ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

এক রাতেই দখল হয়ে গেলো ৬১ বছরের পুরোনো ঈদগাহ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ পিএম
ছবি: আরটিভি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সরকারি জায়গায় অবস্থিত ৬১ বছরের পুরোনো ঈদগাহ মাঠের জায়গা নিজের দাবি করে দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক গ্রাম্য প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। পাশাপাশি দখলের জানান দিতে ওই প্রভাবশালী ঈদগাহ মাঠের ইটের সীমানা প্রাচীর ভেঙে নতুন করে টিনের বেড়া দিয়েছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে ঈদগাহ মাঠে টিনের বেড়া দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন, ওই গ্রামের প্রভাবশালী মো. জিয়াউল হকের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা দেশিগ্রাম ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের পাকা গ্রামীণ সড়কসংলগ্ন সাত শতক জায়গায় প্রায় ৬১ বছর আগে থেকে ঈদগাহ মাঠ হিসেবে জায়গাটি ব্যবহার করে আসছেন গ্রামবাসী। ২০২৬ সালেও ঈদের নামাজ আদায়ের পাশাপাশি দেওড়া গ্রাম ঈদগাহ মাঠ কমিটির পক্ষে ওই জায়গার লিজও নবায়ন করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি একই গ্রামের প্রভাবশালী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঈদগাহ মাঠের জায়গাটি নিজের দাবি করে গ্রামবাসীর সঙ্গে বিরোধে জড়ান। পাশাপাশি রোববার রাতে জাহাঙ্গীর হোসেন তার লোকজন নিয়ে ঈদ মাঠের পুরোনো ইটের প্রাচীর ভেঙে জোরপূর্বক জায়গাটি দখল নেন। একই সঙ্গে ঈদমাঠের সাত শতক জায়গা টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলেন।

আরও পড়ুন

সোমবার সকালে হঠাৎ করে গ্রামবাসী ঈদ মাঠের চারদিকে টিনের বেড়া দেখে নিশ্চিত হন যে, পুরোনো ঈদগাহ মাঠটি দখল হয়ে গেছে। তখন গ্রামীবাসী জরুরি সেবা নম্বরে ৯৯৯-এ কল করেন। কিন্তু প্রশাসনের কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিকার পেতে সোমবার বিকেলে দেওড়া ঈদগাহ কমিটি সদস্য আলম জাহাঙ্গীর তাড়াশ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযুক্ত মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঈদগাহ মাঠ দখলের কথা স্বীকার করে বলেন, জায়গাটি আমার পৈতৃক সম্পত্তি। কিন্তু গ্রামবাসীর বাধায় তা দখল নিতে পারিনি। এখন সময় হয়েছে তাই আমি জায়গাটির দখল বুঝে নিয়েছি।

এ বিষয়ে দেওড়া ঈদগাহ কমিটি সদস্য আলম জাহাঙ্গীর বলেন, ঈদগাহের জায়গাটি মূলত সরকারি সম্পত্তি। যা আমরা আইন মোতাবেক ঈদ মাঠ হিসেবে লিজ নিয়ে বহু বছর ধরে দুটি ঈদের নামাজ পড়ে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি দখলদার জায়গাটি ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে তা দখল করে নিয়েছে। এটা অন্যায়।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে তাড়াশ সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ জেএম নাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তের জন্য দেশিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। তবে দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও নিবন্ধন আটকে রেখে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরে আরও ২০ হাজার টাকা ‘কমিশন’ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন উমেদার রূপণ দাশ। ঘুষ নেওয়ার সময় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসেনের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপণ দাশ দাবি করেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশেই তারা দুই লাখ টাকা নিয়েছিলেন। জবানবন্দি গ্রহণের পর তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর রেজাউল করিম রনি। অভিযান পরিচালনাকারী ফাঁদ টিমের নেতৃত্বে থাকা দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমিন বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তিনি বলেন, পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য তারা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন। এক ভুক্তভোগী আইনজীবী প্রথমে হটলাইন ১০৬ এবং পরে দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কৌশলে হাতেনাতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের পিপি রেজাউল করিম রনি বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম জানিয়েছেন, সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহানের নির্দেশে তিনি দুই লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। ওই টাকা উমেদার রূপণ দাশের মাধ্যমে তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। সেই অর্থ নেওয়ার সময়ই দুদকের দল কার্যালয়ে অভিযান চালায়। এদিকে উমেদার রূপণ দাশ তার জবানবন্দিতে বলেন, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই কার্যালয়ে কর্মরত। যে দলিল নিবন্ধনের ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটির সরকারি ফি ছিল ১৫ হাজার টাকা। এর বাইরে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। জবানবন্দিতে রূপণ দাশ আরও বলেন, প্রথমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে আরও ২০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল। দলিলদাতাদের একজন উপস্থিত হতে না পারায় ওই টাকা তার বাসায় গিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার দাবি, দলিলটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সাবরেজিস্ট্রারের নির্দেশে বাড়তি দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। আদালত সূত্র জানায়, এ ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে পরে মামলা করা হয়। বুধবার গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে সাবরেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান জবানবন্দি দেননি। অপর দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আরটিভি/এসআর
১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে স্থায়ী অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্র থেকে তাকে পাঠানো এক নোটিশে এ বার্তা দেওয়া হয়। এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আরও বলা হয়, অভিযোগের তীব্রতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী আপনাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। উল্লেখ্য, অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে এনসিপির ফরিদপুরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে (৪০) ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত এনসিপি নেতার মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ নামের ওই কারখানায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। আরটিভি/এসআর
এনসিপির এক নেতা স্থায়ী বহিষ্কার
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের প্যাকেট ভেবে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নিয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে সেটি খুলে দেখেন, ভাত নয়-ভেতরে রয়েছে মিষ্টি। প্রচণ্ড ক্ষুধায় সেখান থেকে কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন নুর মোহাম্মদ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যশোর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর আমলি) আদালতে শুনানি শেষে বিচারক সঞ্জয় পাল তাকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন।  এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত এক ব্যক্তি তাকে ১০০ টাকা সহায়তা করেন। সেই অর্থ থেকেই জরিমানার ৫০ টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর রেলস্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। নড়াইলের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ যশোরের ঝিকরগাছার একটি কাঁচামালের আড়তে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কাজ শেষে তিনি যশোর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন।  একপর্যায়ে প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত হয়ে পড়লেও তার কাছে খাবার কেনার টাকা ছিল না। এ সময় খাবারের প্যাকেট মনে করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি প্যাকেট কেড়ে নেন তিনি। পরে প্যাকেট খুলে মিষ্টি দেখতে পান এবং কয়েকটি মিষ্টি খেয়ে ফেলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার জিআরও এসআই হেলালুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধের পর নুর মোহাম্মদকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আদালতে ৫০ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পেলেন মিষ্টি কেড়ে খাওয়া সেই কিশোর
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে আসার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নারী নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়ন থেকে শরীফপুর ইউনিয়নে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন হাছানহাট সংযোগ সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে জিআই তার দিয়ে ঢালায়ের অভিযোগ উঠেছে।
৫ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে জিআই তার ব্যবহার
আরও পড়ুন
চুরি ঠেকাতে সড়কে ১২ বাঁশকল, পরিদর্শনে পুলিশ সুপার
সিরাজগঞ্জে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান
বিএনপির ২১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন জামায়াত নেতা 
লং মার্চে যাওয়ার পথে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম