ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ প্রয়োগ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
চট্টগ্রামের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরের একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরের যৌথবাহিনীর ক্যাম্পের পানিতে বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে। পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

যে স্থানে বিষ মেশানো হয়েছে সেখান থেকে বিষের একটি খালি কৌটাও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। তিনি বলেন, আজ সকালে সকালে পানিতে ফেনা ও দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। পানির দায়িত্বে যিনি রয়েছেন তিনি দুর্গন্ধ পেয়ে পানির ট্যাংও ঢাকনা খুলে দেখেন ফেনাও ভাসছে।

তাৎক্ষণিক তিনি সব বাহিনীকে পানি ব্যবহার থেকে বিরতে থাকতে সতর্ক করেন। আমাদেরও টিম গিয়ে পানির নমুনা সংগ্রহ করেছে। টেনে নেওয়া পানির লাইনের একটা জায়গায় বিষের খালি কৌটা পাওয়া গেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি অন্তর্ঘাতমূলক অপরাধ। মামলা দায়ের হচ্ছে। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর আলীনগর এলাকায় অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা যে পানি পান করেন রোববার সকালে সে পানি গ্লাসে নেওয়ার পর তাতে সাদা ফেনা এবং বিষাক্ত গন্ধ পাওয়া যায়। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পুলিশ সদস্যরা পানি পান না করায় কারো কোন বিপদ ঘটেনি।

প্রসঙ্গত, সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য খ্যাত সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরকে দখল মুক্ত করতে প্রশাসনের নানামুখী প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে আসছে একটি মহল।

ইতোমধ্যে জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকা পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। কিছুদিন আগে ক্যাম্পে গুলি চালিয়ে স্থাপনা ভেঙে দেয়া হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সড়ক যোগাযোগ নিরবিচ্ছিন্ন করতে ছয়টি সড়ক নির্মাণের কাজ করছে। এতে প্রশাসনের যাতায়াত নির্বিঘ্ন হলে সন্ত্রাসীরা আস্তানায় ফিরতে পারবে না বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।

যৌথবাহিনীর পানিতে বিষ মেশানো জঙ্গল সলিমপুর থেকে প্রশাসনকে উচ্ছেদ চেষ্টার অংশ বলে জানায় পুলিশ।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চবি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ লাখ টাকার অ্যাম্বুলেন্স দিল চাকসু
একই দিনে দুই বিমানবন্দরে সোনা ও আইফোন জব্দ
খালেদা জিয়াকে নিয়ে চাকসু ভিপির ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও, তদন্ত চায় ছাত্রদল