ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

কুকুর হত্যা মামলায় দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
কুকুর হত্যা মামলায় দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীতে দুটি পোষা কুকুরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে দুই ব্যক্তির নামে মামলা করা হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই) পটুয়াখালী সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আতিউর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দিকের আদালত মামলাটি সরাসরি গ্রহণ করে মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন দক্ষিণ বাদুরা এলাকার মো. মঞ্জু হাওলাদার (৫০) ও মো. জহির হাওলাদার (৪৫)।

আরও পড়ুন

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই সকাল ১১টার দিকে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাদুরা খেজুরতলা স্ট্যান্ড এলাকায় দুটি কুকুরকে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে কাঠের চেড়া ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পটুয়াখালী সদর উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নজরে আসে।

মামলার বাদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আতিউর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারি। পরে যাচাই করে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ইমরান বলেন, প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইন অনুযায়ী এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। আদালত মামলাটি সরাসরি আমলে নিয়েছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আদালত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সীমান্তের যুবকদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দিল বিজিবি
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী যুবকদের দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর সীমান্ত এলাকায় মাসব্যাপী ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়ারিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  কর্মশালা শেষে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ভজনপুর দ্বি- মুখি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া সীমান্ত এলাকার ৩৩ জন বেকার যুবকের হাতে সনদপত্র ও পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন বিজিবি'র ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ।  এ সময় পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস, ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান, ভজনপুর দিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম জিল্লুর, জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) প্রশিক্ষকসহ বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ে সদস্যরা। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ তার বক্তব্যে বলেন, বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক। বিজিবির প্রতিটি সদস্য সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, মানবপাচার ও অস্ত্রপাচারসহ সকল ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে অত্যন্ত পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।  একইসঙ্গে সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণেও বিজিবি মানবিক ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী জনগণের কল্যাণে নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা উপকরণ প্রদানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং যুবসমাজকে দক্ষ করে তুলতে বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার বেকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এ প্রশিক্ষণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য, যাতে তারা প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজ এলাকায় কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে এবং স্বাবলম্বী হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিজিবির পারস্পরিক আস্থা ও সম্পৃক্ততা আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এর আগে, ২৩ আগস্ট বিজিবির ভজনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ভজনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। আরটিভি/এসএস
সীমান্তের যুবকদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দিল বিজিবি
বাঁচার জন্য চিৎকার করছিল সাজিদ, সাঁতার না জানায় পানিতে নামেনি আট বন্ধুর কেউ
 ​রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় কর্ণফুলী নদীতে ডুবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। 
বাঁচার জন্য চিৎকার করছিল সাজিদ, সাঁতার না জানায় পানিতে নামেনি আট বন্ধুর কেউ
মাদকের টাকার জন্য মেয়েকে বিক্রি করেন বাবা
চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে ২০ মাস বয়সী এক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।  পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার বাবা বাসা থেকে নিয়ে গেছেন—এমন অভিযোগ পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পায় পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ। পুলিশ আরও জানায়, ৯৯৯-এ ফোন করে সীমা (২৬) নামে এক নারী অভিযোগ করেন, তার স্বামী লোকমান হোসেন সাগর (২৭) মাদকাসক্ত। তিনি সদরঘাট থানাধীন পানির ট্যাংকি এলাকার বাচ্চু মিয়ার বাসায় বসবাস করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই রাতে লোকমান তার ২০ মাস বয়সী মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে মাদক সেবনের টাকা জোগাড়ের উদ্দেশ্যে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য বাসা থেকে নিয়ে বের হন। খবর পেয়ে সদরঘাট থানার মোবাইল টহল ডিউটির স্পেশাল-২৪ (নৈশ) টিম অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান চালানোর পর রাতেই পশ্চিম মাদারবাড়ির যুগী চাঁদ মসজিদ লেইন এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা শিশু ফাতেমা আক্তারকে তার মা সীমার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/এসএস
মাদকের টাকার জন্য মেয়েকে বিক্রি করেন বাবা
প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে পালালেন এনসিপি নেতা
এ ঘটনায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) শাহরাস্তি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই নারীর শ্বশুর হারুনুর রশিদ। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে পালালেন এনসিপি নেতা
সংসারের হাল ধরতে নামেন ব্যবসায়ে, এখন মাসে আয় লাখ টাকা
একসময় পড়াশোনায় মেধাবী ইমাম হাসানের সামনে ছিল উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। ইচ্ছা ছিল বড় হয়ে আইনজীবী হবেন। কিন্তু সংসারের অভাব তাকে বই-খাতা ছেড়ে কাজে নামতে বাধ্য করে। কাপড়ের দোকানে কাজ করে শেখেন পোশাক বিক্রির কৌশল।  এরপর ধারদেনা করে ৬০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ভ্যানে শুরু করেন পোশাকের ব্যবসা। এখন প্রতিদিন বিক্রি করছেন দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকার পোশাক; মাসে আয় হচ্ছে এক লাখ টাকারও বেশি। ২৩ বছর বয়সী ইমাম হাসান চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খিল মুরারী এলাকার মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া ও রোকসানা আক্তার দম্পতির বড় ছেলে। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। তার বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম বাবার আয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হতো। ছোটোবেলা থেকেই বাবার পরিশ্রম দেখেছেন ইমাম। পড়াশোনায় মেধাবী হলেও সংসারের অভাবের কারণে ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। এরপর পরিবারের আয়ে সহযোগিতা করতে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ নেন। সেখানে দীর্ঘদিন কাজ করে পোশাক বিক্রির কৌশল আয়ত্ত করেন। তবে সেই আয়েও সংসারের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছিল না। তখনই নিজের কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন। পরিবার ও স্বজনদের কাছ থেকে ধারদেনা করে জোগাড় করেন ৬০ হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়ে শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্টসহ বিভিন্ন পোশাক কিনে শুরু করেন ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা। প্রতিদিন বিকেলে বারইয়ারহাট পৌর বাজারে ভ্যান সাজিয়ে বসেন ইমাম। চলে রাত ১০টা পর্যন্ত। প্রতিদিন দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকার পোশাক বিক্রি হয়। মাসে ব্যবসা থেকে আয় হয় এক লাখ টাকারও বেশি। দিনের বেলায় মা-বাবাকে পরিবারের কাজে সহযোগিতা করেন। বিকেলে ভ্যান নিয়ে বসেন বাজারে। এভাবেই নিজের আয়ের পাশাপাশি পরিবারের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন তিনি। ইমাম হাসান বলেন, ছোটোবেলায় আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম। পড়ালেখাও ভালো ছিলাম। কিন্তু অভাবের কারণে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারিনি। কাপড়ের দোকানে কাজ করে সামান্য টাকা আয়ের পাশাপাশি ব্যবসার অভিজ্ঞতা শিখেছি। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজের ব্যবসা শুরু করেছি। এখন নিজের আয় দিয়ে পরিবারকে সহযোগিতা করতে পারছি। আরটিভি/এসএস
সংসারের হাল ধরতে নামেন ব্যবসায়ে, এখন মাসে আয় লাখ টাকা
আরও পড়ুন
লেকশোর হোটেলের এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
মসজিদের কক্ষে মুয়াজ্জিনের মরদেহ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য
পটুয়াখালী জার্নালিস্টস ফোরামের নেতৃত্বে নাবিল-আমিনুল
৫ খাল সাঁতরে বিদ্যালয়ে যায় চরকারফারমার শিশুরা