ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

রংপুর ক্যাডেট কলেজে শতভাগ জিপিএ-৫

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রংপুর ক্যাডেট কলেজ বরাবরের মতো এবারও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করেছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪৭ জন এবং মানবিক বিভাগ থেকে ৩ জনসহ মোট ৫০ জন পরীক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং সকলেই জিপিএ ৫.০০ অর্জন করে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ফল প্রকাশের পরই রংপুর ক্যাডেট কলেজে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। এসএসসি পরীক্ষার্থীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করায় কলেজটির অধ্যক্ষ কলেজের সকল স্তরের কর্মচারী, কর্মকর্তা, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ক্যাডেটদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

রংপুর ক্যাডেট কলেজের এই ধারাবাহিক সাফল্যের পেছনে সেনাসদরের দিক নির্দেশনা, কলেজ অধ্যক্ষের সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দক্ষ পরিচালনা, উপাধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও উৎসাহ এবং সর্বোপরি অভিভাবকবৃন্দের সহযোগিতা বিশেষভাবে ভূমিকা পালন করে আসছে।

কলেজের অধ্যক্ষ এ এইচ এম ছেরাজুজ্জামান বলেন, ক্যাডেট কলেজের সুশৃঙ্খল পরিবেশ, গঠনমূলক অনুশাসন এবং শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তদারকি এই ভালো ফলাফলের অন্যতম অনুষঙ্গ।

তিনি আরও বলেন, ক্যাডেটদের যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও চরিত্র গঠন, খেলাধুলা ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে সমান গুরুত্ব প্রদান করা হয় যা ক্যাডেটদের শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

আরও পড়ুন

এদিকে, এসএসসি ও সমমানের এ পরীক্ষার ফলাফলে ভাল করেছে রংপুরের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো। দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে রংপুর জিলা স্কুলে ২২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস ২১৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫০ জন, রংপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস ২৬৪ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৭ জন, রংপুর ক্যান্টপাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস ৫৩০ জন, জিপিএ -৫ পেয়েছে ৩২৯ জন, পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস ৫৬৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২২ জন।

শিক্ষকদের আন্তরিকতার সাথে পাঠদান, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া করা এবং অভিভাবক ও সহপাঠিদের সহযোগিতা ভাল ফলাফলের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।

রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ওবায়দুল আনোয়ার বলেন, সিলেবাস শেষ হওয়ার পর পরীক্ষার আগ পর্যন্ত আমরা শিক্ষার্থীদের মডেল টেস্টসহ নানা পরীক্ষার মাধ্যমে অধিকতর প্রস্তুত করে তুলেছিলাম। যার কারণে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩০। এ কৃতিত্ব শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ প্রতিষ্ঠান ম্যানেজিং কমিটির। পুলিশের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় আমাদের শিক্ষার্থীরা সারাবছর শৃঙ্খলার সাথে লেখাপড়া করেছে। ফলে ভাল ফলাফল অর্জন তাদের জন্য সহজ হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিনামূল্যে মদ না দেওয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন
নরসিংদীতে বিনামূল্যে ১০ লিটার দেশীয় মদ না দেওয়ায় তানভীর আহমেদ রাব্বি (৩০) নামে একটি দেশীয় মদের দোকানের ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বিনামূল্যে মদ না দেওয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন
সিলেটে মাদক-চোরাচালান দমনে কঠোর অভিযান, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটে মাদক, চোরাচালান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে থানা পুলিশ। 
সিলেটে মাদক-চোরাচালান দমনে কঠোর অভিযান, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার
কচুয়ায় অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর ৮৪ শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর শিক্ষক-কর্মচারীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত ৬৬ জন এবং মরণোত্তর ১৮ জনসহ মোট ৮৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
কচুয়ায় অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর ৮৪ শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান
দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন ওসি
চাঁদপুরের কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম মাদক ব্যবসায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে তিন দিনের তাবলিগ জামাতে পাঠিয়ে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন। একাধিক মাদক মামলায় জড়ানোর পরও জামিনে বেরিয়ে একই কর্মকাণ্ডে ফেরার অভিযোগ থাকায় তাদের এই সুযোগ দেওয়া হয়।
দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন ওসি
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র হামিম ৩ দিন ধরে নিখোঁজ 
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মো. হামিম খান নামে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্র তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। তাকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে পরিবার। ছেলের সন্ধানে অভাবের সংসারের সব কাজকর্ম ফেলে পথে পথে ঘুরছেন বাবা-মা। নিখোঁজ হামিম খান ১২ উপজেলার সেহাংগল গ্রামের দিনমজুর মো. জাকির খানের ছেলে। সে স্থানীয় সুন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে হামিমের মা মোসা. ছবি বেগম ঘরের বাইরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় তিনি আড়াই বছর বয়সী ছোট ছেলেকে হামিমের কোলে দিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর ছোট ছেলের কান্নার শব্দ শুনে ছবি বেগম ঘরে এসে দেখেন, হামিমের কাছ থেকে ছোট ভাইটি মাটিতে পড়ে কাঁদছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি হামিমকে কিছুটা বকাঝকা করেন। এর কিছুক্ষণ পর হামিম স্বাভাবিকভাবেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। দুপুরে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, স্থানীয় আব্দুর রহিমের অটোরিকশায় করে হামিম স্বরূপকাঠির দিকে যাচ্ছিল। এরপর স্বরূপকাঠি, কাউখালী উপজেলা এবং বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নেওয়া হয়। আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বাড়িতেও সন্ধান চালানো হয়। কিন্তু তিন দিনেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর হামিমের মা ছবি বেগম নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ছেলের নিখোঁজ হওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা ছবি বেগম। তিনি বলেন, শনিবার সকালে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে দুষ্টুমি করার কারণে ছেলেকে একটু বকাঝকা করেছিলাম। এরপর সে স্বাভাবিকভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। দুপুরে বাড়িতে না ফেরায় আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। অনেক জায়গায় খুঁজেও তাকে পাইনি। এ কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এদিকে দিনমজুর বাবা জাকির খানও ছেলের সন্ধানে কাজকর্ম বাদ দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হামিমের সন্ধান পাওয়ার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, হামিম নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র হামিম ৩ দিন ধরে নিখোঁজ 
আরও পড়ুন
অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছাত্রলীগের ফুলবাবু ধরা, অতঃপর...
প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ৭০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
‘জোড়াতালিতে’ চলছে আখিরা নদীর সৌন্দর্যবর্ধন কাজ
বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে বাঁশঝাড়ে নিয়ে যান ইমারত আলী, অতঃপর...