ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটিকে স্বাগত জানালেন রোহিঙ্গারা

কক্সবাজার প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটিকে স্বাগত জানালেন রোহিঙ্গারা। প্রতীকী ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ১১ সদস্যের ‘রোহিঙ্গা বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করেছে সরকার।

সোমবার (১৩ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নবগঠিত এ কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছে রোহিঙ্গাদের নাগরিক সংগঠন ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গা (ইউসিআর)।

একই সঙ্গে সংগঠনটি জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছাসেবী ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে তারা সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

এক বিবৃতিতে ইউসিআর জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় কৌশল প্রণয়ন কমিটি রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হিসেবে ইউসিআর বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, জাতীয় কমিটি, বাংলাদেশ সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে তারা গঠনমূলকভাবে কাজ করতে চায়। তাদের মতে, টেকসই প্রত্যাবাসন কৌশল প্রণয়নের ক্ষেত্রে শরণার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, উদ্বেগ ও প্রত্যাশাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

বিবৃতিতে দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও দেশের জনগণের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

সংগঠনটি আশা করছে, প্রণীত জাতীয় কৌশলে রোহিঙ্গাদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং মর্যাদাপূর্ণ স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের বিষয়টি যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে এবং রাখাইন রাজ্যে তাদের পূর্বপুরুষের ভূমিতে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার পথ সুগম হবে।

ইউসিআর বলছে, রোহিঙ্গা সংকট কেবল বাংলাদেশের নয়, এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও একটি যৌথ দায়িত্ব। তাই বাংলাদেশের নতুন উদ্যোগকে সফল করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

ইউসিআর সংগঠক মাস্টার সৈয়দউল্লাহ বলেন, ক্যাম্পে অবস্থানরত প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার প্রধান আকাঙ্ক্ষা হলো দ্রুত, নিরাপদ ও টেকসইভাবে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া। মানবিক আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশ সরকারের নতুন এই উদ্যোগ সেই লক্ষ্য অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।

৯০ দিনের মধ্যে একটি সমন্বিত জাতীয় কৌশল তৈরির জন্য বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের পরিকল্পনা বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিকতা ও গুরুত্বের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গঠিত কমিটিতে রয়েছেন-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা।

এতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) প্রধান সমন্বয়ক এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক।

কমিটিকে সহায়তার জন্য পাঁচ কর্মকর্তাকে রাখা হয়েছে। তারা হলেন-শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি), স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি, বিজিবির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন), এনএসআইয়ের পরিচালক (সীমান্ত) এবং সোশ্যাল স্ট্যাবিলিটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (এসএসআইবি) পরিচালক।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ কমিটি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন-সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং আন্তঃসংস্থা বাস্তবায়ন তদারকি করবে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংস্থাগুলোর কার্যপরিধি ও ক্ষেত্র নির্ধারণের দায়িত্বও পালন করবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধান সমন্বয়কের সরাসরি তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গা বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়নের জন্য সদস্য সচিব একটি পর্ষদ গঠন করবেন। এ পর্ষদ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সুনির্দিষ্ট করণীয় নির্ধারণসহ রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য ‘রোহিঙ্গা বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল’ প্রণয়ন করবে।

