ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদার জন্য ব্যবসায়ীকে হত্যা, পিটিয়ে পুলিশে দিলো স্থানীয়রা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৩ এএম
ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহীর পুঠিয়ায় চাঁদা না পেয়ে মামুনুর রশীদ জুয়েল নামে এক মুদি দোকানিকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে এক মাদকাসক্ত যুবক। ঘটনার পরপরই ঘাতককে ধরে গণপিটুনি দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পুঠিয়া পৌরসভার কাউন্সিল বাজারে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত জুয়েল উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আনছারের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্ত ঘাতক মাইনুল একই উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের কামালের ছেলে।

আরও পড়ুন



পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালেও দোকান খুলে বসেছিলেন জুয়েল। এ সময় মাইনুল তার দোকানে প্রবেশ করে নেশা করার জন্য চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মাইনুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে জুয়েলের বুকে সজোরে আঘাত করে।

জুয়েল রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, ঘটনার পরপরই পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা ধাওয়া করে ঘাতক মাইনুলকে আটক করেন। পরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুঠিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় জনগণ আসামিকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখেছিল। আমরা তাকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বউ ও শাশুড়ির ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে উধাও সেই মাসুদ
আরটিভি অনলাইনে ‘পরকীয়া প্রেমিকার মেসেজ পেয়ে সন্দেশ নিয়ে বাঁশঝাড়ে হাজির মাসুদ, অতঃপর...’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। সংবাদটি মাসুদের স্ত্রী, শাশুড়িসহ অন্যান্য স্বজনের নজরে আসে। এরপর থেকে মাসুদকে খুঁজতে থাকেন তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও স্বজনেরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে ডোমার বাজারে স্ত্রী ও শাশুড়ির সামনে আচমকাই পড়ে যান মাসুদ রানা। এ সময় তাদের ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি। একপর্যায়ে মাসুদকে খুঁজতে থাকেন তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও দুই মেয়ে। তাকে না পেয়ে মাসুদের উদ্দেশে গালাগাল করেন তারা। পাশাপাশি জনসম্মুখে তার আগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিতে থাকেন। মাসুদের স্ত্রী ও শাশুড়ি জানান, মাসুদের আগে থেকেই চারিত্রিক সমস্যা রয়েছে। তিনি প্রায়ই গোপনে বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে কথা বলতেন। বিষয়টি তার স্ত্রী জানতে পারলে তাদের মধ্যে এ নিয়ে ঝগড়া হতো। মাসুদ এর আগেও তার চাচা শ্বশুরের মেয়ের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করতেন। এ নিয়ে শ্বশুরবাড়িতেও তার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। তারা আরও অভিযোগ করেন, মাসুদ যাঁদের সঙ্গে রাজনীতি করেন, তারাই এসব কর্মকাণ্ডে তাকে প্রশ্রয় দেন। গত বুধবার রাতের ঘটনার পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়ি ও নিজের বাড়িতে না গিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আত্মীয়স্বজনের মধ্যে সুন্দরী কোনো নারী দেখলেই তাদের পেছনে ঘুরে বেড়ান বলে অভিযোগ করেন মাসুদের স্ত্রী। মাসুদের শাশুড়ি বলেন, পালিয়ে তিনি কোথায় থাকবেন? পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ করলেই তাকে ধরে নিয়ে আসা হবে। এসব কথা বলে মাসুদের স্ত্রী, শাশুড়ি ও দুই মেয়ে থানার দিকে চলে যান। এর আগে, গত বুধবার মধ্যরাতে মাসুদ রানা ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ঘাটপাড়া এলাকার এক পুত্রবধূর সঙ্গে ছয় মাসের কথিত পরকীয়া সম্পর্কের সূত্র ধরে রাতে সন্দেশ নিয়ে বাঁশবাগানে দেখা করতে যান। এ সময় ওই নারীর স্বামীর পাতা ফাঁদে আটকা পড়েন মাসুদ। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। তবে ওই নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাকে পুলিশ হেফাজত থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে মাসুদ রানা বলেন, গতকালের ঘটনায় আমি শুধু মেয়েটির সঙ্গে মেসেজে চ্যাটিং করেছি। এ ছাড়া তার সঙ্গে আমার অন্য কোনো সম্পর্ক নেই। রাতে বাড়ি যাইনি। গতকাল থেকে বাইরে থাকা-খাওয়া করছি। আটকের পর অনেকেই ভেবেছেন, আমি পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলে রয়েছি। তাই আজ এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলাম। ডোমার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোপাল চন্দ্র বলেন, গত রাতে এলাকাবাসী মাসুদকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। তবে ওই নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
বউ ও শাশুড়ির ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে উধাও সেই মাসুদ
সাবেক শিবিরনেতাকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
রাজনৈতিক সহিংসতায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে আসা ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা সাব্বির প্রামাণিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।  জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের কাছে বারবার সহায়তা চেয়েও সাড়া না পাওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশের পর এ উদ্যোগ নেন তিনি। বগুড়ার বাসিন্দা সাব্বিরকে একটি প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুষ্টি চালের মিল, সিমেন্টের ইট তৈরির কারখানা ও মাছের খামারের তদারকি এবং হিসাব ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছেন। সম্মানজনক বেতনে চাকরি পেয়ে তার পরিবারে স্বস্তি ফিরেছে। সাব্বির জানান, চাকরির জন্য তিনি একাধিকবার জামায়াত নেতাদের দ্বারস্থ হলেও আশ্বাস ছাড়া কোনো সহায়তা পাননি। পরে তার দুর্দশার খবর জানতে পেরে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতায় হামলার শিকার হন সাব্বির। ওই ঘটনায় শিবিরনেতা আবু রুহানী নিহত হন। সাব্বিরের দাবি, গুরুতর আহত অবস্থায় তার শরীরে একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয় এবং ৬৪টি সেলাই দেওয়া হয়। দীর্ঘ চিকিৎসার পর বেঁচে ফিরলেও শারীরিক জটিলতায় স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরতে পারেননি তিনি। জীবিকার প্রয়োজনে অটোরিকশা চালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখে চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানে সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেন সাব্বির। অবশেষে নতুন চাকরি পাওয়ায় সাব্বির ও তার পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন তিনি। আরটিভি/এসআর  
সাবেক শিবিরনেতাকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
