ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

খোদ ‘সিসি ক্যামেরা’ এখন নজরদারির বাইরে

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
ছবি: আরটিভি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক ঘটনা বেড়েই চলেছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী শনাক্তে শহরজুড়ে সিসি ক্যামেরা বসানো হলেও নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেগুলো বিকল হয়ে পড়ে আছে। থানা পুলিশ বলছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সিসি ক্যামেরা পুনঃস্থাপনে পরিকল্পনা রয়েছে।

মঠবাড়িয়া উপজেলা দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহত্তম উপজেলা। এর প্রশাসনিক কেন্দ্র ও প্রধান শহরাঞ্চল হলো মঠবাড়িয়া পৌর শহর। প্রতিদিন নানা প্রয়োজনে বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রাম থেকে শহরে আসেন হাজার হাজার মানুষ।

বাসিন্দা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার পাশাপাশি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী শনাক্তে ২০২৪ সালে প্রথম পুরো শহরকে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনে পুলিশ ও পৌরসভা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অনেকগুলো সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে শহরের সার্বিক চিত্র পুলিশ মনিটরিং সেল থেকে পর্যবেক্ষণ করা হতো।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পৌর শহরের প্রায় সব সিসি ক্যামেরাই বিকল হয়ে যায়, নয়তো খোয়া যায়। এরপর থেকে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পয়েন্টগুলোতে কার্যত নজরদারি বন্ধ। আর এই সুযোগই কাজে নিচ্ছে অপরাধীরা। পাড়া-মহল্লা থেকে বসতবাড়ি— প্রায়ই ঘটছে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধের ঘটনা। ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে কিছু অপরাধী শনাক্ত হলেও অধিকাংশই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এতে অপরাধপ্রবণতা বাড়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পৌরবাসী।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও পৌরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঠবাড়িয়া পৌর শহরকে দ্রুত আবার সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা প্রয়োজন। এতে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য সহজ হবে।

এ ব্যাপারে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা অমল কৃষ্ণ সাহা বলেন, পৌর শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসার জন্য আমরা পরিকল্পনা করছি, যাতে অপরাধ কমে আসে।

