ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চিকিৎসাধীন দুই বন্ধুর মৃত্যু, মরদেহ দেশে আনলেন ভারতে থাকা আরেক বন্ধু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কলকাতায় উন্নত চিকিৎসার জন্য গিয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মারা গেছেন গাজীপুরের দুই ব্যক্তি। এ ঘটনার পর ভারতে থাকা আরেক বন্ধু তাদের মরদেহ গ্রহণ করে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে মরদেহ দুটি দেশে আনা হয়।

দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ফুলবাড়িয়া এলাকার মো. হাবিবুর রহমান (৫৮) ও কালীগঞ্জের কাপাসিয়া এলাকার বিল্লাল মাঝি (৫০) গত ১৫ জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যান। তারা কলকাতার এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সূত্র জানায়, বিল্লাল মাঝি গত ৯ আগস্ট রাত সোয় ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর পরদিন ১০ আগস্ট রাত পৌনে ৮টার দিকে মারা যান মো. হাবিবুর রহমান। হাবিবুর রহমান স্ট্রোকজনিত জটিলতায় এবং বিল্লাল মাঝি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আরও পড়ুন

দুইজনের মৃত্যুর পর ভারতে প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশনসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। পরে তাদের বন্ধু মো. আবু নাহিদ (৪৫) ভারতে থেকে মরদেহ দুটি গ্রহণ করেন। তিনি মরদেহ নিয়ে বাংলাদেশে ফেরার পর দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে সেগুলো গ্রহণ করা হয়।

গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে বিল্লাল মাঝির মরদেহ এবং ৭টা ৩০ মিনিটে হাবিবুর রহমানের মরদেহ দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে পৌঁছায়। পরে ভারতীয় বিএসএফ ও বাংলাদেশ বিজিবির সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

একই সঙ্গে চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়া দুই বন্ধুর মরদেহ শেষ পর্যন্ত আরেক বন্ধুর হাত ধরে দেশে ফেরার ঘটনায় স্বজন, বন্ধু ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তারেক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুইজনের মরদেহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ভারতের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী মুরুগান
এবার মোদির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে ভারতের তরুণ প্রজন্ম, উত্তাল রাজপথ
ভারতে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ায় কারাগারে মুয়াজ্জিন
ভারতীয় গরু নিয়ে বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের সংঘর্ষ, গুলিতে ইজারাদারের মৃত্যু