ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

জেলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নিতে শিশুকে হত্যা করল ৬ কিশোর

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
গ্রেপ্তার আসামিরা। ছবি: আরটিভি

নারায়ণগঞ্জে শুধুমাত্র জেলখাটার অভিজ্ঞতা নিতে হোসাইন (১১) নামে এক শিশুকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে ছয় কিশোরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল বিকেলে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা ব্যাংক কলোনি এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে হোসাইনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, হোসাইন তার বাবার সঙ্গে শহরে ফুল বিক্রি করত। গত ১৮ এপ্রিল সকাল থেকে সে নিখোঁজ ছিল। পরবর্তীতে জানা যায়- ফতুল্লা রেলস্টেশন সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়মিত আড্ডা দেওয়া ও মাদক সেবনকারী কয়েকজন কিশোর তাকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে খুন করলে জেলে যেতে হয়- আর সেই অভিজ্ঞতা নেওয়ার ইচ্ছা থেকেই তারা হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া হোসাইনকে টার্গেট করে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল তাদের আরও তিন বন্ধু রাহাত, হোসাইন ও ওমর। পরে সবাই মিলে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে মরদেহ পরিত্যক্ত ওই বাড়িতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন

এদিকে হোসাইনের মরদেহ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে ইয়াসিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচ কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ৬ জনের মধ্যে ৪ জন এজাহারভুক্ত, তদন্তে আরও ২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পরে মামলার এজাহারনামীয় ১ নাম্বার আসামি ইয়াসিন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। হত্যায় ব্যাহৃত ধারাল ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও একজন পলাতক রয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তাঁতী দল নেতা হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
খুলনা মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার আসামি ফায়েক শেখকে (৪৩) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬। 
তাঁতী দল নেতা হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
আশুলিয়ায় কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল থেকেই শ্রমিকরা কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছেন এবং সিংহভাগ কারখানাতেই উৎপাদন কার্যক্রম চালু রয়েছে।  তবে আশুলিয়ায় স্বস্তি ফিরলেও পাশের সাভারের হেমায়েতপুরে শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। হেমায়েতপুর ও পদ্মার মোড় বাসস্ট্যান্ডসহ আশপাশের এলাকার বেশ কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই শ্রমিকরা তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড ও পদ্মার মোড়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন। সকাল ৯টার দিকে শ্রমিকরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, দেখা দেয় দীর্ঘ যানজট। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মহাসড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস (টিয়ারশেল) নিক্ষেপ করে। জবাবে শ্রমিকরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে শ্রমিকদের একটি অংশ শান্ত হয়ে এলাকা ত্যাগ করেন। শিল্পাঞ্চলে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এদিকে সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ২ হাজার ৩০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে দুটি পৃথক কারখানা কর্তৃপক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ১ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
আশুলিয়ায় কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা
প্রতিবেশীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে সড়কে প্রাণ গেল আপনের 
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ১২টার দিকে অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেশীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে সড়কে প্রাণ গেল আপনের 
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও ইট-পাটকেলে রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের আবারও তীব্র ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে এবং শ্রমিকেরা পাল্টা ইট-পাটকেল ছুড়লে পুরো কাঠেরপুল এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ফতুল্লার শিবু মার্কেট ও আশপাশের এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা একজোট হয়ে এই বিক্ষোভ আন্দোলনে অংশ নেন। একপর্যায়ে কয়েক হাজার শ্রমিক কারখানা থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনে যোগ দেন। এতে পুরো শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়।  দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও পাল্টাপাল্টি ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকদের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে কাঠেরপুল ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য ওই এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। বিজিবির অন্তত চার প্লাটুন সদস্য মোতায়েন আছে। এর আগে গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এ সময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য হিউম্যান চেইন করে ব্যারিকেড দিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও তা ভেঙে শ্রমিকরা মূল সড়কে উঠে আসেন। আরটিভি/এসআর        
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও ইট-পাটকেলে রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জ
সাভার-আশুলিয়ায় কারখানা ভাঙচুরের ঘটনায় তিন মামলায় আসামি ২৩০০, গ্রেপ্তার ১১
সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ২ হাজার ৩০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান। তিনি বলেন, আশুলিয়া থানায় দুটি এবং সাভার মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে দুটি পৃথক কারখানা কর্তৃপক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ১ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার ভোরে সাভারের তেঁতুলঝোড়া এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সাভার মডেল থানায় আরও একটি মামলা হয়েছে।  এ মামলায় অজ্ঞাতনামা ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান ওসি সাইফুল আলম। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো মঙ্গলবারও পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। আরটিভি/এসআর
সাভার-আশুলিয়ায় কারখানা ভাঙচুরের ঘটনায় তিন মামলায় আসামি ২৩০০, গ্রেপ্তার ১১
আরও পড়ুন
তাঁতী দল নেতা হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
মাগুরায় যুবদল নেতা হত্যা মামলায় গোলাম জাহিদ গ্রেপ্তার
প্রবাসী স্বামীর টাকা বাপের বাড়িতে পাঠানোই কাল হলো রোমেনার
‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না’ প্রবাদের সত্যতা প্রমাণ হলো পঞ্চগড়ে