আগামী তিন মাসের (৯০ দিন) মধ্যে এ কর্মকৌশল প্রণয়ন করে কমিটির কাছে উপস্থাপন করতে হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির ২ ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির ২ ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু
খাল ভরাটে বাধা, ভূমি কর্মকর্তাকে বেধড়ক পিটুনি
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে সরকারি জমি ভরাটে বাধা দেওয়ায় ভূমি কার্যালয়ের কর্মচারীদের মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
খাল ভরাটে বাধা, ভূমি কর্মকর্তাকে বেধড়ক পিটুনি
জ্বালানি তেলের দাম কবে কমাবে সরকার, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
দেশে সব ধরনের তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। হঠাৎ এমন অতিরিক্ত দাম বাড়ানোর কারণে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের দাম কবে কমাবে সরকার, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
মেয়াদ ফুরালেও শেষ হলো না সেতুর কাজ
খুলনার পাইকগাছায় শিবসা নদীর ওপর ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ৭৪৮ মিটার দীর্ঘ সেতুটির কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ৭৬ শতাংশ। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে মূল চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এ সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হচ্ছে না। প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্মাণকাজ শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। লক্ষ্য অনুযায়ী চলতি বছরের শেষ নাগাদ সেতুটির কাজ শেষ হতে পারে। তবে সেতুর কাজ এগোলেও নির্মাণসামগ্রী বহনকারী ভারী ট্রাকের চাপে গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি সংযোগ সড়কের অবস্থান নিয়ে স্থানীয়দের একাংশের আপত্তি রয়েছে। লস্কর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, সেতুর নির্মাণসামগ্রী বহনকারী ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামীণ সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাইনতলা বাজারের সংযোগ সড়ক সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, গিলাবাড়ীর পরিবর্তে গড়ইখালীর সঙ্গে সংযোগ সড়ক হওয়ায় লস্কর ইউনিয়নের অনেক মানুষ সেতুটির প্রত্যাশিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। প্রকাশ সরকার সংশয় নিয়ে বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে মুল ব্রিজের কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। কারণ সড়কের জন্য জমি অধিগ্রহণ এখনো করা হয়নি। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ব্রিজ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণে কত বছর লাগবে সেটাই ভাবছি। লাভলু সানা নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, প্রথমে ব্রিজের সংযোগ সড়কটি খড়িয়া খালপাড় হয়ে বগুড়ারচক দিয়ে গিলাবাড়ি পর্যন্ত হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শুধুমাত্র ব্রিজ হচ্ছে। সংযোগ সড়ক হচ্ছেনা। ফলে কয়রা উপজেলায় মানুষ এখন এ ব্রিজের সুবিধা ভোগ করতে পারবে না। এ ছাড়া সেতু নির্মাণের কারণে শিবসা নদীতে পলি জমে নাব্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কয়েকজন। এতে ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা বা বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে তাঁদের ধারণা। তবে এ আশঙ্কার পক্ষে কোনো কারিগরি সমীক্ষার তথ্য পাওয়া যায়নি। পাইকগাছা জিসি-লস্কর বাজার, বাইনতলা, বগুড়ারচক, শুড়িখালী, ভান্ডারপোল ও গিলাবাড়ী জিসি সড়কের ২ হাজার ৩০০ মিটার চেইনেজে সেতুটির অবস্থান। লস্কর ও গড়ইখালী ইউনিয়নের লস্কর গ্রামের শিবসা নদীর ওপর নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭৪৮ মিটার এবং প্রস্থ ৯ দশমিক ৮ মিটার। ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড (এনডিই) ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু করে। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, সেতুটির ২৪০টি পাইলের সবগুলোর কাজ শেষ হয়েছে। দুই পাড়ে প্রায় ২ দশমিক ৭১ একর জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। জমি পরিদর্শনের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পের প্রায় ৭৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। মূল চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা শেষ হচ্ছে না। ফলে চুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম ও ব্যবসায়ী তেজেন মণ্ডল বলেন, চিকিৎসা ও জরুরি প্রয়োজনে তাঁদের খুলনায় যেতে দীর্ঘ পথ ঘুরতে হয়। শিবসা নদী পারাপারের বর্তমান ব্যবস্থা এবং শিববাটী সেতু হয়ে যাতায়াতের কারণে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ে। নতুন সেতু চালু হলে এ দুর্ভোগ কমবে। ব্যবসায়ী আলীমুজ্জমান বলেন, সেতুটি দ্রুত চালু হলে ঘেরের মাছসহ কৃষি ও ব্যবসাপণ্য সহজে খুলনায় নেওয়া যাবে। এতে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যও বাড়বে। পল্লী সড়ক (সিআইবিআরআর) প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এ সেতু চালু হলে পাইকগাছার সঙ্গে খুলনা শহরের সরাসরি যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি আশপাশের কয়েকটি উপজেলার মানুষও এর সুফল পাবেন। প্রকল্পের ম্যানেজার সাহেব আলী বলেন, সেতুর প্রায় ৭৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে চলছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী শাফীন সোহেব ও উপসহকারী প্রকৌশলী সজল বিশ্বাস বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। লস্কর প্রান্তে তিন রাস্তার মোড়ে একটি গোলচত্বর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল সহজ হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, সেতুটি চালু হলে একাধিক উপজেলার মানুষের যোগাযোগ সহজ হবে। নির্মাণকাজ শেষ করে দ্রুত সেতুটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কার করা হবে। একই সঙ্গে সংযোগ সড়কের অবস্থান নিয়ে স্থানীয়দের আপত্তিও বিবেচনায় নেওয়া হবে। তাঁদের মতে, শুধু সেতু নির্মাণ শেষ করলেই হবে না, নিরাপদ ও কার্যকর সংযোগ সড়ক নিশ্চিত হলেই এর সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাবে। আরটিভি/এমএইচজে
মেয়াদ ফুরালেও শেষ হলো না সেতুর কাজ
৭১-এর পরাজিত শক্তিরা এখন ভারতের সাথে হাত মিলিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ৭১-এর পরাজিত শক্তিরা এখন ভারতের সাথে হাত মিলিয়েছে, যারা দেশের মানুষকে গুম, খুন করেছে সেই ফ্যাসিস্টদের সাথেও তারা হাত মিলিয়েছে।
৭১-এর পরাজিত শক্তিরা এখন ভারতের সাথে হাত মিলিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আরও পড়ুন
গোসলে গিয়ে আর ফেরা হলো না শাহীনের 
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
সাবেক এমপি জাফর আলম কারাগারে
কক্সবাজারে বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ মন্ত্রী