ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

স্ত্রীর নিখোঁজের জিডি করতে গিয়ে স্বামী আটক, ঘটনা কী

নরসিংদী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
শরীফ মিয়া। ছবি: আরটিভি

নরসিংদীর মাধবদীতে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার ঘটনায় স্বামীকে আটক করেছে মাধবদী থানা পুলিশ।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে স্বামী শরীফ মিয়াকে (৪২) তার শ্বশুরবাড়ি কাঠালিয়া ইউনিয়নের নোয়াকান্দা গ্রাম থেকে আটক করা হয়। নিহত স্ত্রী হোসনে আরা বেগম কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের নোয়াকান্দা গ্রামের মো. রহমান মিয়ার মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী শরীফ মিয়া মাধবদীর ভগীরথপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি মাধবদী গরুর হাট বাজার এলাকায় একটি চায়ের দোকানে কাজ করতেন।

মাধবদী থানা পুলিশ আটক শরীফের বরাত দিয়ে জানায়, গত ১৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ৮টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে থাপ্পড় দিলে তার স্ত্রী টিউবওয়েলের ওপর পড়ে অচেতন হয়ে যান। এরপর আর তার জ্ঞান ফেরেনি। কিন্তু স্বামী শরীফ স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে না নিয়ে ঘরের মেঝেতেই লুকিয়ে রাখেন।

পরদিন ১৮ আগস্ট রাত ১০টার পর বাড়ির পাশের একটি কবরস্থানে একাই কাঁধে করে নিয়ে যান এবং সেখানে মাটিচাপা দিয়ে চলে আসেন। সবাইকে জানান, তার স্ত্রী রাগ করে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন।

পরদিন ১৯ আগস্ট দুপুরের দিকে মাধবদী থানায় স্ত্রী নিখোঁজ হয়েছেন মর্মে তার শ্বশুরকে সঙ্গে নিয়ে আসেন এবং একটি সাধারণ ডায়েরি করতে চান। এ সময় তার কথাবার্তা সন্দেহজনক হলে পুলিশ জিডি না নিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করতে বলে। তিনি অভিযোগ দায়ের করে শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান।

আরও পড়ুন

পরে পুলিশের সন্দেহ হলে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, স্ত্রী হত্যার দুই দিন পর থানায় এসে একটি সাধারণ ডায়েরি করতে চান স্বামী শরীফ মিয়া। এ সময় তার কথাবার্তা ও আচরণ সন্দেহজনক হলে তাকে নজরে রাখি। একপর্যায়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্ত্রী হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন এবং মরদেহ কোথায় মাটিচাপা দিয়ে রেখেছেন, সে ঘটনার বর্ণনা দেন।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ উত্তোলনের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে আসবেন। তিনি আসার পরই মরদেহ উত্তোলন করা হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন
খুলনার হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে ধরা
স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ কল দিলেন স্বামী
স্বামী-শ্বশুড়বাড়ির নির্যাতন সইতে পারলেন না মেধাবী ছাত্রী ঝুমুর