ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা পেয়ে ২২০ নারীর মুখে স্বস্তির হাসি

নোয়াখালী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা নিতে আসা নারীরা : ছবি আরটিভি

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় নোয়াখালীর কবিরহাটে ২২০ জন অসহায় ও দুস্থ নারীর হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে। এ সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীদের মুখে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি ফুটে ওঠে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে কবিরহাট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. ফখরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এই আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের বিশেষ বরাদ্দ থেকে কবিরহাট উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ১৪০ জন, কবিরহাট পৌরসভার ৪০ জন এবং নোয়াখালী সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ও নেওয়াজপুর ইউনিয়নের ৪০ জনসহ মোট ২২০ জন অসহায় নারীর হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

এ সময় কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন, কবিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজ মঞ্জু, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব সৌরভ হোসেন কামালসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং উপকারভোগীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভাঙা বাঁশের সাঁকোয় দুর্ভোগে আট গ্রামের মানুষ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বারোমাসিয়া নদীর ওপর নির্মিত প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোর অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুই পাড়ের অন্তত আট গ্রামের হাজারো মানুষ। প্রায় দুই থেকে তিন মাস ধরে সাঁকোটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সাঁকোর এমন অবস্থায় বাধ্য হয়ে কেউ বুকসমান পানি পেরিয়ে, কেউ সাঁতরে আবার কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন। সাঁকোটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্করা। ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকায় নবিউলের ঘাট নামে পরিচিত বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীর ওপর নির্মিত ৩০০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোটির দক্ষিণ পাশের মাঝামাঝি প্রায় ১৫০ ফুট অংশ ভেঙে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় চার দশক ধরে এ নদী পারাপারে ছোট ছোট ডিঙি ও মাঝারি আকারের নৌকা ব্যবহার করতেন দুই পাড়ের মানুষ। করিমের ঘাট ও নবিউলের ঘাট নামে পরিচিত স্থানে ইজারাদারের মাধ্যমে নৌকায় পারাপার হতেন তারা। পরবর্তী সময়ে নদীর প্রস্থ কমে গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে প্রায় দেড় যুগ ধরে এ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে আসছেন। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের আগে স্থানীয় উদ্যোগে সাঁকোটি মেরামত করা হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় বাঁশের পাটাতন ও কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে সাঁকোটির কয়েকটি স্থানের বড় অংশ ভেঙে যায়। এরপর থেকেই ওই এলাকার হাজারো মানুষের দুর্ভোগ শুরু হয়। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী, চরগোরকমণ্ডল, ঝাউকুটি, পশ্চিম ফুলমতি, নাওডাঙ্গা ও শিমুলবাড়ী এলাকার হকবাজারসহ পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের চরখারুয়া ও খারুয়া গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মিনতি রানী জানান, দুই-তিন মাস ধরে অনেক কষ্ট করে নদী পারাপার হচ্ছি। কিন্তু কেউ আমাদের খোঁজ নিতে আসেননি। ছেলেমেয়েদেরও অনেক কষ্ট করে নদী পার হয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে। আমরা আর এ দুর্ভোগ সহ্য করতে পারছি না। দ্রুত সাঁকোটি মেরামত করা হোক। শিক্ষার্থী সুমন মিয়া, শাকিব ও সাইফুল ইসলাম জানায়, সাঁকোটি দিয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে তাদের খুব কষ্ট হয়। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সাঁকো পার হতে হয়। নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী জানান, ভেঙে যাওয়া সাঁকোটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। এটি নির্মাণ করা হলে দুই পাড়ের হাজারো মানুষের দুর্ভোগ দূর হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান জানান, সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। সেখানে একটি টেকসই বাঁশের সাঁকো নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
ভাঙা বাঁশের সাঁকোয় দুর্ভোগে আট গ্রামের মানুষ
সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের দূর্বাকান্দা গ্রামে ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম ও আব্দুল সহিদের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেলে ইউপি সদস্য কামাল মিয়া তার অসুস্থ এক স্বজনকে দেখতে আব্দুল সহিদকে বাড়িতে আসতে বলেন। আব্দুল সহিদ কামাল মিয়ার বাড়িতে গেলে সেখানে তাকে মারধর করে আহত করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার দুপুরে আব্দুল সহিদের নেতৃত্বে গ্রামের খোকন মিয়া, সুহেল মিয়া, জাহিদ হাসান, মতিন মিয়া, আলকাছ মিয়া, রাজু মিয়া, নাদির মিয়া, কামাল মিয়া, ছামির মিয়া, আব্দুল কাদির, মোহাম্মদ আলী, শাহজাদা, জিয়াউর রহমান ও মহিবুর রহমান দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় রামদা, সুলফি, জাটা ও কিরিচসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। হামলায় ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম, আজমান আলী, সুয়েব মিয়া, ফাজিল মিয়া, রিয়াজ উদ্দিন, সুজাত মিয়া ও নার্গিস বেগমসহ অন্তত ১৮ জন আহত হন। গুরুতর আহত সাহাজ উদ্দিন ও আজমান আলীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম জানান, গ্রামবাসী সামাজিক সালিশের মাধ্যমে হামলায় জড়িত আব্দুল সহিদসহ কয়েকজনকে একঘরে করে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। ওই সিদ্ধান্ত ঘোষণাকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন এ সংঘর্ষে জড়ান বলে তিনি দাবি করেন। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল সহিদ বলেন, আগে সাইদুল মেম্বারের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করেন। আমরা প্রতিরোধ করলে সংঘর্ষ হয়। এতে আমিসহ আমাদের পক্ষের সাতজন আহত হয়েছেন। শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল্লাহ বলেন, আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম ও আব্দুল সহিদের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ১৫ থেকে ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলেও জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০
