ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রবাসীর স্ত্রীর আলমারি থেকে স্কুল দপ্তরি ধরা, ভিডিও ভাইরাল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১১:০৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর জেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড় খারদিয়া এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে মো. আজাদ শেখ (৩৫) নামে এক স্কুল দপ্তরিকে স্থানীয়রা আটক করেছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাটির একটি ৫৫ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের দাবি, বড় খারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি আজাদ শেখ প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে মাঝে মধ্যেই গভীর রাতে ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। ঘটনার রাতে স্থানীয়রা বাড়িটি ঘেরাও করলে তাকে ঘরের একটি আলমারির ভেতর থেকে বের করে আটক করা হয় এমনটি ভিডিওতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

তবে পরে তাকে পুলিশে না দিয়ে একটি প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনা সম্পর্কে প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, পাশের বাড়িতে মৃত্যুর খবর শুনে তিনি সেখানে যান। পরে ফিরে এসে ঘরে আজাদকে দেখতে পান এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তিনি আলমারিতে লুকিয়ে পড়েন এমনটাই তার ভাষ্য।

এদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইরন অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং বিষয়টি ভিত্তিহীন। একই সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, দপ্তরি আজাদের পক্ষ থেকে ছুটির আবেদন করা হয়েছিল এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছিলেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে ঘটনার কথা জেনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সালথা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে সাময়িক বরখাস্ত করা হতে পারে।

ঘটনার তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া এখনো চলমান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
হারিয়ে যাওয়ার ৫০ বছর পর পাকিস্তান থেকে ভাইদের কাছে ফিরলেন পরী বেগম
জয়নালের নামে ধর্ষণচেষ্টার মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন গৃহবধূ
ট্রলির জন্য টাকা না দেওয়া ভোগান্তি, হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু
পোল্ট্রি ফার্মের দুর্গন্ধে ‘প্রাণ ওষ্ঠাগত’ শিক্ষার্থীদের