ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

প্রতিমন্ত্রীর সই-সিল জাল করে তদবির বাণিজ্য, চক্রের মূলহোতা আটক

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩১ এএম
টুকু শেখ : ছবি আরটিভি

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের সই ও সিল জাল করে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে মোংলায় এক সংঘবদ্ধ চক্রের মূলহোতা টুকু শেখকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (২ আগস্ট) তাকে আটক করা হয়। চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে কাজ করছে পুলিশ।

আটক টুকু উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান জানান, বাগেরহাট-০৩ আসনের (মোংলা-রামপাল) সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের নাম ব্যবহার করে একটি প্রতারক চক্র অবৈধ তদবির বাণিজ্য করে আসছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার দিনভর পুলিশ প্রযুক্তিগত কৌশলের মাধ্যমে অভিযুক্তদের অবস্থান সনাক্ত করে। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এ চক্রের মুলহোতা টুকু শেখ (৩৫)কে আটক করে পুলিশ।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, টুকু আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে জামায়াত, এরপর এনসিপি’র দলীয় পরিচয় বহন করে আসছিল। সর্বশেষ টুকু শ্রমিক দলের পরিচয়ে দিয়ে আসছেন।

টুকুর কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম-পদবি সম্বলিত সিল ও স্টাম্পেট জব্দ করা হয়। আটককৃতের বিরুদ্ধে রোববার দিবাগত রাতে জাল জলিয়াতি ও প্রতারণা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার অপর আসামীদের আটকে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চাচাতো বোনকে দফায় দফায় ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে ১১ বছর বয়সি এক মাদরাসা ছাত্রীকে দফায় দফায় ধর্ষণের অভিযোগে জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। ভুক্তভোগী শিশুটি অভিযুক্তের চাচাতো বোন।  পারিবারিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ওই ব্যক্তি শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হত বলেও অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরও অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রাখেন। এমনকি শিশুটির মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথেও অবস্থান নিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য পুনরায় হুমকি দেন।  পরবর্তীকালে পরিবারের সদস্যদের কাছে পুরো ঘটনা প্রকাশ পেলে আত্মীয়স্বজনের উদ্যোগে সামাজিকভাবে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বৈঠক চলাকালে অভিযুক্তের ছোট ভাই অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে সেই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি সেখান থেকে পালিয়ে যান। অবশেষে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে হালিশহর থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি। সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ জানান, এসআারবি-৭-এর একটি আভিযানিক দল হালিশহর থানাধীন কবির ম্যানশন আবাসিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। পরে ১১ বছর বয়সি শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মো. জাকিরকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আরটিভি/এসআর  
চাচাতো বোনকে দফায় দফায় ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
হিমালয়ের শকুনের দেখা মিলল কুড়িগ্রামের লোকালয়ে
হিমালয়ের বরফঢাকা পাহাড় পেরিয়ে শীতের অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে আসা একটি হিমালয়ান গৃধিনী শকুন এবার আশ্রয় নিয়েছিল কুড়িগ্রামের রাজারহাটের লোকালয়ে। 
হিমালয়ের শকুনের দেখা মিলল কুড়িগ্রামের লোকালয়ে
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
ভুয়া মনে করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় কর্মরত দুই পুলিশ সদস্যকে মারতে মারতে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে তল্লাশির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে।  বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন ও সরকারি মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের তুলে নেওয়া হয়। এসময় পুলিশের এক সোর্সকেও মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়া হয়। ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্যরা হলেন— কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা, কনস্টেবল মো. হানিফ এবং পুলিশের সোর্স জাহিদ। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টিউশনি শেষ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম ও অর্প রাস্তা ধরে হাঁটছিলেন বাস ধরার জন্য। এসময় পুলিশ পরিচয়ে তিনজন তাদের পথরোধ করে তল্লাশি চালান। ওই শিক্ষার্থীরা পুলিশের পরিচয়পত্র দেখাতে বলায় তারা পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে তাদের ভুয়া পুলিশ মনে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বাস থেকে নেমে তাদের মারধর করে টেনে-হিঁচড়ে বাসে তুলে ফেলেন।  দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজনকে মারতে মারতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয় দুজন পুলিশ এবং একজন তাদের সোর্স। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। মারধরের শিকার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা বলেন, আমরা দুই শিক্ষার্থীর পরিচয় জানতে চেয়েছিলাম। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং দুঃখ প্রকাশ করা হয়। আমাদের সঙ্গে পরিচয়পত্র না থাকায় ওয়াকিটকি ও হ্যান্ডকাফ দেখানো হয়। পাশাপাশি ডিউটিতে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেটি না শুনেই মব সৃষ্টি করে আমাদের তুলে নিয়ে যান। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোতোয়ালি থানার একজন এএসআই, একজন কনস্টেবল ও পুলিশের একজন সোর্স ছিলেন। তারা শিক্ষার্থীদের তল্লাশি করার চেষ্টা করেছিলেন। শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে পারেননি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার কর্তৃপক্ষও স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা তাদের জোর করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। এভাবে কাউকে তুলে না এনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো উচিত ছিল। একইভাবে পুলিশ সদস্যদেরও পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা উচিত ছিল। উভয় পক্ষেরই কিছু ঘাটতি ছিল। পরে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে। জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তায়িন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ঘটনাস্থল থেকেই থানায় বা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি সমাধান করা যেত। বাসে করে পুলিশ সদস্যদের ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ৫ আগস্টের পর থেকে একটা মব কালচারের রেশ ছিল। সেখান থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। আরটিভি/এসআর  
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
কুমিল্লায় গার্ড অব অনার ছাড়াই দাফন হলো বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ
কুমিল্লায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার (৭৮)-এর শেষ বিদায়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা বা ‘গার্ড অব অনার’ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। 
কুমিল্লায় গার্ড অব অনার ছাড়াই দাফন হলো বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ
এবার দিনদুপুরে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন
শুক্রবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভের বেদিতে এ ঘটনা ঘটে।
এবার দিনদুপুরে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন
আরও পড়ুন
রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজ চালিয়ে ব্রিটেনে আটক ভারতীয় নাবিক
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
পাইকগাছায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ১৫