
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
সোমবার (২৪আগস্ট) সকালে শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত ওই শিশু দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার সমশ্যাম নগর গ্রামের সাগর চন্দ্র রায়ের মেয়ে। স্থানীয় একটি স্কুলের প্লে নার্সারীর শিক্ষার্থী। শিশুটি বাবা-মার সঙ্গে উপজেলার মুন্সিরটেক এলাকার মোজ্জাফর আলীর বাসায় ভাড়া থাকত। শিশুটির বাবা পেশয় একজন চা দোকানদার।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় শিশুটি পাশের বাড়িতে প্রথম প্রাইভেট পড়ার জন্য যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ওই এলাকার মাহমুদা বেগমের বহুতল ভবনের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা একটি অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে সফিপুর তানহা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সেপটিক ট্যাংকের ডাকনা না থাকায় অরক্ষিত হিসেবে পড়েছিল যার কারণে শিশুটি সেখানে পড়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে। এতে বাড়ির মালিকের এমন উদাসিনতার বিষয়টি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে দাড়িয়েছে।
এদিকে খবর পেয়ে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায় পুলিশ।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আরটিভি/এমএম



