ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ঝটিকা মিছিলের পর যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ঈশ্বরদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের পর সূর্য প্রামানিক (৪৫) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে পৌরসভার অরণকোলা সিমেন্ট মিলের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার সূর্য ঈশ্বরদী পৌরসভার অরনকোলা এলাকার বাসিন্দা এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি।

ঈশ্বরদী সদর (আমবাগান) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। মিছিলটি ঈশ্বরদী-পাবনা সড়কের হাড়ুখালি থেকে শুরু হয়ে অরণকোলা মোড় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী- আটঘরিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গালিবুর রহমান শরীফের ফেসবুক আইডি (Galibur Rahman sherif) থেকে মিছিলের একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়।

ভিডিওটির ক‍্যাপশনে তিনি উল্লেখ করেন, ঈশ্বরদী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমালের নির্দেশে হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে 'জননেত্রী' শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে মিছিল হয়। মিছিলে দাশুড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসরাইল, পাকশী ইউনিয়ন যুবলীগের মিরাজ হাসানসহ অন‍্যান‍্যরা উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ব‍্যাপারে পুলিশ পরিদর্শক আফজাল হোসেন বলেন, সূর্য প্রামাণিক ওই মিছিলে ছিলেন। আমরা তার মোবাইল জব্দ করেছি। ওই মিছিলের ভিডিও তিনি তার ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করেছেন।


আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৪০০ কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চান কৃষক
ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ফ্যাসিস্ট সোলায়মান মোল্লা গংয়ের হাত থেকে বাঁচতে এবং ফলবান কলাগাছ কাটার ন্যায্য বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুর শহরের খরমপুর এলাকার নির্ঝর কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্ষতিগ্রস্ত আরাফ আল বেহেস্তী হক রিংকুর বড় ভাই মো. সারওয়ার জাহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত আরাফ আল বেহেস্তী হক রিংকু, তার স্ত্রী তাওহীদা লীম, বড় বোন সেহেলী পারভীন, শাহনেওয়াজ পারভীন, বোনজামাই মাসুদ আহমদ লেনিন, স্থানীয় বাসিন্দা খোরশেদ আলমসহ আরও অনেকে। লিখিত বক্তব্যে মো. সারওয়ার জাহান বলেন, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিস্ট সোলায়মান মোল্লা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছেন। তার বিরুদ্ধে জমি দখল, বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে চাপ সৃষ্টি, মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও চুরি-ডাকাতির নেতৃত্ব প্রদান এবং লোকজন জড়ো করে প্রতিপক্ষকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে। সোলায়মান মোল্লা গংয়ের ভয়ে ভীত হয়ে ওই এলাকার লোকজন তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পান। যারা তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার চেষ্টা করেন, তাদের নানাভাবে হয়রানি করে থাকেন সোলায়মান মোল্লা গং। সারওয়ার জাহান আরও বলেন, আসামিরা জামিনে বের হয়ে রিংকু, তার নয় বছরের শিশু সন্তান, স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অপহরণ, খুন ও গুম করার হুমকি দিয়ে আসছেন। বাড়ির মালামাল ও প্রায় তিন লাখ টাকা মূল্যের নিরীহ-অবলা প্রাণী ষাঁড় গরু লুট করারও হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। রিংকুসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। বৃদ্ধা মা বাধ্য হয়ে একাই ওই বাড়ি পাহারা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আসামিপক্ষের সোলায়মান মোল্লা গং প্রতিনিয়ত অপহরণ, হত্যা, গুম, মালামাল লুটপাট ও জমি দখলের হুমকি দিয়ে আসছেন। রাজনৈতিক একটি প্রভাবশালী মহল আসামিদের পক্ষ নিয়ে গুরুতর এ ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, প্রথমে অভিযোগ দায়ের করার জন্য শ্রীবরদী থানায় গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলাটি নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সুপারের সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তার নির্দেশে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযোগটি আমলে নেন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর রাতেই প্রধান আসামি সোলায়মান মোল্লার ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স ও খোকা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেন। কিন্তু ২৬ সেপ্টেম্বর সকালেই ওই দুজনের জামিন হয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রধান আসামি সোলায়মান মোল্লা ও অপর আসামি ঝাবরু, কালু মিয়া, মুসলিম, শুটকু মিয়া আদালতে হাজির হলে তাদেরও জামিন দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, জেলার শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম বিলভরট এলাকায় অবস্থিত রিংকুর বাড়ি থেকে ১৫০ ফুট পশ্চিম পাশে তার ৩০ শতাংশ জমির ওপর রোপণ করা প্রায় ৪০০ কলাগাছ অনৈতিক চাঁদা দাবির টাকা দিতে না পারায় কেটে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই ছিল ফলবান। গত ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১টার দিকে রাণীশিমুল ইউনিয়নের পশ্চিম বিলভরট এলাকার সোলায়মান মোল্লা ও তার ছেলে মেহেদী হাসান প্রিন্স গং গভীর রাতে রামদা, কিরিচ, রড, লোহার পাইপ, বর্শাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলাবাগানে হামলা চালিয়ে ফলবানসহ সব কলাগাছ কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই কলাবাগানে সাথি ফসল হিসেবে লাগানো বেগুন, মরিচ, লাউ, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন গাছের চারাও নষ্ট করা হয়। পাহারায় থাকা অবস্থায় রিংকু, তার স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাদের ডাক-চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে সোলায়মান গং ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। আরটিভি/টিআর
৪০০ কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চান কৃষক
৪২ লাখ টাকার ‘আলোর প্রকল্প’ অন্ধকারে
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় গ্রামীণ জনপদ আলোকিত করতে দুই অর্থবছরে ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হয়েছিল সৌরবাতি। একসময় এসব বাতির আলোয় আলোকিত হতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক, হাটবাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান। তবে কয়েক বছর না যেতেই অধিকাংশ বাতি নষ্ট হয়ে গেছে। খুঁটি ও সৌরপ্যানেল থাকলেও রাতে জ্বলছে না বাতি। ফলে সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত আলোকায়ন প্রকল্পের সুফল এখন অনেক এলাকাতেই মিলছে না। ফলে আলোর নিচেই অন্ধকার। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ৭০টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়। প্রতিটি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৬ হাজার ৪৯০ টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ১৯টি সৌরপ্যানেল স্থাপন করা হয়। এসব সৌরপ্যানেল স্থাপনে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৯২ হাজার ৫২৬ টাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বাতিগুলো স্থাপনের পর শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাজার এলাকার রাতের পরিবেশ বদলে যায়। সন্ধ্যার পর বাতি জ্বলার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ও মানুষের চলাচলে স্বস্তি আসে। কিন্তু অনেক বাতি কয়েক মাসের মধ্যেই নষ্ট হতে শুরু করে। কোথাও ব্যাটারি, কোথাও প্যানেল কিংবা বাতির অন্যান্য যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে পড়ে থাকলেও সেগুলো মেরামত বা প্রতিস্থাপনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ২৮–৩০ হাজার টাকায় বাজারে পাওয়া সৌরবাতি প্রকল্পে ৫৬ হাজার টাকা দরে দেখানো হয়েছে। নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহারের কারণেও বাতিগুলো দ্রুত নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক সড়কের পাশে এখনো সৌরবাতির খুঁটি দাঁড়িয়ে আছে। খুঁটির ওপরে সৌরপ্যানেল, আর নিচে বাতি ও ব্যাটারি থাকলেও রাতে অধিকাংশ বাতিই জ্বলে না। ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে স্থাপন করা এসব অবকাঠামো এখন অনেকটা অকার্যকর পড়ে আছে। এতে গ্রামীণ জনপদকে আলোকিত করার যে উদ্দেশ্যে প্রকল্পগুলো নেওয়া হয়েছিল, অনেক এলাকাতেই তা পূরণ হচ্ছে না। আব্দুল ওহাব আলিম মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে সৌরবাতি স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে, ততই এসব বাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এখন বেশিরভাগ সৌরবাতিই আর সচল নেই। ফলে রাত হলে অনেক জায়গা অন্ধকারে ডুবে যায়। তাঁর প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা সৌরবাতিটিও কয়েক দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। নিম্নমানের হওয়ায় বাতিগুলো দ্রুত নষ্ট হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, এ প্রকল্প অনেক আগের। নতুন করে এখনো আলোর প্রকল্প পাইনি। তবে পুরনো বাতি সচল করা যায় কি না, সে বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করব। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউর রাব্বি বলেন, বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে চায়। এর আগে স্থাপন করা সৌরপ্যানেলের অধিকাংশই এখন নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
৪২ লাখ টাকার ‘আলোর প্রকল্প’ অন্ধকারে
মা ইলিশ ধরলে মিলবে কঠিন শাস্তি
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য দপ্তর আয়োজিত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মা ইলিশ ধরলে মিলবে কঠিন শাস্তি
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ আগামী অর্থবছরে শুরু হবে: দুর্যোগমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা প্রশাসনিক ভবন ও হলরুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ আগামী অর্থবছরে শুরু হবে: দুর্যোগমন্ত্রী
ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে: কর্মসংস্থান মন্ত্রী
বিগত সরকারের সময়ে শিল্প-কারখানার নামে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে অনেকেই কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ নিয়েছেন। পরে সেই অর্থ বিদেশে পাচার করে তারা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। এর প্রভাব পড়ছে দেশের শিল্পখাতেও। অর্থসংকটসহ নানা কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কিছু কারখানা। বন্ধ থাকা এসব শিল্প-কারখানা কীভাবে পুনরায় চালু করা যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, কারখানাগুলো সচল করা গেলে একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানও নিশ্চিত হবে। বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রামের তিনটি সংসদীয় আসনের এমপিরা এবং পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আরটিভি/টিআর
ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে: কর্মসংস্থান মন্ত্রী
আরও পড়ুন
ঈশ্বরদীতে বজ্রপাতে কৃষি শ্রমিকের মৃত‍্যু
ছেলের বিয়ের বাজার করে বাড়ি ফেরা হলোনা মা-বাবার
মোবাইল চুরির অভিযোগে মাথার চুল কেটে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল
আরটিভিতে সংবাদ প্রচারের পর ভুমি অফিসের সেই কর্মচারি বরখাস্ত