্দিন মৃধা, গাজীপুর জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব আনোয়ার হেওসেন বেপারী, শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বিল্লাল হোসেন, খোকন প্রধানসহ দলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা। পরে রেলওয়ে ময়দানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
এর আগে, বিকেলে নিহত ফরিদ সরকারের বাড়িতে জানাজায় অংশ নেন নেতাকর্মীরা। সেখানে বিএনপি নেতাকর্মীরা ফরিদের পারবিরের সদস্যদেরকে এ হত্যার বিচারের আশ্বাস দেয় এবং শোক প্রকাশ করে।
প্রসঙ্গত, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোর চারটার দিকে তাকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে শ্রীপুর উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের কে বি এম ব্রিক্স (ইট খলায়) কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
আরটিভি/এএএ




