ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কোরবানির গরুর চামড়া ‘পানির দরে’ বিক্রি, হতাশ ব্যবসায়ীরা

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ মে ২০২৬, ১১:১৪ এএম
মঠবাড়িয়ায় কোরবানির গরুর চামড়া ‘পানির দরে’ বিক্রি হচ্ছে। ছবি: আরটিভি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় কোরবানির গরুর চামড়া ‘পানির দরে’ বিক্রি হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঠবাড়িয়ায় এবার প্রায় ৫ হাজার গরু ও ৭’শ ছাগল কোরবানি করা হয়েছে। তবে চামড়ার ন্যায্য মূল্য না পেয়ে কোরবানি দাতা ও চামড়ার অংশীদাররা হতাশায় ভুগছেন।

চলতি বছর কোরবানির মৌসুমে সরকারিভাবে ঢাকার বাইরে লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫৭ থেকে ৬২ টাকা। অন্যদিকে, খাসির চামড়া সারাদেশে ২৫ থেকে ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা কিনছেন না ক্রেতারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় গরু কিনে আমি চামড়া বিক্রি করেছি মাত্র ২০০ টাকায়। আর এলাকায় মাঝারি ও ছোট গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। আবার কেউ মাদরাসায় দিয়ে দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, ছাগলের চামড়া কেনার মতো আগ্রহ নেই বললেই চলে। আমার কোরবানির ছাগলের চামড়া এখনও পড়ে আছে। এতিমখানা-মাদরাসাও নিতে চায় না।

উপজেলার চামড়া ব্যবসায়ী নান্টু রবি দাস জানান, গত কয়েক বছর চামড়া ব্যবসায়ী যারা ছিল, সবাই-ই ক্ষতিগ্রস্ত। এ বছর ১০০-৩০০ টাকায় চামড়া কিনেছি। ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরে লাভও হতে পারে, লসও হতে পারে।

আরও পড়ুন

আরেক মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী জয় হালদার বলেন, বেশি দাম দিয়ে চারটি গরুর চামড়া কিনে শহরে বিক্রি করতে নিয়ে গেলে ৩০০-৪০০ টাকা দাম বলে।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেশের ভালো চাই। কিন্তু ন্যায্য মূল্য পাইনা।

উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন জুনায়েদ রহমান জানান, মঠবাড়িয়া উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার গরু ও ৭’শ ছাগল কোরবানি করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে বিনামূল্যে লবণ বিতরণ করা হয়েছে এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া ক্রয়- বিক্রয় করার নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সঠিকভাবে চামড়া সংরক্ষণ করতে পারলে পরবর্তীতে ভালো মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘টাকা নিয়ে’ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, যা জানা যাচ্ছে
‘তিনটি গ্রাম টাকা দিয়ে কিনে এনেছি, মহেন্দ্র নগর কিনে আনছি। দুই গ্রামের টাকা নেতারা ভাগ নেবে। নেতারা টাকা খেয়ে ফেললে আমার কোনো গন্ধ বের হবে না। তোমার কাছে পাঁচ টাকা খেলে গন্ধ বের হবে। সবাই মিলে খেয়ে ফেললে আমার কিছু হবে না।’ এ সময় টাকা কম দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আর কয়টা দিন অপেক্ষা করো, ১০ হাজার টাকা দিয়েও পাবে না।’ বিনামূল্যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায়ের এমন কথোপকথনের কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। সম্প্রতি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে বিনামূল্যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা থাকলেও কার্ডপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আল আমিন উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে চূড়ান্ত তালিকার ১৩ নম্বরে রয়েছেন। ধনপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাতলা গ্রামের শহিদ নুরের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেন তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিন। তাদের কথোপকথনের কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর চার হাজার টাকা দেওয়ার শর্তে নগদ এক হাজার টাকা আল আমিনের হাতে তুলে দেন শহিদ নুর। টাকা দেওয়া ও ভিডিও ধারণের ঘটনাটি প্রায় এক সপ্তাহ আগের। তবে ভিডিওটি সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা ও শোনা যায়, একটি আধাপাকা দালানঘরের ভেতরে বসা শহিদ নুরের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা দাবি করছেন আল আমিন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, এই টাকা শুধু তিনি একা নেন না; নেতাদেরও ভাগ দিতে হয় এবং সবাই মিলেমিশে খান। একপর্যায়ে আল আমিনকে বলতে শোনা গেছে, ‘তিনটি গ্রাম টাকা দিয়ে কিনে এনেছি, মহেন্দ্র নগর কিনে আনছি। দুই গ্রামের টাকা নেতারা ভাগ নেবে। নেতারা টাকা খেয়ে ফেললে আমার কোনো গন্ধ বের হবে না। তোমার কাছে পাঁচ টাকা খেলে গন্ধ বের হবে। সবাই মিলে খেয়ে ফেললে আমার কিছু হবে না।’ এ সময় টাকা কম দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আর কয়টা দিন অপেক্ষা করো, ১০ হাজার টাকা দিয়েও পাবে না।’ আল আমিনের কথোপকথন গোপনে ভিডিও ধারণ করেন শহিদ নুর। পরে একপর্যায়ে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভিডিও প্রকাশের পর আল আমিন তাকে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন শহিদ নুর। আল আমিনকে টাকা দেওয়া শহিদ নুর বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য আল আমিন আমার কাছে পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল। আমি নগদ এক হাজার টাকা তার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। বাকি টাকা পরে দেব বলেছিলাম। সে আমার প্রতিবেশী আবুল কালামের স্ত্রী আছমা বেগমের কাছ থেকেও নাকি পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে। টাকা নিয়ে যদি কাজ না করে, তাই প্রমাণ রাখার জন্য ভিডিও করে রেখেছিলাম। পরে কীভাবে ভিডিওটি ফেসবুকে চলে যায়, তা জানি না। এরপর থেকে আল আমিন আমাকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমার পা ভেঙে ফেলবে বলেও হুমকি দিয়েছে। এরপর আমি আমাদের এলাকার বিএনপি নেতা ও শরিফগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হান্নানকে বিষয়টি জানিয়েছি।’ ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এবং অভিযোগ পাওয়ার ভিত্তিতে ধনপুর ইউনিয়নের ওই ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও শরিফগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হান্নান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে আল আমিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত ১১ অক্টোবর তিনি এ অভিযোগ দায়ের করেন। ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত নন। কিন্তু আল আমিন কার্ড দেওয়ার নামে এবং দলের নেতাদের নাম ভাঙিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং দলের সুনাম নষ্ট করতেই তিনি এমনটা করছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছি।’ অভিযুক্ত তথ্য সংগ্রহকারী আল আমিনের সঙ্গে কথা বলতে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকিনা আক্তার বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায় এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য আল আমিনকে তথ্য সংগ্রহকারীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ আরটিভি/টিআর
‘টাকা নিয়ে’ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, যা জানা যাচ্ছে
৭ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে লালমনিরহাটের ত্রিদেশীয় বুড়িমারী স্থলবন্দরে টানা সাতদিন সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
৭ দিন বন্ধ থাকবে বুড়িমারী স্থলবন্দর
পচা ডিমের জন্য বেকারিতে ছিল ‘বিশেষ ব্যবস্থা’, জরিমানা লাখ টাকা
পচা ডিম দিয়ে খাদ্য প্রস্তুতের অভিযোগে একটি বেকারি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। 
পচা ডিমের জন্য বেকারিতে ছিল ‘বিশেষ ব্যবস্থা’, জরিমানা লাখ টাকা
কুমিল্লায় ২২টি পূজামণ্ডপে ১৩ হাজার ২০০ কেজি চাল বিতরণ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ২২টি পূজামণ্ডপের অনুকূলে প্রতিটিতে ৬০০ কেজি করে মোট ১৩ হাজার ২০০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থায়নে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সব পূজামণ্ডপের সভাপতিদের মধ্যে এই চাল বিতরণ করা হয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা সভাপতি জিএম তাহের পলাশী। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহায়তায় আয়োজিত চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. লতিফুর রহমান, সহকারী প্রোগ্রামার তাহমিদ শাকিল, উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু প্রমোদ রঞ্জন চক্রবর্তী, সম্পাদক মাস্টার অনীল চন্দ্র দেবনাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক বলরাম কর্মকারসহ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দ। আরটিভি/টিআর
কুমিল্লায় ২২টি পূজামণ্ডপে ১৩ হাজার ২০০ কেজি চাল বিতরণ
রিহ্যাব সেন্টার থেকে ফিরে যে কাণ্ড ঘটালেন শোভন
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের পলাশবাড়ী এলাকায় ছেলের ছুরিকাঘাতে মা পারুল বেগমের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী ও অভিযুক্ত ছেলের বাবা সরদার আলী। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে মুত্তাকীন আলম শোভন পালিয়ে গেলেও পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরের দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের আরাজি পলাশবাড়ী এলাকা থেকে অভিযুক্ত শোভনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুত্তাকীন আলম শোভন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। ছেলেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে তার বাবা-মা বগুড়ার একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে (রিহ্যাব সেন্টার) রাখার ব্যবস্থা করেন। সেখানে প্রায় দুই বছর থাকার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে আবার বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। তবে বাড়িতে ফেরার পর তিনি আবারও মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন সময় মাদক গ্রহণ করতে থাকেন। এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার রাতে ওই পুনর্বাসন কেন্দ্রের লোকজন শোভনকে নিতে তাদের বাড়িতে আসেন। বিষয়টি টের পেয়ে শোভন ঘরের ভেতর থেকে ছুরি বের করেন। এরপর তিনি প্রথমে তার মাকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই পারুল বেগমের মৃত্যু হয়। এ সময় শোভনের মাকে রক্ষা করতে তার বাবা সরদার আলীকে এগিয়ে যান। এতে তিনিও হামলার শিকার হন। পর শোভন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত সরদার আলীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, ছুরিকাঘাতের পর অভিযুক্ত ছেলে পালিয়ে যান। পরে অনুসন্ধান ও সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার হলোখানা এলাকার আরাজি পলাশবাড়ী থেকে মুত্তাকীন আলম শোভনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে, নিহত পারুল বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
রিহ্যাব সেন্টার থেকে ফিরে যে কাণ্ড ঘটালেন শোভন
আরও পড়ুন
লালশাড়িতেই হারিয়ে যাচ্ছে ‘দৌড়ে বেড়ানো’ শৈশব!
ট্রলি ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই সামনে এলো ‘চরম সত্য’
পিরোজপুরে প্রবাসীর কেনা জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ
বাড়তি দামেও মিলছে না গ্যাস, খালি হাতে ফিরছেন ক্রেতা