ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্র

আমরা মুসলিম, শেয়াল-কুকুরের মতো মরতে চাই না

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
আমরা মুসলিম, শেয়াল-কুকুরের মতো মরতে চাই না।ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনে আটকে থাকা দুই বাংলাদেশি যুবক দেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের রাশিয়ায় নেওয়া হলেও পরে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি যুদ্ধক্ষেত্রের একটি অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে গোপনে ধারণ করা তাদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার গোদাশিমলা এলাকার বাসিন্দা আরমান আলী ও মাইনউদ্দিন নামের দুই বাংলাদেশি যুবক নিজেদের দুর্দশার কথা তুলে ধরছেন। তারা অভিযোগ করেন, ড্রোন কোম্পানি ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের রাশিয়ায় নেওয়া হয়। পরে কয়েকদিনের প্রশিক্ষণ দিয়ে সরাসরি যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনে পাঠানো হয়।

ভিডিওতে আরমান আলী বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল ড্রোন কোম্পানি কিংবা কনস্ট্রাকশন সাইটে কাজ দেওয়া হবে। কিন্তু আমাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের ১৬ জনের ক্যাম্প থেকে ১২ জন মারা গেছে। আমরা চারজন জীবিত আছি, আর চারজনই আহত।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আহত অবস্থায় ফিরে আসার পরও তাদের আবার যুদ্ধে যেতে চাপ দেওয়া হয়। রাজি না হওয়ায় মারধর করা হয়েছে এবং কয়েকদিন বাংকারে আটকে রেখে খাবার ও পানি দেওয়া হয়নি।

আবেগঘন কণ্ঠে আরমান বলেন, আমরা তো এই জীবন চাইনি। ছোটোখাটো কাজ করে পরিবার নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলাম। আমার পাঁচ মাসের একটি কন্যাসন্তান আছে। আমরা মুসলিম, চাই দেশে গিয়ে মরতে, যেন জানাজা হয়। এভাবে শেয়াল-কুকুরের মতো মরতে চাই না। আমাদের বাঁচান।

ভিডিওটি প্রকাশের পর আরমানের পরিবারে উদ্বেগ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আরমানের বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, তার ছেলের সঙ্গে সর্বশেষ দুদিন আগে কথা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা রাশিয়ার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু কোনো সহযোগিতা পাইনি। দূতাবাস বলেছে, তারা নাকি স্বেচ্ছায় চুক্তিতে সই করেছে। কিন্তু আমার বিশ্বাস, বন্দুকের মুখে তাদের দিয়ে সই করানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ছেলের যুদ্ধক্ষেত্রে আটকে থাকার খবর জানার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা চরম মানসিক কষ্টে আছেন। বিশেষ করে আরমানের মা সারাক্ষণ কান্নাকাটি করছেন। আরমানের পাঁচ মাস বয়সী মেয়ের নাম আরশি।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহবুবুল আলম সুমন বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং খোঁজ নিয়ে প্রশাসনকে অবহিত করবেন।

জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আফসানা তাসলিম বলেন, পরিবার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিস্তারিত তথ্য জেনে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, তা বিবেচনা করা হবে।

