ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সাপে কাটা রোগীকে ইয়াবা সেবনকারী সন্দেহে অন্য হাসপাতালে রেফার, পথেই মৃত্যু

পাবনা (উত্তর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
রুহান মোল্লা : ছবি আরটিভি

পাবনার সাঁথিয়ায় সাপে কাটা রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে ইয়াবা সেবনকারী হিসেবে শনাক্ত করেন। পরে তাকে পাবনা মেডিকেলে রেফার করেন। এ সময় পথেই তার মৃত্যু হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুহান মোল্লা (২৬) নিহত রুহান মোল্লা উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নেরে চরকাবারি কোলা গ্রামের হেলাল মোল্লার ছেলে।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ৯টার দিকে রুহান টেঁটা নিয়ে মাছ শিকারের জন্য চরকাবারি কোলা গ্রামের মাঠে বের হয়। এ সময় পটল ক্ষেত থাকা বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয়। পরে রুহান বাড়িতে এসে জানালে তাকে প্রথমে তাকে স্থানীয় ওঝার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ওঝা রুহানকে কবিরাজি চিকিৎসা দেয়। এতে সে আরও অসুস্থ হলে রুহানকে রাত তিনটার দিকে তাকে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাওসার প্রেসার মেপে সঙ্গে সঙ্গে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করেন। পাবনা যাওয়ার পথে মাধপুরেই বিষে কাতর হয়ে রুহান মারা যান।

পরিবারের অভিযোগ রুহানকে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পরে চিকিৎসক কাওসার তাকে কোনো চিকিৎসক না দিয়ে পাবনা মেডিকেলে হস্তান্তর করেন।

রুহানের বাবা হেলাল মোল্লা জানান, সাপের কামড়ের কথা বলার পরও চিকিৎসক কাওসার আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) প্রয়োগ করেনি। সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) সময় মত প্রয়োগ করলে আমার ছেলে মারা যেত না।

সাঁথিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন জানান, রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক রুহানের শরীরে সাপের কামড়ের তেমন কোন নমুনা পায়নি। তিনি ধারণা করেছিলেন রোগী ইয়াবা সেবন করেছিল।

কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন দাবি করেন সাঁথিয়া হাসপাতালে সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) এখনও রয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ছেলের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার সময় মায়ের মৃত্যু!
প্রবাসীর স্ত্রীকে ৬ টুকরা করে হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড
দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৯৫৪
হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু