ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারি অফিসের কেনাকাটায় ৪ টাকার কলমের বিল ১২০ টাকা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২২ পিএম
গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভা। ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগের স্টেশনারি সামগ্রী কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কোটেশনে ৫ টাকা দামের মেটাডোর বলপেন বিলে ১২০ টাকা দেখিয়ে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রকৃতপক্ষে একটি মেটাডোর পিন-পয়েন্ট বা হাইস্কুল কলমের পাইকারি দাম ৪ টাকা। যা খুচরায় ৫ টাকা।

জানা গেছে, গত ৭ জুলাই শ্রীপুর পৌরসভা স্টেশনারি সামগ্রীর ১০টি আইটেম ক্রয়ের জন্য কোটেশন আহ্বান করে। ১২ জুলাই কোটেশন খোলা হলে কথিত সততা এন্টারপ্রাইজ, কথিত সেবা এন্টারপ্রাইজ ও মোরাদ এন্টারপ্রাইজ অংশ নেয়। পরে মোরাদ এন্টারপ্রাইজ ক্রয় আদেশ পায়।

পৌর কর্তৃপক্ষ কোটেশন অনুযায়ী ১০০টি মেটাডোর বলপেন ৪ টাকার স্থলে প্রতিটির মূল্য ৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিলে প্রতিটি কলমের মূল্য ১২০ টাকা উল্লেখ করে বিল ভাউচার সাবমিট করলে ওই বিল ভাউচারে সংশ্লিষ্ট অনুমোদনকারী সকলেই স্বাক্ষর দেয় এবং কথিত টেন্ডার সাবমিটকারী অর্থ উত্তোলন করে।

এছাড়া অফসেট পেপার, পিন রিমুভার, স্ট্যাপলার পিন, পেন্সিল ব্যাটারি, ক্যালকুলেটর, রেজিস্টার খাতা, পাঞ্চ মেশিনসহ বিভিন্ন স্টেশনারি সামগ্রী কেনার জন্য কোটেশনের আনুমানিক মূল্য ছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৭৪ টাকা। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ২২ হাজার টাকার বিল জমা দেয়। বুধবার কলমের অস্বাভাবিক মূল্য সংক্রান্ত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়।

আরও পড়ুন

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোটেশনে অংশ নেওয়া তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সততা এন্টারপ্রাইজের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর নেই। কার্যাদেশপ্রাপ্ত মোরাদ এন্টারপ্রাইজেরও কোনো মোবাইল নম্বর উল্লেখ নেই। শুধু সেবা এন্টারপ্রাইজের একটি মোবাইল নম্বর থাকলেও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শ্রীপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. মিজানুর রহমান প্রভাব খাটিয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠানের নামে নিজেই কোটেশন প্রক্রিয়া পরিচালনা করেন। তাদের দাবি, কোটেশনে উল্লেখিত দামের সঙ্গে মিল না রেখে অধিক মূল্যে বিল তৈরি করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্রীপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, সব নিয়ম মেনেই কোটেশন করা হয়েছে। বিলে হয়তো অনিচ্ছাকৃতভাবে কলমের মূল্য বেশি লেখা হয়েছে। তবে মোট ব্যয়ের হিসাবে কোনো অসঙ্গতি নেই।

শ্রীপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ আখতার বলেন, বিধি অনুযায়ী কোটেশন সম্পন্ন হয়েছে। ঠিকাদার প্রদত্ত বিলে কলমের দাম বেশি লেখা হয়েছিল। আমরা যাচাই করে দেখেছি, মোট বিলের পরিমাণ সঠিক রয়েছে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক নাহিদ ভূঁইয়া বলেন, একটি পণ্যের দাম বেশি দেখানো হলেও অন্য কিছু পণ্যের দাম তুলনামূলক কম ধরা হয়েছে। সব মিলিয়ে গড় মূল্য সঠিক রয়েছে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজন হলে আরও পর্যালোচনা করা হবে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সামাজিক উদ্যোগ সময়ের দাবি: ফজলুল হক মিলন
চিকিৎসাধীন দুই বন্ধুর মৃত্যু, মরদেহ দেশে আনলেন ভারতে থাকা আরেক বন্ধু
কৃষকের বাড়ীতে ডাকাতি: ১৭ ভরি সোনা, নগদ এক লাখ টাকা লুট
আসামি ধরতে টিনের চালে পুলিশ