শুক্রবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও দেশের প্রবীণ আলেমে দ্বীন আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর দোয়া নিতে এবং তার সভাপতিত্বে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার (৫ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে যাচ্ছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিমানযোগে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সড়কপথে তিনি ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে তিনি হেফাজত আমিরের দোয়া গ্রহণের পাশাপাশি মহাসম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। মাদরাসার ১০৪তম দুই দিনব্যাপী বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে আয়োজক ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনের দুই দিনই উপস্থিত থাকছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও বাবুনগর মাদরাসার প্রধান পরিচালক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাতি মাওলানা রহমত উল্লাহ বাবুনগরী। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বাবুনগর মাদরাসার মহাসম্মেলনে অংশ নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন শুক্রবার ফটিকছড়িতে আসবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাদরাসার সম্মেলনে অংশগ্রহণ ছাড়া অন্য কোনো কর্মসূচি নেই। তিনি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সড়কপথে বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছাবেন। সেখানে জুমার নামাজ আদায় শেষে মহাসম্মেলনে বক্তব্য দেবেন। মন্ত্রীদের আগমন উপলক্ষে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এদিকে, মহাসম্মেলনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর এবং চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীসহ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও দেশবরেণ্য আলেম-ওলামাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার বাদ ফজর মাদরাসা প্রাঙ্গণে শুরু হয় দুই দিনব্যাপী এ মহাসম্মেলন। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও জামিয়া বাবুনগরের প্রধান পরিচালক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশিষ্ট ওলামা-মাশায়েখ, ইসলামী চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা অংশ নিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
শুক্রবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
‘শেষ রক্ষা হলো না' নিজ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বিয়ে করা সেই শিক্ষকের
পাবনার ঈশ্বরদীতে নিজ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ও পরবর্তী সময়ে বিয়ের ঘটনায় শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মুসাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তসলিম আরিফ তুষার। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা আয়েশা আক্তারকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী শিক্ষক মিলন কাজী, সহকারী শিক্ষক মান্নান হোসেন এবং অভিভাবক সদস্য টিটু ফকির ও সানাউল্লাহ। ঈশ্বরদী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পর তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মুসার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে গেলে প্রথমে তিনি বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান। পরে গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) মধ্যরাতে গোপনে তাদের বিয়ে হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিয়ের পর ওই শিক্ষার্থীকে শিক্ষকের বাড়ি থেকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যালয়ে গেলে প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকেরা তাকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে বাধা দেন। ফলে ক্লাস না নিয়েই বাড়ি ফিরে যান তিনি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের কাছে সন্তানের সমতুল্য। একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
‘শেষ রক্ষা হলো না' নিজ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বিয়ে করা সেই শিক্ষকের
স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে ধারালো ব্লেড
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা পাউরুটির ভেতরে ধারালো ব্লেড পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার দণ্ডপাল ইউনিয়নের ১১৬ নম্বর প্রধানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পাউরুটিতে ব্লেডটি পাওয়া যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে প্রথম শিফটের ছুটির পর শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী মিম আক্তার স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটি নিয়ে বাড়ি যায়। পরে পাউরুটি খেতে গিয়ে সেটির ভেতরে একটি ব্লেড দেখতে পায় সে। এ ঘটনায় পাউরুটিসহ বিদ্যালয়ে আসেন শিশুটির পরিবারের সদস্যরা। পরে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বরুণ রায় পাউরুটিটি নিয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে যান। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক বরুণ রায় বলেন, মিম আক্তার নামে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক পাউরুটি নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে তাতে ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ করেন। বিষয়টি শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলে তিনি পাউরুটিটি নিয়ে কার্যালয়ে যেতে বলেন। পরে সেটি শিক্ষা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অন্য শিক্ষার্থীদের প্যাকেটে কোনো ধরনের ব্লেড পাওয়া যায়নি। এদিকে, পাউরুটির ভেতরে ব্লেড পাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। শিশুদের খাবারে এমন অনিরাপদ বস্তু পাওয়ার ঘটনায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুফিয়া বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে, পঞ্চগড় জেলায় রুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইএসডিওর স্কুল ফিডিং প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজমল হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার পর পাউরুটিটি সংগ্রহ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ভালো বলতে পারবেন। দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/টিআর
স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে ধারালো ব্লেড
আরও পড়ুন
আমাদের লক্ষ্য সৌরবিদ্যুৎ থেকে গ্রীষ্মের আগেই ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন: বিদ্যুৎমন্ত্রী
দ্রুত সময়ে রাকসু নির্বাচন আয়োজনের দাবি ছাত্রনেতাদের
ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে দপ্তর ছাড়লেন রাকসুর সাবেক জিএস আম্মার 
আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ: আগুনে শেষ সম্বল হারানো বিধবার পাশে প্রশাসন