ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গলায় ছুরি ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিতেন স্বামী, অতঃপর...

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০২ পিএম
অভিযুক্ত রেজাউল করিম খান। ছবি: আরটিভি

পাবনার ঈশ্বরদীতে ফিজিওথেরাপি সেন্টারের আড়ালে অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে যৌতুকের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, গলায় ছুরি ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন ওই গৃহবধূ।

এ ঘটনায় রোববার (২৬ জুলাই) ভুক্তভোগীর ভাই নুর আলম বাপ্পী বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বেদুনদিয়া এলাকার নুর আলম বাপ্পীর বোন লতা খাতুনের সঙ্গে প্রায় সাত বছর আগে জয়নগর শিমুলতলা গ্রামের রেজাউল করিম খানের বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে লতা খাতুনকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে রেজাউল করিম খান আবারও যৌতুকের টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লতা খাতুনকে চুল ধরে টানাহেঁচড়া, কিল-ঘুষি, লাঠি দিয়ে মারধর এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে শিশু সন্তানদের নিয়ে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে আহত লতা খাতুনকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন

ভুক্তভোগী লতা খাতুন অভিযোগ করেন, এর আগেও তার স্বামীর চারটি বিয়ে হয়েছিল এবং নির্যাতনের কারণে আগের স্ত্রীরা সংসার ছেড়ে চলে যান। তিনি দাবি করেন, তাকে বিভিন্ন সময় মারধর, গলা চেপে ধরা, গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার স্বামী একটি ফিজিওথেরাপি সেন্টার পরিচালনা করেন। সেখানে থেরাপি ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন নারীকে ডেকে এনে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হয়। এসবের প্রতিবাদ করলেই তাকে নির্যাতন করা হতো বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত রেজাউল করিম খান। তিনি বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ হতেই পারে। সে হিসেবে আমি তাকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মেরেছি।

ফিজিওথেরাপি সেন্টারে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, এলাকার একটি কুচক্রী মহল এবং আমার স্ত্রী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি এ ধরনের কোনো কাজ করি না। আপনারা চাইলে তদন্ত করে দেখতে পারেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন
পরকীয়ার অভিযোগে প্রবাসীর স্ত্রী ও যুবককে অমানবিক নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল
ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ঘে আহত ৪০, ভাঙচুর ১৫ বাড়ি
টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