
মায়ের শেষ মুখটি একনজর দেখার সুযোগ করে দিতে মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তের শূন্যরেখায় আনা হয় ভারতীয় এক বৃদ্ধার মরদেহ। এ সময় সীমান্তে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা।
বুধবার (১৩ অক্টোবর) রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছা. জায়রা খাতুন (৭০)।
মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষবারের মতো তার মুখ দেখার আবেদন জানান বাংলাদেশে থাকা মেয়ে ও স্বজনেরা। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে মানবিক উদ্যোগে সাড়া দেয় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ।
তাদের সহযোগিতায় মুজিবনগর সীমান্তের ১০৯ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে শূন্যরেখায় মরদেহটি আনা হয়। সেখানে প্রায় ২০ মিনিট মরদেহ রাখা হয়। এ সময় মেয়ে হাফিজা খাতুনসহ স্বজনেরা শেষবারের মতো জায়রা খাতুনের মুখ দেখেন এবং আবেগঘন পরিবেশে তাকে বিদায় জানান। পরে মরদেহটি আবার ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
মৃত নারী জায়রার মেয়ে হাফিজা খাতুন বাংলাদেশের মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা ফিকির আলীর স্ত্রী।
ঘটনাস্থলে বিজিবির পক্ষে নাজিরাকোনা বিওপির টহল কমান্ডার হাবিলদার মো. শরিফুল ইসলামসহ ৫ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, বিএসএফের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেক্টর এস কে রয়সহ ৫ সদস্য।
আরটিভি/এসআর




