ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ভালোবেসে বাংলাদেশিকে বিয়ে করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণী

মাদারীপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২২ পিএম
ছবি: আরটিভি

ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় সাত বছর আগে বাড়ি ছেড়ে প্রবাসে যান সজিব বেপারী। সেখানে পরিচয় হয় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মাহেরা দত্তএ নামে এক তরুণীর সঙ্গে। গড়ে ওঠে সখ্যতা ও প্রেম। এরপর সেই সম্পর্ক গড়ায় বিয়েতে। মাহেরার কোলজুড়ে আসে কন্যাসন্তান।

দীর্ঘ সাত বছর পর শ্বশুরবাড়ি দেখতে স্বামী সজিবের সঙ্গে সন্তান নিয়ে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন মাহেরা। এ নিয়ে এলাকায় পড়েছে হইচই। নিজ বাড়িতে সজীব ও মাহেরার বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান করে পরিবার। গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে বৌভাত—ছিল সব আয়োজন। এই আনন্দঘন পরিবেশ দেখে মুগ্ধ আফ্রিকান এই তরুণী।

41

বিদেশি বৌ দেখতে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার কাজীবাকাই ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাউতলী গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য মিন্টু বেপারীর বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন এলাকার উৎসুক মানুষ। সজিব ওই গ্রামের মিন্টু বেপারী ও লিপি বেগম দম্পতির বড় ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাত বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান সজিব বেপারী। কেপটাউন সিটির আলেকজান্ডার এলাকায় সুপারশপের ব্যবসা শুরু করেন এই বাংলাদেশি যুবক। চার বছর আগে পরিচয় সেখানকার তরুণী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মাহেরা দত্তএর সঙ্গে। পরে দুইজনের মধ্যে গড়ে ওঠে সখ্যতা। এরপর প্রেম গড়ায় বিয়েতে। ২০২৩ সালের ১৮ জুন দুজনে পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেন।

সজীব বেপারী চলতি মাসের শেষে তার স্ত্রীকে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফেরার কথা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, নেপাল ও ইতালির পর এবার দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণী ভালোবেসে বিয়ে করেছে বাংলাদেশিকে। যা নিয়ে পাড়ামহল্লায় পড়েছে হইচই।

2

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক ইঞ্জিনিয়ার মাহেরা দত্তএ বলেন, সজীব খুবই ভালো ছেলে। ওর সঙ্গে কথা বলে আমার বেশ আনন্দ হতো। এরপর প্রেমে পড়ে যাই। পরিবার অনুমতি দিলে দুজনের বিয়ে হয়। আমার সংসার আলোকিত করতে কন্যা সন্তান আসে। এ ছাড়া, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষই আন্তরিক ও ভালো মনের।

প্রবাসী সজীব বেপারী আরটিভিকে বলেন, বিদেশে থাকার সুবাধে বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে প্রেম হয়। ভালোলাগা থেকেই তৈরি হয়েছে এমন পরিস্থিতি। মাহেরার বাবা ফ্রান্সপ্রবাসী, আর একটি রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার। সবকিছু মিলিয়ে বিয়ে এবং অনুষ্ঠান খুবই আনন্দে কেটেছে।

4444

সজীবের মা লিপি বেগম বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম পুত্রবধূ কেমন হয়! কিন্তু বাড়িতে আসার পর সেই ধারণা পাল্টে গেছে। অল্প অল্প বাংলা বুঝে, ইশারায় বাকিটা বুঝে নেয় সে। আমাদের সঙ্গে ভালোই আনন্দে আছে।

সজীবের বাবা মিন্টু বেপারী বলেন, পুত্র ও পুত্রবধূর জন্য সবাই দোয়া করবেন। ওরা যেন সারাজীবন ভালো থাকতে পারে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিজ দেশ জিম্বাবুয়েতে ফিরেও কাটছে না দুর্ভোগ 
গেইলের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস গড়লেন প্রিটোরিয়াস
দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক দুই বন্দুক হামলায় নিহত ২৭
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১১