ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

১১ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ঝরে গেল ৮ প্রাণ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম
প্রতীকী ছবি

মাত্র ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে বড় ধরনের দুই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে গেছে দেশের দুই জেলায়। সকালে কক্সবাজারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহতের পর বিকেলে নেত্রকোণায় পিকআপ ভ্যান ও ট্রাকের সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন নারীসহ আরও চারজন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের নারান্দিয়া এলাকায় সবশেষ দুর্ঘটনাটি ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী ও তিনজন পুরুষ। দুর্ঘটনার পর সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পিকআপ ভ্যানটিতে চালকসহ আটজন ছিলেন। ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনার দিকে আসার পথে নারান্দিয়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা সারবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে পিকআপটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পিকআপ ভ্যানটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে সড়কের পাশে পড়ে।

সংঘর্ষে পিকআপে থাকা দুজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তাঁদের মধ্যে একজন নারী। স্থানীয় লোকজন আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও দুজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত চাজনকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থলে দুজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও দুজন—মোট চারজন মারা গেছেন। গুরুতর আহত চারজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ও আহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

আরও পড়ুন

এর আগে, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা লেগুনার সংঘর্ষে চারজন প্রাণ হারিয়েছে; সেইসঙ্গে আহত হয়েছেন ৫ জন। হতাহতরা সবাই লেগুনার যাত্রী ছিলেন।

নিহতরা হলেন, চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সেগুন বাগিচা গ্রামের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসীম উদ্দিন (২৫), খুটাখালীর ফুলছড়িস্থ শিয়া পাড়ার মৃত মনজুর আলমের ছেলে মোহাম্মদ শাহেদ (২৭), খুটাখালীর নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে মো. জিয়াবুল হক (২৫) ও পার্শ্ববর্তী ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজারিয়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোহাম্মদ রফিক (২৮)।

আর আহতরা হলেন, খুটাখালী নতুন অফিস মাদরাসা পাড়ার আবদুল সামাদের ছেলে জিয়াবুল হক (৪০), খুটাখালীর মেদাকচ্ছপিয়া গ্রামের বদরুদ্দোজার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৫), ঈদগাঁও উপজেলার নাপিতখালী এলাকার আলী মিয়ার ছেলে সৈয়দ আলম (৫০) ও তার ছেলে মোহাম্মদ সরোয়ার (১৯) ও কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার কিরনতলী গ্রামের রহমত করিমের ছেলে সৈয়দ করিম (৩০)।

ডুলাহাজারার মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘লাল সবুজ পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী এসি বাস চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে পৌঁছায়। একই সময়ে বিপরীত দিক ঈদগাঁও থেকে চকরিয়ামুখী একটি যাত্রীবাহী লেগুনার (স্থানীয় ভাষায় জিটু গাড়ি) সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের তীব্রতায় লেগুনাটির ছাদ পর্যন্ত উপড়ে যায় এবং গাড়িতে থাকা নয়জন যাত্রীর সবাই গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় জনতার সহায়তায় মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করে।

আহতদের প্রথমে কাছের মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর একটার দিকে একে একে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আহত বাকি ৫ জন বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মালুমঘাট হাইওয়ে থানার এসআই মো. শামছুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনায় লেগুনার ৯ যাত্রীর মধ্যে একে একে চারজন মারা যান। আহত হন আরও পাঁচজন যাত্রী। তারা বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভোরে মুষলধারে বৃষ্টিপাত হওয়ার সময় সংঘটিত এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ক্রেন দিয়ে মহাসড়ক থেকে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নেয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মনির আহমেদ (ননী), গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ আমিনুল হক লাচ্চু এবং জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সুপারুল আলম (টিকে)। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবীবুল্লাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) এম জহির উদ্দিন স্বপন। 
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
ফরিদপুরের সদরপুরে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ড) সড়কের কাজ সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের এপ্রিলে। কিন্তু এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে দুই কিলোমিটারেরও কম। অথচ এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল বাবদ তুলে নিয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৪ হাজার ৭১২ মিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা। কাজটি পায় এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইউনিয়নের নন্দলালপুর ঘাট থেকে শুরু হয়ে সড়কটি ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি এলাকার কালা মিয়া শিকদারের দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত। সূত্রটি আরও জানায়, সড়কটির প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিটার নির্মাণের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। তবে বাকি কাজ দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে রয়েছে। পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নটি যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত দিক থেকে দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে। বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন নানা কাজে ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা। এমন বাস্তবতায় সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা মিয়া বলেন, বর্ষা মৌসুমে চরাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে ডুবে যায়। তখন যোগাযোগের জন্য সড়কটির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। অথচ বছরের পর বছর ধরে নির্মাণকাজ চললেও তা শেষ হচ্ছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন না হলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে। ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা আজগর হোসেন বলেন, সড়কটির কাজ শুরু হলে আমরা ভেবেছিলাম, দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার অবসান হবে। কিন্তু সাড়ে চার বছর পার হয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। সামান্য কিছু কাজ করে ফেলে রাখা হয়েছে। বর্ষায় আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, দ্রুত সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হোক। দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন সরদার বলেন, সড়কটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগব্যবস্থা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। নির্মাণকাজ অসমাপ্ত থাকায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশনের মালিক মো. কামরুজ্জামান টিটুর সঙ্গে এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৪ হাজার ৭১২ মিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ৩ হাজার ৬০০ মিটারের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ মিটার নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ ছাড়া পুরো সড়কে মাটি ভরাটের কাজ অনেক আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সড়কে বছরে মাত্র চার মাস কাজ করা সম্ভব হয়। বাকি সময় পানিতে প্লাবিত থাকায় এবং মালামাল পরিবহনের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কাজ করা যায় না। বর্ষা শেষ হওয়ায় ইতোমধ্যে কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে। আশা করছি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারব। এ বিষয়ে তৎকালীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু এহসান মিয়া বলেন, আমার দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল। প্রকল্পের অগ্রগতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দেখে বিস্তারিত বলা যাবে। বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুনাহার বেগম বলেন, প্রকল্পটির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ এবং বাকি কাজের বিষয়ে নথিপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়কটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
মাদরাসাতে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে শ্রাবন্তী খাতুন নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা শারমিন বেগম অভিযুক্ত মাদরাসা সুপারসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানাতে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। 
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা থেকে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
আরও পড়ুন
ভোরে হাঁটতে বের হয়ে আর ঘরে ফেরা হলো না রহিমার
দুই ট্রাকের প্রতিযোগিতায় ‘চোখের জল’ থামছে না দুই পরিবারের
প্রতিবেশীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে সড়কে প্রাণ গেল আপনের 
ঢাকায় বাস-লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