ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

৩০০ যাত্রী নিয়ে ডুবোচরে আটকে গেল ফেরি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫০ এএম
আটকে পড়া ফেরিতে যাত্রীরা। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলে তিন শতাধিক যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে ডুবোচরে আটকে গেছে ফেরি ‘কপোতাক্ষ’।

আবহাওয়া সতর্কতার কারণে চার দিন বন্ধ থাকার পর বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পর নাব্যতাসংকটে পলিমাটিতে আটকে যায় ফেরিটি।

জানা গেছে, ফেরিতে অন্তত ৩০০ যাত্রী রয়েছেন। এছাড়াও রয়েছে দুটি বাস, সাতটি ট্রাকসহ বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত যানবাহন। এদিকে ক্যানটিনে পর্যাপ্ত খাবার না থাকা এবং সংকটের সুযোগ নিয়ে সাধারণ শুকনো খাবারের অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। অন্ধকার চ্যানেলে আটকে পড়ায় চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন যাত্রীরা।

ফেরি আটকে যাওয়ার জন্য চ্যানেলে ড্রেজিংয়ের অভাব ও জোয়ার-ভাটার সময়সূচি না মানার অভিযোগ উঠলেও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উপপরিচালক নয়ন শীলের দাবি, ফেরি মাস্টারের গাফিলতিতেই এই ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, উপকূলে ফেরি চালানোর ক্ষেত্রে জোয়ার-ভাটা অনুযায়ী সময়সূচি নির্ধারণ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে ফেরির মাস্টার দায়ী।

অন্যদিকে আতঙ্কগ্রস্ত যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অন্ধকারের মধ্যে সাগরে আমরা। আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা সবার মধ্যে। কখন চট্টগ্রামে পৌঁছাব, জানি না। এমন এক জায়গায় আটকে পড়েছি, নেমে বাড়িতেও চলে যেতে পারব না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সন্দ্বীপ চ্যানেল থেকে মূল ভূখণ্ডের দিকে প্রায় ৩০০ মিটার ভেতরে পন্টুন স্থাপন করা হলেও নিয়মিত খননকাজ না করায় নাব্যতা সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

ফলে ভরা জোয়ার ছাড়া পন্টুনে ফেরি প্রবেশ বা বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ফেরির মাস্টার সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাতের জোয়ার এলে ফেরিটি ভেসে উঠবে এবং তখন পুনরায় বাঁশবাড়িয়ার উদ্দেশে যাত্রা করা সম্ভব হবে।

এর আগে আবহাওয়া সতর্কতার কারণে টানা চার দিন এই রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে ফেরি কপোতাক্ষ ঘাট ছাড়ার কিছু দূর যেতেই এই বিপত্তিতে পড়ে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৪ অক্টোবর একই স্থানে একইভাবে আটকে পড়েছিল ফেরিটি; সে সময় প্রায় ২৫ ঘণ্টা পর তিনটি টাগবোটের সহায়তায় সেটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চবি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ লাখ টাকার অ্যাম্বুলেন্স দিল চাকসু
একই দিনে দুই বিমানবন্দরে সোনা ও আইফোন জব্দ
খালেদা জিয়াকে নিয়ে চাকসু ভিপির ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও, তদন্ত চায় ছাত্রদল