ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

উপরওয়ালা এখন আমি, কিছু হলেই আমাকে জানাবেন : আমির হামজা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা বলেছেন, উপরওয়ালা কুষ্টিয়ায় কেউ নেই। উপরওয়ালা এখন আমি। সুতরাং কিছু হলেই আমাকে জানাবেন। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালকে (কুমেক) পূর্ণাঙ্গভাবে পুনরায় চালুর লক্ষ্যে অগ্রগতির কথা জানিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল আমাদের আবেগের জায়গা। ইতোমধ্যে কয়েকটি বিভাগ চালু রয়েছে। পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর বিষয়ে আজকের সভায় একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই মেডিকেল নিয়ে একটি সুখবর পাওয়া যাবে।

এমপি আমির হামজা জানান, কুষ্টিয়া জেলা ও আশপাশের জেলার মানুষের সেবার কথা মাথায় রেখে কাজ চলছে। সাতটি বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে এর মধ্যে দুটি বিষয়ে আজ সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন।

তিনি আরও বলেন, প্রথম ১০০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারি অফিস-আদালতগুলোকে জনবান্ধব করার চেষ্টা চলছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিস ও থানায় সাধারণ মানুষ যেন ভয় না পায় সেই পরিবেশ তৈরি করাই লক্ষ্য।

ডিসি অফিসের সেবার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে জেলা প্রশাসকের কাছে যেতে জটিলতা ছিল। এখন সেই ব্যবস্থা অনেকটাই বদলেছে। সকাল ১০টা থেকেই সেবা শুরু হয় এবং সক্ষমতা অনুযায়ী তা অব্যাহত থাকে।

হাসপাতাল নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে এমপি বলেন, মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতাল নিয়ে কিছু লিখিত অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। সেগুলো সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে সময় বেঁধে দিয়েছেন। ভুল স্বীকার করে কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে। দালালচক্র, স্পিড মানি ও কালো হাতের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এত ক্ষমতা নিয়ে কে কুষ্টিয়ায় চলে আমি দেখব।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে চাপ ও ‘ঢিলা করার’ প্রস্তাব এলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। জনগণের স্বার্থে নেওয়া শপথের বাইরে যাওয়া হবে না। অতীতের ভুল নিয়ে নয়, সামনে কী করা হবে সেটাই জনগণকে দেখানো হবে, ইনশাআল্লাহ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ডা. শহিদুল ইসলাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
শপথের পর এক টাকাও দুর্নীতি করিনি: আমির হামজা
নুরের পুরোনো পোস্ট শেয়ার করলেন আমির হামজা
কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ
আগামী ৫ বছর কুষ্টিয়া সদর আসনে আমিই প্রধানমন্ত্রী: আমির হামজা