আরও পড়ুন

এদিকে, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দুই বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পরিবারগুলোরও একমাত্র প্রত্যাশা যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে তাদের স্বজনরা যেন জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরতে পারেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
খুলনায় ১৫১ পূজামণ্ডপে প্রায় ১২ লাখ টাকার অনুদান
খুলনার পাইকগাছায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৫১টি পূজামণ্ডপে ১১ লাখ ৯২ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে খুলনা জেলা পরিষদ ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহমিদা হকের পক্ষ থেকে এসব চেক বিতরণ করা হয়। খুলনা জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক। প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফাহমিদা হক বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা আমাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। এ জন্য আমরা আপনাদের কাছে চিরঋণী। সেই দায়বদ্ধতা থেকে আমরা আপনাদের পাশে আছি। প্রধানমন্ত্রীও সব সময় আপনাদের পাশে আছেন। প্রধান বক্তা এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি বলেন, আমাদের কাছে সংখ্যালঘু বলে কোনো শব্দ নেই। এ ধারণা মুছে ফেলতে হবে। আমরা একে অপরের ভাই, বোন ও বন্ধু। আমরা সবাই বাংলাদেশি। ঐক্যবদ্ধভাবে যার যার ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা সার্বিক সহযোগিতা করবেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, খুলনা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ১৫১টি পূজামণ্ডপে প্রতিটিতে সাত হাজার টাকা করে অনুদানের চেক দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সংসদ সদস্য ফাহমিদা হকের পক্ষ থেকে ২৭টি পূজামণ্ডপে প্রতিটিতে পাঁচ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে অনুদানের পরিমাণ ১১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির নেতা ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহসভাপতি আশরাফুল আলম নান্নু, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম এমদাদুল হক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ এবং পুলিশের ওসি (অপারেশন) জুলফিকার আলী। এ সময় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি প্রাণকৃষ্ণ দাস, সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রী শেখর দে এবং পৌরসভা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি বাবুরাম মণ্ডলসহ স্থানীয় নেতারা। আরটিভি/টিআর
খুলনায় ১৫১ পূজামণ্ডপে প্রায় ১২ লাখ টাকার অনুদান
‘গভীর রাতে’ ধানক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে, কৃষকের মাথায় হাত
রংপুরের পীরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমন ধানক্ষেতে কীটনাশক ছিটিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকার ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই এলাকার ১৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আবদুর রহমান। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর রাতে উপজেলার বড়দরগাহ ইউনিয়নের চাপাবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারীর দাবি, বিরোধপূর্ণ জমিটির মালিকানা তিনি ও তার ওয়ারিশরা পৈতৃক সূত্রে লাভ করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। জমিটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। লিখিত অভিযোগে আবদুর রহমান উল্লেখ করেন, চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তারা আমন ধান রোপণের পাশাপাশি মাসকলাই বপন করেন। ফসলের পরিচর্যাও চলছিল। তার অভিযোগ, গত ১০ অক্টোবর রাতে অভিযুক্ত ১৬ জন দলবদ্ধ হয়ে আশিকুর রহমানের নির্দেশে স্প্রে মেশিন দিয়ে ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করেন। এতে তার ও তার ওয়ারিশদের চাষ করা ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় তিন লাখ টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল খালেক মিয়া বলেন, প্রায় দুই একর জমিতে ধান রোপণের পর গভীর রাতে এভাবে ফসলের ক্ষতি করা হয়েছে। এতে আবদুর রহমানদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা গ্রামবাসী চাই, তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হোক। অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম ও রাজু মিয়া বলেন, আমাদের জমিতে আমরা কেন স্প্রে করব? কে বা কারা স্প্রে করেছে, সেটি জানি না। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ওলি আহাদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের কৃষি প্রণোদনার আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক বলেন, এ ঘটনায় দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
‘গভীর রাতে’ ধানক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে, কৃষকের মাথায় হাত
সীমান্তে আনা হলো ভারতীয় নারীর মরদেহ, শেষবার মাকে দেখলেন বাংলাদেশ থাকা মেয়ে
মায়ের শেষ মুখটি একনজর দেখার সুযোগ করে দিতে মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তের শূন্যরেখায় আনা হয় ভারতীয় এক বৃদ্ধার মরদেহ। এ সময় সীমান্তে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা। বুধবার (১৩ অক্টোবর) রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছা. জায়রা খাতুন (৭০)।  মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষবারের মতো তার মুখ দেখার আবেদন জানান বাংলাদেশে থাকা মেয়ে ও স্বজনেরা। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে মানবিক উদ্যোগে সাড়া দেয় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ।  তাদের সহযোগিতায় মুজিবনগর সীমান্তের ১০৯ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে শূন্যরেখায় মরদেহটি আনা হয়। সেখানে প্রায় ২০ মিনিট মরদেহ রাখা হয়। এ সময় মেয়ে হাফিজা খাতুনসহ স্বজনেরা শেষবারের মতো জায়রা খাতুনের মুখ দেখেন এবং আবেগঘন পরিবেশে তাকে বিদায় জানান। পরে মরদেহটি আবার ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। মৃত নারী জায়রার মেয়ে হাফিজা খাতুন বাংলাদেশের মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা ফিকির আলীর স্ত্রী। ঘটনাস্থলে বিজিবির পক্ষে নাজিরাকোনা বিওপির টহল কমান্ডার হাবিলদার মো. শরিফুল ইসলামসহ ৫ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, বিএসএফের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেক্টর এস কে রয়সহ ৫ সদস্য। আরটিভি/এসআর
সীমান্তে আনা হলো ভারতীয় নারীর মরদেহ, শেষবার মাকে দেখলেন বাংলাদেশ থাকা মেয়ে
হঠাৎ পাসপোর্ট অফিসে এমপি মানিক, ধরলেন ৩ দালাল
চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্য ও সেবার মান যাচাই করতে ঝটিকা অভিযান চালিয়েছেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। এ সময় পাসপোর্ট অফিসে দালালির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে পাসপোর্ট অফিস পরিদর্শনে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন সংসদ সদস্য। এ সময় পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে কেউ হয়রানি, অনিয়ম কিংবা দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন কি না, তা জানতে চান তিনি। পরে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, পাসপোর্ট অফিসে এসে যা দেখলাম, আসলেই এখানকার পরিবেশ ভালো না। দেশের উন্নয়ন ও সেবার মান নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা মাঝেমধ্যে পাসপোর্ট অফিসে এসে খোঁজখবর রাখবেন। আমরা চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত ও দালালমুক্ত হিসেবে দেখতে চাই। সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সহজে পাসপোর্ট সেবা পেতে পারেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, আটক তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/টিআর
হঠাৎ পাসপোর্ট অফিসে এমপি মানিক, ধরলেন ৩ দালাল
প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় যে কাণ্ড ঘটালেন কালু
নোয়াখালীর সুধারামে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় এক মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি রবিউল হোসেন ওরফে কালু (১৯)কে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন(এসআরবি)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু। বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে নোয়াখালীর কবিরহাটের ধানশালিক ইউনিয়নের চরমণ্ডলিয়া এলাকার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রবিউল হোসেন ওরফে কালু নোয়াখালীর সুধারাম থানার নেয়াজপুর ইউনিয়নের ধন্যপুর এলাকার বাসিন্দা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্রী। গত ৫ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে সুধারাম থানা‍য় বাদীর রান্নাঘরের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে রবিউল তাকে ধর্ষণ করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁকে সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু আরও বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে তাঁদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আরটিভি/টিআর
প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় যে কাণ্ড ঘটালেন কালু
আরও পড়ুন
রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের
রাশিয়ার বৃহত্তম তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের ভয়াবহ হামলা
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দুই বাংলাদেশির আকুতি
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত জামায়াত নেতার ছেলে