ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সিসা কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপন্ন পরিবেশ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

জিয়াউর রহমান, সাভার প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২৮ পিএম

সিসা তৈরির কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের আশপাশের পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এতে নষ্ট হচ্ছে ফসল ও বনজ গাছপালা। ক্ষতিকর ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বারবার অনুরোধ জানানো হলেও কারখানাটি বন্ধ করা হয়নি। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরকে বিষয়টি জানানোর পর শিগগিরই অভিযান পরিচালনার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

কোনো পোকামাকড়ের আক্রমণ বা পুষ্টির অভাবে নয়-কারখানা থেকে ভেসে আসা ক্ষতিকর ধোঁয়ায় ঝলসে গেছে সবজির পাতা। এতে কয়েক একর জমির শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, করলা, ধনেপাতা, লাউসহ বিভিন্ন শীতকালীন শাকসবজি নষ্ট হয়ে গেছে। মারা যাচ্ছে বড় বড় গাছও।

আরও পড়ুন

স্থানীয়দের অভিযোগ, দেড় বছর আগে সাভারের তেঁতুলঝোড়ায় ফসলি জমির পাশে কোনো অনুমোদন ছাড়াই কারখানাটি স্থাপন করা হয়। সেখানে পুরোনো ব্যাটারির প্লেট পুড়িয়ে সিসা উৎপাদন করা হচ্ছে। ব্যাটারি পোড়ানোর সময় নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া বাতাসে ছড়িয়ে একের পর এক ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। একই সঙ্গে শ্বাসকষ্টসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন এলাকাবাসী।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা আবেদন করলে সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন সাভার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা যদি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেন, তাহলে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুযোগ থাকলে তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, সাভারে একাধিক শিসা ফ্যাক্টরি ও ব্যাটারি থেকে সিসা গলিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ায় সিসা উৎপাদন করা হচ্ছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তথ্য নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে বিষয়টি পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হয়েছে।

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এসব কারখানা তৈরি বন্ধে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কঠোর নজরদারি দরকার বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা।

আরটিভি/এএএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
সাভারে গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালে আগুন
আশুলিয়ায় তুলার গোডাউনে আগুন
তরুণীর চিৎকার শুনে জ্বলে উঠল টর্চ, বৃথা গেল আমিনুলের চেষ্টা
সাভারে এসআই আলতাফ হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৮