মন্ত্রীর প্রটোকলের ফাঁকে এসিল্যান্ডের সেলফি, ছবি ভাইরাল
সরকারি দায়িত্ব পালনের ব্যস্ততার ফাঁকে প্রকৃতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নিজের কিছু মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৈত্রী রায়। চুনারুঘাটের চণ্ডীছড়া চা-বাগানে তোলা তার কয়েকটি সেলফি ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিগুলো পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘প্রটোকলের ফাঁকে সেল্ফ প্রটোকল, চণ্ডীছড়া চা-বাগান, চুনারুঘাট।’ ছবিগুলোর সঙ্গে হাবিব ওয়াহিদের একটি রোমান্টিক গানও যুক্ত করেন তিনি। জানা যায়, সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সফর উপলক্ষে সরকারি দায়িত্ব ও প্রটোকল পালনের সময় মাধবপুর ও চুনারুঘাটের চণ্ডীছড়া চা-বাগানে এসব ছবি তোলেন তিনি। মৈত্রী রায় ইতোমধ্যে বাল্যবিবাহ বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, জরিমানা আদায়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এলাকায় আলোচনায় এসেছেন। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল চর্চার প্রতিও তার আগ্রহ রয়েছে বলে বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যে উঠে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পোস্টে মন্তব্য করে স্থানীয় সাংবাদিক এমএ কাদের লেখেন, প্রটোকলের ব্যস্ততার মাঝেও প্রকৃতির সঙ্গে এমন কিছু মুহূর্ত নিজেকে নতুন করে আবিষ্কারের সুযোগ করে দেয়। চণ্ডীছড়া চা-বাগানের অপরূপ সৌন্দর্যের সঙ্গে আপনার এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছবিগুলোকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। দায়িত্বের বাইরে এমন সুন্দর মুহূর্তগুলোই একজন মানুষের ব্যক্তিত্বের অন্যরকম দিক তুলে ধরে। এ বিষয়ে এসিল্যান্ড মৈত্রী রায় বলেন, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস মানুষের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। প্রতিটি কাজই সুন্দরভাবে করার চেষ্টা করি। আরটিভি/টিআর
মন্ত্রীর প্রটোকলের ফাঁকে এসিল্যান্ডের সেলফি, ছবি ভাইরাল
ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ লিখে আসছিলেন ইউনানি চিকিৎসক
ইউনানী চিকিৎসক দিয়ে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এদিকে, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অন্যটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন এ অভিযান চালায়।  অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীম বিনতে মুস্তাফিজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সাথে ছিলেন। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পান যে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি রোগী দেখছেন। তিনি এমবিবিএস চিকিৎসক নন, ইউনানী চিকিৎসক। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ লিখে আসছিলেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সেলিম হোসেনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকার ইসলামী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। সেখানে হাবিবুর রহমান নামে একজন ডিএমএফ চিকিৎসক রোগী দেখছিলেন। অনিয়ম ও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়। সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা বাসসকে বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগে কোনো অনিয়ম বা অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, অপচিকিৎসা রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ লিখে আসছিলেন ইউনানি চিকিৎসক
স্কুলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি
গোপালগঞ্জে শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে সরকারি জেলা স্কুলের ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র (টিসি) দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওই ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। গত ৬ অক্টোবর দুপুরে স্কুলে টিফিনের পর ক্লাসরুমের সামনের বারান্দায় স্লোগান দেয় স্কুলটির অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণীর কয়েকজন শিক্ষার্থী। সেখানে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাঁসবে’ বলে শ্লোগান দেয়। পরে সেই ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।  পরে, ৭ অক্টোবর স্কুলের সহকারী শিক্ষক মো. ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও পর্যালোচনা করে ৪ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তারপর ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, স্কুলে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া হয়। পরে ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে তদন্ত প্রতিবেদন ৪ নভেম্বর প্রধান শিক্ষকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদেরকে স্কুল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউল হক বলেন, গত ৬ অক্টোবর স্কুলের মধ্যে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পক্ষে স্লোগান দেয় কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় আমি নামাজে ছিলাম। পরে নামাজ থেকে আসার পরে গোয়েন্দা সংস্থা থেকে আমাকে ফোন করে মিছিলের বিষয়ে জানতে চায়। পরে আমি অন্যান্য শিক্ষকদের কাছে শুনে বিষয়টি নিশ্চিত হই  স্কুলে এই ধরনের মিছিল বা স্লোগান দেওয়া হয়েছে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পক্ষে-বিপক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন অনেকে।  আরটিভি/টিআর
স্কুলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি
আরও পড়ুন
নারীর ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব বিকাশে সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের
ভুয়া তথ্যে করোনার ১৮ মিলিয়ন ডলারের অনুদান লুট, অভিযুক্ত মার্কিন নারী 
বিশ্বজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে বাড়ছে গর্ভকালীন জটিলতা, ঝুঁকিতে মা-শিশু
ইতিহাস গড়েও নেভি সিলের কঠিন পরীক্ষায় টিকলেন না দুই নারী