এ বিষয়ে পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তী বলেন, তার জানা মতে, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে আগে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সেগুলো চুরি হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে শহরে ক্যামেরা নেই। তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সভায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পুরো জেলাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফাঁসির দড়ির ভয়ে শেখ হাসিনা কখনো বাংলাদেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
ফাঁসির দড়ির ভয়ে শেখ হাসিনা আর কখনো বাংলাদেশে ফিরে আসবেন না মন্তব্য করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে তার অপরাধকে চিরতরে ‘ক্ষমার অযোগ্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
ফাঁসির দড়ির ভয়ে শেখ হাসিনা কখনো বাংলাদেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
মুসল্লিদের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম
জামালপুরের মেলান্দহে সোনার হার দেওয়ার কথা বলে এবং ব্যক্তিগত আর্থিক সংকটের কথা জানিয়ে মুসল্লিদের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইমামের বিরুদ্ধে। মসজিদের ইমাম হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এই ঘটনায় ঐতিহ্যবাহী মালঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদভিত্তিক মক্তব শিক্ষক মাওলানা জোবায়ের (৩০) বাদী হয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষে মেলান্দহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত মিজানুর রহমান ঢাকার ৩১২ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ির ফরিদাবাদ এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগীরা জানান সূত্রে জানা গেছে, মুফতি মিজানুর রহমান তিন মাস আগে ৪০ হাজার টাকা মাসিক সম্মানির শর্তে মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি মসজিদের নির্দিষ্ট আবাসনে সপরিবারে অবস্থান করছিলেন। হংকং থেকে তার এক আত্মীয়র পাঠানো সোনা এয়ারপোর্ট থেকে ছাড়িয়ে আনতে টাকার প্রয়োজনের কথা বলে গত মঙ্গলবার তিনি ১৪ থেকে ১৫ জন বাসিন্দার কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ধার নেন। পরে সেদিন রাতেই সপরিবারে তিনি নিরুদ্দেশ হন। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টাসহ নানা মাধ্যমে তার খোঁজ না পেয়ে থানায় অভিযোগের সিদ্ধান্ত নেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শ অনুযায়ী ভুক্তভোগীদের পক্ষে মালঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদের মক্তব শিক্ষক মাওলানা জোবায়ের বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চেয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এতে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। মেলান্দহ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম হক বলেন, মালঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার অভিযোগে করা হয়েছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তপূর্বক এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
মুসল্লিদের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সরকারি কর্মকর্তার কাছে নারী, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
ভাইরাল হওয়া ৪ মিনিট ৪১ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাচ্ছেন মফিজুর রহমান।
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সরকারি কর্মকর্তার কাছে নারী, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
বিয়ের চার মাস পর জানলেন ‘স্ত্রী’ একজন পুরুষ
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া নারী পরিচয়ে প্রথমে গড়ে ওঠে বন্ধুত্বের সম্পর্ক। এরপর তা ধীরে ধীরে গড়ায় প্রেমের সম্পর্কে। প্রায় চার মাস আগে মোবাইল ফোনে ‘বিয়ে’ করে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক বজায় রাখতে থাকেন ইতালি প্রবাসী এক ব্যক্তি ও ‘সুমাইয়া আক্তার’। এরই মধ্যে বিকাশের মাধ্যমে ওই প্রবাসীর কাছ থেকে নেওয়া হয় ৩ লাখেরও বেশি টাকা।  বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফাঁস হয় প্রতারণার পুরো রহস্য। ‘সুমাইয়া’ আসলে কোনো নারী নন, তিনি নাটোরের লালপুর উপজেলার গন্ডবিল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শান্ত আলী (২০) নামের এক তরুণ। ভুক্তভোগী ৪৮ বছর বয়সি প্রবাসী ঢাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন। প্রায় ছয় মাস আগে ফেসবুকে এক নারী পরিচয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়। ‘সুমাইয়া আক্তার’ নামের ওই ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে শান্ত আলী ওই প্রবাসীর সঙ্গে বিয়ের একটি ভুয়া সম্পর্ক তৈরি করেন। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর কথিত স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে থাকে শান্তর প্রতারণা। সম্পর্কের সুযোগে বিভিন্ন অজুহাতে ওই প্রবাসীর কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে তিন লাখেরও বেশি টাকা নেন শান্ত। প্রতারণার বিষয়টি আরও বিশ্বাসযোগ্য করতে শান্ত তার বাবাকে ওই প্রবাসীর সঙ্গে ‘শ্বশুর’ পরিচয়ে কথা বলাতেন বলে জানা গেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে গন্ডবিল গ্রামে শান্ত আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে ও তার বাবা শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থানায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় শান্তর মোবাইলে হঠাৎ ফোন করেন ওই ইতালি প্রবাসী। তখন পুলিশের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, এতদিন যার সঙ্গে প্রেম ও বিয়ের সম্পর্ক বজায় রেখে আসছিলেন, সেই ‘সুমাইয়া আক্তার’ আসলে একজন পুরুষ। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, গ্রেপ্তার শান্ত আলী ও তার বাবা শহিদুল ইসলাম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমো আইডি হ্যাকিং ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের গ্রেপ্তারের পর ইতালি প্রবাসীর সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি জানা যায়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আরটিভি/টিআর
বিয়ের চার মাস পর জানলেন ‘স্ত্রী’ একজন পুরুষ
বাংলাদেশে এটাই প্রথম সফর, পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়: জার্মান পর্যটক
বুধবার (৭ অক্টোবর) নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকিট কেনার জন্য এটিএম বুথে টাকা তুলতে যাচ্ছিলেন কিরিল। তখন নিজের জিনিসপত্র বিশ্বাস করে একজনের কাছে রেখে যান তিনি।
বাংলাদেশে এটাই প্রথম সফর, পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়: জার্মান পর্যটক
আরও পড়ুন
ডাক্তার নেই, নদী পেরিয়ে সদরে যাওয়ার আগেই মরে ‘আদরের পশু’
‘প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে’
পিরোজপুরে ৯ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ হাজারের বেশি
গভীর রাতে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা করে লুট: বাবা জখম, ছেলে গুলিবিদ্ধ