
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জয়রামপুর রেলস্টেশনে সাগরদাঁড়ি-কপোতাক্ষ ট্রেনের আপ-ডাউন স্টপেজসহ বিভিন্ন দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার সময় জয়রামপুর রেলস্টেশনে রেলপথ অবরোধ করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। দামুড়হুদা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে প্রায় ২০ মিনিট থামিয়ে রেলপথ অবরোধকারীরা ৮ দাবি পেশ করেন। এ সময় আন্দোলনকারীরা রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে রেলপথ অবমুক্ত করে কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।
৮ দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনে সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের আন্তঃনগর বিরতি। স্টেশন মাস্টারসহ স্টেশনের প্রয়োজনীয় লোকবল পুনর্বহাল করতে হবে। লুপ লাইন চালু এবং টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করা। স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম আধুনিকীকরণ, অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন করা। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত স্টেশনের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত হওয়ায় একই নকশায় নতুন করে হলঘর নির্মাণ করা। পোড়াদহ-গোয়ালন্দঘাট রুটে চলাচলকারী শাটল ট্রেনটি দর্শনা পর্যন্ত বর্ধিত করতে হবে এবং লোকাল ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি লোকাল ট্রেনের বগি সংখ্যা বাড়ানো।
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ের (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, রেল প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি এখানে এসেছি। ডিআরএম পাকশী এই আন্দোলনের প্রতিনিধিদেরকে আগামী সোমবার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। হয়তো পজিটিভ কিছু হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার সিদ্দিকী, স্থানীয় সিনিয়র নাগরিক পিয়ার আলী, সাবেক সেনা সদস্য লাজিব আক্তার সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আরটিভি/টিআর




