ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আসামি ধরতে টিনের চালে পুলিশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
গাজীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের মহানগরে টঙ্গীর হাজি মাজার বস্তিতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আসামিদের ধরতে টিনের ঘরের চালে উঠে ধাওয়া দিয়েছে পুলিশ।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযানটি পরিচালিত হয়। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন এডিশনাল ডিআইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন।

অভিযানের সময় হাজি মাজার বস্তির সরু গলি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। একপর্যায়ে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি টিনের ঘরের ওপর দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ধরতে এডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন নিজেই টিনের চালে উঠে ধাওয়া দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা চারদিক থেকে বস্তি ঘিরে ফেলে অভিযান চালিয়ে একে একে সন্দেহভাজনদের আটক করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিনের চাল বেয়ে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে গিয়ে পুলিশের অভিযান পরিচালনার দৃশ্য এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, মহানগর এলাকায় মাদক কারবার ও মাদক সেবন নিয়ন্ত্রণে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে হাজি মাজার বস্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আনুমানিক ২৭০ গ্রাম হেরোইন, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক সেবনের অভিযোগে ৪০ জনকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, মহানগরে মাদক নির্মূল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা বলেন, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবেই এ ধরনের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সামাজিক উদ্যোগ সময়ের দাবি: ফজলুল হক মিলন
চিকিৎসাধীন দুই বন্ধুর মৃত্যু, মরদেহ দেশে আনলেন ভারতে থাকা আরেক বন্ধু
সরকারি অফিসের কেনাকাটায় ৪ টাকার কলমের বিল ১২০ টাকা
কৃষকের বাড়ীতে ডাকাতি: ১৭ ভরি সোনা, নগদ এক লাখ টাকা লুট