ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আওয়ামী লীগের দাফন দিল্লিতে হয়ে গেছে: সারজিস

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
ছবি: আরটিভি

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং দেশের মানুষকে বাংলাদেশপন্থী রাজনৈতিক শক্তিকে বেছে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে পাবনার চাটমোহরের বালুচর মাঠে আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সারজিস আলম বলেন, আওয়ামী লীগের দাফন দিল্লিতে হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে। এখন দেশের মানুষকে বাংলাদেশপন্থী রাজনৈতিক শক্তিকে বেছে নিতে হবে।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন সরকারি সেবা পেতে রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারস্থ হতে হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার জন্য রাজনৈতিক প্রভাবকে দায়ী করে তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালের খাবার সরবরাহের টেন্ডারেও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে রোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটিতে যোগ্য ব্যক্তিদের পরিবর্তে অযোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। সমাজ থেকে মাদক, চাঁদাবাজি, অবৈধ ব্যবসা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার দূর করারও আহ্বান জানান তিনি।

সারজিস আলম বলেন, কোনো দল শুধু ক্ষমতায় থাকলেই তাদের নেতা-কর্মীরা প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেন না। তিনি জনগণের প্রতি সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, চাঁদাবাজি ও লুটপাটের রাজনীতি থেকে দেশকে বেরিয়ে আসতে হবে।

এনসিপির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলের বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হলেও এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এসব অভিযোগকে তিনি রাজনৈতিক অপপ্রচার বলে দাবি করেন।

শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রশাসনের দলীয়করণ, গুম, গ্রেপ্তার ও দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে সারজিস আলম বলেন, প্রশাসনকে কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
‘জুলাই গণহত্যার বিচারের ভয়েই প্রবাসে বসে উসকানি-সন্ত্রাস চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ’
ইটভাটায় চাঁদার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫
বাংলাদেশে শেখ হাসিনার মরদেহ দাফনের সাহসও আ.লীগের কারও নেই: রাশেদ খাঁন
পাইকগাছায় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ গোলদার গ্রেপ্তার