ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা, আলোচনায় স্কুল শিক্ষক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা ফুটিয়ে তুলে আলোচনায় এসেছেন এক স্কুল শিক্ষক। সৃজনশীল এই উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি যেমন কৃষির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন, তেমনি নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পৌঁছে দেওয়ারও চেষ্টা করছেন।

জানা গেছে, উলিপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাফর সাদিক চলতি বোরো মৌসুমে নিজের প্রায় ১৭ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করছেন। এর মধ্যে ব্রি ধান-১১৩ জাতের বেগুনি রঙের ধানের চারা ব্যবহার করে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের আকৃতি ফুটিয়ে তুলেছেন। দূর থেকেই স্পষ্ট দেখা যায় এই ব্যতিক্রমী নকশা, যা ইতোমধ্যে স্থানীয়দের নজর কেড়েছে।

এটি অবশ্য জাফর সাদিকের প্রথম সৃজনশীল কৃষি উদ্যোগ নয়। এর আগেও তিনি ধানক্ষেতে জাতীয় ফুল, জাতীয় পতাকা ও বাংলাদেশের মানচিত্রের নকশা তৈরি করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। শিক্ষকতা পেশায় থাকলেও কৃষির প্রতি তার রয়েছে গভীর অনুরাগ। নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি তিনি নিজেই জমিতে চাষাবাদ করেন এবং কৃষিকে দেশপ্রেমের এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন।

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু দৃষ্টিনন্দনই নয়, শিক্ষণীয়ও। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও দেশপ্রেমের চেতনা জাগিয়ে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নিজের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্পর্কে জাফর সাদিক বলেন, শিক্ষকতা আমার পেশা ও নেশা। আর দেশপ্রেম আমার বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস থেকেই কৃষি ক্ষেত্রকে দেশপ্রেম জাগানোর একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছি। বিদ্যালয়ে আমি বইয়ের মাধ্যমে ইতিহাস শেখাই, আর মাঠে মাটির মাধ্যমে সেই ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করি।

উলিপুর-রাজারহাট সড়কের পাশে অবস্থিত জাফর সাদিকের এই ধানক্ষেত এখন প্রতিদিনই শত শত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। অনেক পথচারী সেখানে থেমে ছবি তুলছেন, দেখছেন ব্যতিক্রমী এই শিল্পকর্ম এবং স্মরণ করছেন স্বাধীনতার রক্তঝরা ইতিহাস।

জাফর সাদিকের ভাষায়, মানুষের আগ্রহই আমার কাজের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ প্রমাণ করে, দেশপ্রেম শুধু কথায় নয় সৃজনশীল কর্মের মাধ্যমেও প্রকাশ করা যায়। আর সেই বার্তাই যেন ধানের সবুজ জমিনে নতুন করে লিখে দিচ্ছেন উলিপুরের এই শিক্ষক।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
শ্রীমঙ্গলে ধানক্ষেত থেকে অজগর উদ্ধার
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হলো ১৩ ফুট লম্বা অজগর, অতঃপর...
সিরাজগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার