ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চতুর্থবারের মতো পেশাদারত্বের স্বীকৃতি পেলেন গোয়াইনঘাটের ওসি

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
ছবি: আরটিভি

দক্ষতা, সততা ও পেশাদারত্বের স্বীকৃতি হিসেবে আবারও শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. ওমর ফারুক। এ নিয়ে ক্যারিয়ারে মোট চারবার শ্রেষ্ঠ ওসি হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন তিনি।

জুলাই-২০২৬ মাসের মূল্যায়নে তিনি সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দুইবার জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ ওসি এবং দুইবার সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন।

সিলেট রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি কার্যালয় থেকে ৪ আগস্ট প্রকাশিত সম্মাননা পত্রে জানানো হয়, জুলাই মাসে গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত ও নিষ্পত্তি, পরোয়ানা তামিল, নিয়মিত মামলায় আসামি গ্রেপ্তার, মাদকবিরোধী অভিযান, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তাকে সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

গোয়াইনঘাট থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সীমান্ত এলাকায় মানবপাচার, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান জোরদার করেন ওসি ওমর ফারুক। তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে একাধিক মাদক কারবারি ও চোরাচালানকারী গ্রেপ্তার হয়েছে।

সম্প্রতি ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় আনা চার নারীকে উদ্ধার এবং এক মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। পাশাপাশি পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার, গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত ও নিষ্পত্তি এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছে থানা পুলিশ।

আরও পড়ুন

এর আগে অন্য কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে তিনি দুইবার জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ ওসি এবং একবার সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন। গোয়াইনঘাট থানায় যোগদানের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়ে ক্যারিয়ারে মোট চারবার শ্রেষ্ঠ ওসি হওয়ার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করলেন।

এ অর্জনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, সীমান্ত এলাকায় মানবপাচার, মাদক ও চোরাচালান দমনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
স্ত্রীর ছবি তোলার প্রতিবাদ করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
মোটরসাইকেল আটকে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন ও সম্পাদক কে.এম. লিমন