
কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন ঘাটারচর এলাকায় ভুয়া ও অননুমোদিত ওষুধ তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভুয়া ওষুধসহ ৬ জনকে আটক করেছে এসআরবি-২।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এসআরবি-২ এর মেজর এম মুবীন রহমান তাপস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে, জেলার তারানগর ইউনিয়নের ঘাটারচর এলাকায় একটি বাসায় একটি অসাধু ও প্রতারক চক্র অবৈধভাবে ভুয়া ওষুধ ট্রেডমার্ক, মোড়ক এবং লোগো ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের ও অননুমোদিত ওষুধ তৈরি করে আসছে। এসব ওষুধ প্যাকেটজাত, সংরক্ষণ এবং দেশের বিভিন্ন বাজারে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করছে। এমন সংবাদের সত্যতা যাচাই করে এসআরবি-২ এর আভিযানিক দল ঘাটারচর এলাকায় ভেজাল ওষুধ তৈরির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় মো. রাকিব দাড়িয়া (২৩), মো. আরাফাত হাওলাদার (২২), মো. ফারদিন হোসেন (২৪), মো. রাশেদুল ইসলাম (২২), মো. রুহান ইসলাম (২০) ও মো. আল-আমিন খন্দকার (১৯)-কে আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা পরস্পর যোগসাজশে বস্তাভর্তি ট্যাবলেট এবং গ্যালনভর্তি লিকুইডকে বিভিন্ন গুণাগুণ সম্পন্ন ওষুধের নাম, পরিচয় ও লেবেল ব্যবহার করে নিজেরাই মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ বসিয়ে বাজারজাত করে আসছিল। উদ্ধারকৃত ওষুধের প্রকৃত পরিচয় ও প্যাকেটে উল্লেখিত ওষুধের মধ্যে অসামঞ্জস্য পরিলক্ষিত হওয়ায় Organic Nuroclean ট্যাবলেটের ৩১০টি কৌটা, লিউকোরিয়া বিনাশ ট্যাবলেটের ২৮৫টি কৌটা, লিউকোরিয়া বিনাশ সিরাপ ৩৬০টি বোতল, ডায়াবেটিস ক্লিন পাউডার ৪০টি কৌটা, Pain Care Oil ২৫ বোতল, লেবেল ছাড়া ট্যাবলেটের কৌটা ৪০০টি এবং পাউডারের কৌটা ৮৫টি, ১০৬ কেজি সাদা রঙের ট্যাবলেট, ০৪ কেজি সবুজ রঙের ট্যাবলেট, ০৩টি ড্রামে ১৪৫ কেজি তরল সিরাপ, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামের লেবেল ০১ বস্তা, ০১ বস্তা খালি বোতল ও মোড়কের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে এসআরবি-২ এর আভিযানিক দল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রাজধানীতে গড়ে ওঠা এ সকল অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে এসআরবি-২ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জব্দকৃত আলামত ও গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানানো হয়।
আরটিভি/এমএম




