ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

অমিতের প্রচারণায় জামায়াত কর্মীর আবেগঘন বার্তা, জানালেন সমর্থন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
যশোর-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নির্বাচনি প্রচারণা। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে একটি পথসভায় অভূতপূর্ব ও আবেগঘন এক পরিস্থিতির সাক্ষী হলেন উপস্থিত জনতা।

দীর্ঘদিন জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে যুক্ত এক ব্যক্তি পথসভায় উপস্থিত হয়ে মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখলেন। শুধু তাই নয়, তিনি অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইলেন উপস্থিত সকলের কাছে।

আরও পড়ুন

রোববার (২৫ জানুয়ারি) নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাটবিলায় অভূতপূর্ব এই ঘটনাটি ঘটে। সেখানে যশোর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের পক্ষে আয়োজিত পথসভায় উপস্থিত হন জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে যুক্ত আনসার আলী নামে এক ব্যক্তি। অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের আগমনের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। এক পর্যায়ে মঞ্চে উঠে প্রার্থীর সমর্থনে বক্তব্য দেন।

একজন ভিন্ন রাজনীতি ও আদর্শের মানুষের এই অকুণ্ঠ সমর্থন উপস্থিত সবাইকে অবাক করলে অমিত নিজেই এর পেছনের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন।

আবেগজড়িত কণ্ঠে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন যে, তাদের এই সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল কারাগারের এক অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। জেলে বন্দি থাকাকালীন কঠিন দিনগুলোতে তারা পাশাপাশি ছিলেন।

সেই দুঃসময়ে অমিত এবং তার সাথে গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীরা যেভাবে আনসার আলীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং তার খোঁজখবর নিয়েছিলেন; সেই কৃতজ্ঞতার জায়গা থেকে তিনি অমিতের নির্বাচনি সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তার পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রসঙ্গক্রমে বলেন, বিপদেই মানুষের প্রকৃত পরিচয়।

তিনি আরও বলেন, জেলখানায় আনসার আলীর সাথে জামায়াতের কোনো প্রার্থীর দেখা হয়নি। সেই বাস্তবতার আলোকেই মূলত বিশ্বাসের জায়গা থেকে তিনি আজ ধানের শীষের মঞ্চে উঠে এসেছেন।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ইয়াবাসহ জামায়াত কর্মী গ্রেপ্তার
শিশুকে যৌন নিপীড়ন, জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাত
তারেক রহমানের কাজে ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের সমর্থন 
চট্টগ্রামে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা