ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

ফ্যামিলি কার্ড প্রদানে সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয়, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রংপুরের মিঠাপুকুরে ওই ঘটনার সময় হাতেনাতে দুই প্রতারককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে তাদের দুজনকে ডাবরাপাড়া গ্রামে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, মনোরঞ্জন এবং শরিফুল ইসলাম। তারা মিঠাপুকুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে আটককৃত ব্যক্তিরা দুর্গাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে নিজেদের সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। তারা দরিদ্র পরিবারগুলোকে স্বল্পমূল্যে পণ্য পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কার্ড প্রতি নির্দিষ্ট অংকের টাকা দাবি করেন।

ঘটনার দিন শুক্রবার বিকেলে ডাবরাপাড়া গ্রামে গিয়ে টাকা সংগ্রহ শুরু করলে তাদের আচরণে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। গ্রামবাসী তাদের পরিচয়পত্র এবং কার্ড দেওয়ার বৈধতা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তারা অসংলগ্ন কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের ঘেরাও করে আটক করে।

ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বলেন, ওরা এসে বলেছিল, ৫০০ টাকা দিলেই ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া যাবে। আমরা সরল বিশ্বাসে টাকা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওদের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আমরা পাড়ার সবাইকে ডেকে ধরি।

আরেক ভুক্তভোগী আজমল হোসেন বলেন, আমার কাছে এসে তারা সরকারের প্রতিনিধি দাবি করেন। তারা আমার কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ১০০০ টাকা দাবি করেন। কার্ডের ফরমও দেখিয়েছিলেন, কিন্তু ফরমে কোনো সরকারি সিল বা স্বাক্ষর না থাকায় আমার সন্দেহ হয়। এরপর গ্রামের অন্যদের জানালে আসল রহস্য বেরিয়ে আসে।

ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের কিছুক্ষণ আটকে রাখে। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। মিঠাপুকুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে দুই প্রতারককে উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান বলেন, আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার কথা স্বীকার করেছে। এলাকাবাসীর অনুরোধে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি বলেও জানান তিনি।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাবেক শিবিরনেতাকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
রাজনৈতিক সহিংসতায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে আসা ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা সাব্বির প্রামাণিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।  জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের কাছে বারবার সহায়তা চেয়েও সাড়া না পাওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশের পর এ উদ্যোগ নেন তিনি। বগুড়ার বাসিন্দা সাব্বিরকে একটি প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুষ্টি চালের মিল, সিমেন্টের ইট তৈরির কারখানা ও মাছের খামারের তদারকি এবং হিসাব ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছেন। সম্মানজনক বেতনে চাকরি পেয়ে তার পরিবারে স্বস্তি ফিরেছে। সাব্বির জানান, চাকরির জন্য তিনি একাধিকবার জামায়াত নেতাদের দ্বারস্থ হলেও আশ্বাস ছাড়া কোনো সহায়তা পাননি। পরে তার দুর্দশার খবর জানতে পেরে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতায় হামলার শিকার হন সাব্বির। ওই ঘটনায় শিবিরনেতা আবু রুহানী নিহত হন। সাব্বিরের দাবি, গুরুতর আহত অবস্থায় তার শরীরে একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয় এবং ৬৪টি সেলাই দেওয়া হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর বেঁচে ফিরলেও শারীরিক জটিলতায় স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরতে পারেননি তিনি। জীবিকার প্রয়োজনে অটোরিকশা চালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখে চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানে সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেন সাব্বির। অবশেষে নতুন চাকরি পাওয়ায় সাব্বির ও তার পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন তিনি। আরটিভি/এসআর  
সাবেক শিবিরনেতাকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
শুক্রবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও দেশের প্রবীণ আলেমে দ্বীন আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর দোয়া নিতে এবং তার সভাপতিত্বে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার (৫ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে যাচ্ছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিমানযোগে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সড়কপথে তিনি ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে তিনি হেফাজত আমিরের দোয়া গ্রহণের পাশাপাশি মহাসম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। মাদরাসার ১০৪তম দুই দিনব্যাপী বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে আয়োজক ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনের দুই দিনই উপস্থিত থাকছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও বাবুনগর মাদরাসার প্রধান পরিচালক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাতি মাওলানা রহমত উল্লাহ বাবুনগরী। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বাবুনগর মাদরাসার মহাসম্মেলনে অংশ নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন শুক্রবার ফটিকছড়িতে আসবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাদরাসার সম্মেলনে অংশগ্রহণ ছাড়া অন্য কোনো কর্মসূচি নেই। তিনি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সড়কপথে বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছাবেন। সেখানে জুমার নামাজ আদায় শেষে মহাসম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। মন্ত্রীদের আগমন উপলক্ষে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এদিকে, মহাসম্মেলনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর এবং চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীসহ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও দেশবরেণ্য আলেম-ওলামাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার বাদ ফজর মাদরাসা প্রাঙ্গণে শুরু হয় দুই দিনব্যাপী এ মহাসম্মেলন। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও জামিয়া বাবুনগরের প্রধান পরিচালক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশিষ্ট ওলামা-মাশায়েখ, ইসলামী চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা অংশ নিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
শুক্রবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
‘শেষ রক্ষা হলো না' নিজ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বিয়ে করা সেই শিক্ষকের
পাবনার ঈশ্বরদীতে নিজ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ও পরবর্তী সময়ে বিয়ের ঘটনায় শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মুসাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তসলিম আরিফ তুষার। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা আয়েশা আক্তারকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী শিক্ষক মিলন কাজী, সহকারী শিক্ষক মান্নান হোসেন এবং অভিভাবক সদস্য টিটু ফকির ও সানাউল্লাহ। ঈশ্বরদী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পর তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মুসার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে গেলে প্রথমে তিনি বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান। পরে গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) মধ্যরাতে গোপনে তাদের বিয়ে হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিয়ের পর ওই শিক্ষার্থীকে শিক্ষকের বাড়ি থেকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যালয়ে গেলে প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকেরা তাকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে বাধা দেন। ফলে ক্লাস না নিয়েই বাড়ি ফিরে যান তিনি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের কাছে সন্তানের সমতুল্য। একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
‘শেষ রক্ষা হলো না' নিজ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বিয়ে করা সেই শিক্ষকের
স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে ধারালো ব্লেড
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা পাউরুটির ভেতরে ধারালো ব্লেড পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার দণ্ডপাল ইউনিয়নের ১১৬ নম্বর প্রধানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পাউরুটিতে ব্লেডটি পাওয়া যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে প্রথম শিফটের ছুটির পর শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী মিম আক্তার স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটি নিয়ে বাড়ি যায়। পরে পাউরুটি খেতে গিয়ে সেটির ভেতরে একটি ব্লেড দেখতে পায় সে। এ ঘটনায় পাউরুটিসহ বিদ্যালয়ে আসেন শিশুটির পরিবারের সদস্যরা। পরে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বরুণ রায় পাউরুটিটি নিয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে যান। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক বরুণ রায় বলেন, মিম আক্তার নামে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক পাউরুটি নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে তাতে ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ করেন। বিষয়টি শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলে তিনি পাউরুটিটি নিয়ে কার্যালয়ে যেতে বলেন। পরে সেটি শিক্ষা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অন্য শিক্ষার্থীদের প্যাকেটে কোনো ধরনের ব্লেড পাওয়া যায়নি। এদিকে, পাউরুটির ভেতরে ব্লেড পাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। শিশুদের খাবারে এমন অনিরাপদ বস্তু পাওয়ার ঘটনায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুফিয়া বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে, পঞ্চগড় জেলায় রুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইএসডিওর স্কুল ফিডিং প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজমল হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার পর পাউরুটিটি সংগ্রহ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ভালো বলতে পারবেন। দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/টিআর
স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে ধারালো ব্লেড
শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে: রিজভী
শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালিপূর্ব গণজমায়েতে তিনি এ মন্তব্য বলেন। তিনি বলেন, শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি আসছে প্রতিবেশী দেশ থেকে। তারা এ দেশকে শান্তিতে রাখতে চায় না। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া গুন্ডারা গার্মেন্টসশিল্প ধ্বংস করতে চায়। শ্রমিকদের নামে আন্দোলন করে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। রিজভী বলেন, তারেক রহমান নির্বাচনের আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়ন করছেন। ক্ষমতায় আসার এক দিন পরই তিনি কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন। ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিপ্লব ও সংহতি দিবস মানুষকে গলা ছেড়ে কথা বলার অধিকার নিশ্চিত করেছে। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। গণতন্ত্রের ওপর আঘাত এলেই ছাত্রসমাজ ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে। সমাবেশে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে সেখান থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আরটিভি/টিআর
শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে: রিজভী
আরও পড়ুন
নারীর সচ্ছলতা ও স্বনির্ভরতাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: মাহদী আমিন
ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে ফের সুযোগ পেলেন ছাত্রলীগ কর্মী
পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার
‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’