ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মক্তব থেকে ডেকে নিয়ে শিক্ষার্থীর মুখে কাপড় গুঁজে ধর্ষণ, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
প্রতীকী ছবি

কুষ্টিয়ায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত রিফাত প্রামাণিক (১৭) বানিয়াপাড়া এলাকার আসলাম প্রামাণিকের ছেলে। সে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।

পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ১০ বছরের শিশুটি নানার বাড়ি থেকে স্থানীয় স্কুলে পড়াশোনা করে। প্রতিদিনের মতোই সে সকালে বাড়ির পাশে একটি মক্তবে কোরআন পড়তে যায়। পড়া শেষে বৃষ্টির কারণে মক্তবেই অবস্থান করছিল শিশুটি। শিশুটির সঙ্গে অভিযুক্ত রিফাতের বোনও একই মক্তবে পড়ে।

মক্তব থেকে বোনকে বাড়িতে রেখে আবারও মক্তবে আসে রিফাত। পরে সেখান থেকে রিফাত শিশুটিকে জানায় তার বোন পাশের বাসায় অবস্থান করছে এবং তাকে ডাকছে। এ সময় শিশুটিকে ছাতার মধ্যে করে মক্তবের পাশে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে সে হাত-পা বেঁধে মুখে কাপড় গুঁজে ধর্ষণ করে।

স্থানীয় এক ব্যক্তি রাস্তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কান্নার আওয়াজ শুনে পরিত্যক্ত ঘরে মধ্যে গিয়ে দেখেন রিফাত শিশুটিকে ধর্ষণ করছে। ওই ব্যক্তির উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত রিফাত পালিয়ে যায়।

এরপর স্থানীয় ওই ব্যক্তি শিশুটিকে উদ্ধার করে তার নানার বাড়িতে দিয়ে আসেন। পরে তাকে উদ্ধার করে বিকেলে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

আরও পড়ুন

ভুক্তভোগী শিশুর দাদা বলেন, ছোট থেকে নাতনি তার নানা বাড়িতে বড় হয়েছে। সেখানে পড়াশোনা করে। দুপুরে জানতে পারলাম নাতনিকে প্রতিবেশী রিফাত নামে এক ছেলে ধর্ষণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বিচারের আশায় থানায় আসছি, মামলা করেছি। আমরা রিফাতের কঠিন শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। মামলা রেকর্ড হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে শিশুটির ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তবে ঘটনার পরপরই আসামি পলাতক। তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
কিশোরীর পেটব্যথা কমাতে মাকে তেল-পানি আনতে পাঠান মাদরাসার প্রিন্সিপাল, অতঃপর...
ছাত্রীর মাকে নিজের ‘আসল রূপ’ দেখালেন মাদরাসাশিক্ষক
মেয়েকে দেখার ছলে প্রায়ই সাবেক স্ত্রীর বাসায় যেতেন পলাশ, অতঃপর...