ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মসজিদের দান বাক্সে মিলল জোড়া সোনার দুল ও চিরকুট, ঘটনা কী

নীলফামারী (সৈয়দপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্হাপনের ঘটনা ঘটেছে। সৈয়দপুর শহরের সাহেবপাড়া (হানিফ মোড়) এলাকার মসজিদে আলীতে দানবাক্স খুলে মিলেছে এক জোড়া সোনার দুল, নগদ ৭ হাজার টাকা এবং সঙ্গে একটি হৃদয়স্পর্শী চিরকুট, যেখানে এক অসহায় সন্তানের মায়ের জন্য দোয়ার আকুতি ফুটে উঠেছে।

চিরকুটে লেখা ছিল, আমার আম্মু অসুস্থ আছে, আপনারা দোয়া করেন যেনো সুস্থ হয়ে যায়। সংক্ষিপ্ত এই বাক্যটি উপস্থিত সবার হৃদয়ে নাড়া দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, মায়ের সুস্থতার আশায় কোনো সন্তান নিঃশব্দে এই দানটি করেছেন।

আরও পড়ুন

বুধবার (২৯ এপ্রিল) মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাজাদা আলম জানান, প্রতি দুই মাস অন্তর শুক্রবার রাতে কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা হয়। মসজিদ কমিটির সদস্যরা নিয়ম অনুযায়ী দানবাক্স খোলার সময় এই বিশেষ দানটি পান। এবার দানবাক্সে একটি রঙিন কাগজে মোড়ানো অবস্থায় সোনার কানের দুল ও চিরকুটটি পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, চিরকুটের লেখাটি পড়ে আমরা আবেগপ্লুত হয়ে পড়ি। এটি শুধু একটি দান নয়, বরং এক সন্তানের মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও অসহায়ত্বের প্রকাশ। আমরা স্থানীয় এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মাধ্যমে দুলটির মূল্য যাচাই করে জানতে পারি, এর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৪ হাজার টাকা।

মসজিদের ইমাম হাফেজ আখতার বলেন, এই দান আমাদের সবার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। আমরা শুধু দানের মূল্য দেখি না, এর পেছনের নিয়তটাই বড়। যিনি দান করেছেন, আল্লাহ যেন তার মায়ের সুস্হতা দান করেন। আমরা সবাই তার জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।

‎মসজিদ কমিটির সভাপতি ওমান গনীসহ কমিটির সদস্যরা জানান, মসজিদের চলমান উন্নয়ন কাজে এই দান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো এই ঘটনা সমাজে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও দানের প্রকৃত সৌন্দর্যকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। তবে কোন সন্তানের এরকম নীরবে, নিভৃতে করা এমন একটি দান যেন মনে করিয়ে দেয় মা'র প্রতি সন্তানের ভালোবাসা এখনো ফুঁড়িয়ে যায়নি।

আরটিভি/এমআই


আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১৭ দেশের মুদ্রাসহ ২৪ কেজি সোনা-রুপা
বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ, অনুতপ্ত হয়ে টাকা ও চিরকুট রেখে গেলেন যাত্রী
অন্যের স্ত্রীকে ঘরে নিয়ে ৭ মাসের ‘সংসার’ মসজিদের ইমামের
বাবরি মসজিদ প্রকল্পের মূল উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবির গ্রেপ্তার