ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সাপে কাটা রোগীকে ইয়াবা সেবনকারী সন্দেহে অন্য হাসপাতালে রেফার, পথেই মৃত্যু

পাবনা (উত্তর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
রুহান মোল্লা : ছবি আরটিভি

পাবনার সাঁথিয়ায় সাপে কাটা রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে ইয়াবা সেবনকারী হিসেবে শনাক্ত করেন। পরে তাকে পাবনা মেডিকেলে রেফার করেন। এ সময় পথেই তার মৃত্যু হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুহান মোল্লা (২৬) নিহত রুহান মোল্লা উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নেরে চরকাবারি কোলা গ্রামের হেলাল মোল্লার ছেলে।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ৯টার দিকে রুহান টেঁটা নিয়ে মাছ শিকারের জন্য চরকাবারি কোলা গ্রামের মাঠে বের হয়। এ সময় পটল ক্ষেত থাকা বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয়। পরে রুহান বাড়িতে এসে জানালে তাকে প্রথমে তাকে স্থানীয় ওঝার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ওঝা রুহানকে কবিরাজি চিকিৎসা দেয়। এতে সে আরও অসুস্থ হলে রুহানকে রাত তিনটার দিকে তাকে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাওসার প্রেসার মেপে সঙ্গে সঙ্গে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করেন। পাবনা যাওয়ার পথে মাধপুরেই বিষে কাতর হয়ে রুহান মারা যান।

পরিবারের অভিযোগ রুহানকে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পরে চিকিৎসক কাওসার তাকে কোনো চিকিৎসক না দিয়ে পাবনা মেডিকেলে হস্তান্তর করেন।

রুহানের বাবা হেলাল মোল্লা জানান, সাপের কামড়ের কথা বলার পরও চিকিৎসক কাওসার আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) প্রয়োগ করেনি। সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) সময় মত প্রয়োগ করলে আমার ছেলে মারা যেত না।

সাঁথিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন জানান, রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক রুহানের শরীরে সাপের কামড়ের তেমন কোন নমুনা পায়নি। তিনি ধারণা করেছিলেন রোগী ইয়াবা সেবন করেছিল।

কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন দাবি করেন সাঁথিয়া হাসপাতালে সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) এখনও রয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদ, বিয়ার, এস্কাফ ও গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিদেশি মদ, বিয়ার, এস্কাফ সিরাপ ও গাঁজাসহ মোছা. শারমিন আক্তার (২৪) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদ, বিয়ার, এস্কাফ ও গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার
‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গাজীপুরের কালীগঞ্জে জাহিদ মুন্সি (২৬) নামে এক এনসিপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কালীগঞ্জ থানা পুলিশ এই সংবাদ নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। মামলা হওয়ার পর দল থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। মামলা সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে জাহিদ মুন্সির দোকানে ঘড়ি কিনতে গিয়ে জাহিদের সঙ্গে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী নারীর। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন জাহিদ। এসময় ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিওধারণ করে রাখেন তিনি। পরে ওই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে মিরের বাজারের একটি গেস্ট হাউস, বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি শ্রমিক কলেজের পেছনে রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত স্টাফ কোয়ার্টারসহ অন্যান্য স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরপর ওই কলেজছাত্রী জাহিদকে বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাকে মারধর করেন তিনি। পরে ওই নারী বড় বোনকে সঙ্গে নিয়ে জাহিদ মুন্সির বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন জাহিদ একাধিক বিয়ে করেছেন এবং তার একটি সন্তানও রয়েছে। পরে ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে ১২ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে জানতে জাহিদের সঙ্গে মোবাইলে ও বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির গাজীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক এম এম শোয়াইব বলেন, এনসিপির গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব জাহিদ মুন্সির (২৬) বিরুদ্ধে দলীয় নীতি, আদর্শ ও নৈতিকতার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব সাংগঠনিক দায়িত্ব ও পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, আসামি জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসএস
‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 
ভাগ্নেবউয়ের ঘরে ঢুকে নিজেকে ‘থামাতে পারলেন না’ মামাশ্বশুর, অতঃপর...
রংপুরের পীরগঞ্জে ভাগ্নেবউকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে হাসান মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ২৫ মিনিটে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে এসআরবি। গ্রেপ্তার হাসান মিয়া পীরগঞ্জ উপজেলার বেড়াখাই গ্রামের মৃত আইজার রহমানের ছেলে।  এসআরবি সূত্রে জানা যায়, হাসান মিয়া ভুক্তভোগী গৃহবধূর মামাশ্বশুর। বাড়ি পাশাপাশি হওয়ায় তিনি ওই গৃহবধূকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই নারীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হতো বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার এজাহার থেকে আরও জানা যায়, গত ১২ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে ওই গৃহবধূ নিজ বাড়ির একটি ঘরে শুয়ে ছিলেন। এ সময় হাসান মিয়া ওই ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ওই নারী চিৎকার শুরু করলে হাসান মিয়া ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ৪ সেপ্টেম্বর পীরগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলার পর হাসান মিয়া গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান। এসআরবি জানায়, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত হাসান মিয়াকে গ্রেপ্তারে এসআরবি-১৩ রংপুরের পক্ষ থেকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩ রংপুর ও এসআরবি-১ গাজীপুরের একটি যৌথ আভিযানিক দল গাজীপুরে অভিযান চালায়। অভিযানে বোর্ডবাজার এলাকা থেকে পীরগঞ্জ থানার ধর্ষণচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি হাসান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।  তিনি আরও জানিয়েছে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতাসহ হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/এসএস
ভাগ্নেবউয়ের ঘরে ঢুকে নিজেকে ‘থামাতে পারলেন না’ মামাশ্বশুর, অতঃপর...
পাখি শিকার বন্ধে শেরপুরের দুই উপজেলায় বিশেষ অভিযান
পাখি শিকার বন্ধে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুর, শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন-এর উদ্যোগে সদর ও নকলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে।
পাখি শিকার বন্ধে শেরপুরের দুই উপজেলায় বিশেষ অভিযান
তথ্য চেয়ে আবেদন করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অফেন্সিভ মোডে যাওয়ার হুমকি ইউএনওর
তথ্য চেয়ে আবেদন করায় দৈনিক সমকালের টাঙ্গাইলের ঘাটাইল প্রতিনিধি মাসুমের বিরুদ্ধে অফেন্সিভ মোডে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. মাহমাদুল হাসান।
তথ্য চেয়ে আবেদন করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অফেন্সিভ মোডে যাওয়ার হুমকি ইউএনওর
আরও পড়ুন
মাছের খাবার দেওয়ার সময় হঠাৎ বজ্রপাত, বাঁচানো গেল না আলীমকে
ভাইয়ের অটোরিকশার চাকায় পিষ্টে বোনের মৃত্যু
বরিশালে মিছিলে অসুস্থ হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু
কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু